ইরানি এয়ারলাইনগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে চীন। মঙ্গলবার বেইজিং বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া একতরফা নিষেধাজ্ঞা ‘অবৈধ’। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্যান্ডার্ড এ খবর জানিয়েছে।
এর একদিন আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে বিশ্বের সব ইরানি এয়ারলাইন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপের কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন নেই-এমন অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে চীন।
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার ও কূটনৈতিক সমর্থক চীনের এই সমালোচনা এসেছে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের ঠিক আগে।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বাকি সব এয়ারলাইনকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। পাশাপাশি ইরানের বিমান চলাচল খাতকে সহায়তা করা ইরানের বাহিরের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি বিমান কোনও দেশে অবতরণ করলে তাদের জ্বালানি, অবতরণসেবা বা টিকিট বিক্রির সুবিধা দেওয়া যাবে না। এমন সেবা দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়তে পারে।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা এবং তেহরানের আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বেসেন্ট। চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লিফেংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক বৈঠকের একদিন পর ইরানি এয়ারলাইন নিয়ে নতুন এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নতুন অস্ত্র দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের







