ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনি সরকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে আরব ও পশ্চিমারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১৮:০১আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১৮:০৯

একটি ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনি সরকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে কয়েকটি ইউরোপীয় ও আরব দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র। যাতে করে পুনর্গঠনের তহবিল গঠন করা সহজ হয়। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এক সাক্ষাৎকারে কোনও দেশে নাম উল্লেখ না করে এ কথা বলেছেন নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ আইডে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অনেকগুলো দেশ আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। একটি বৃহত্তর ঐক্য সরকার গঠনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, নরওয়ের অবস্থান হলো একীভূত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড শাসনে দায়িত্ব থাকা উচিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হতে হবে ফিলিস্তিনিদের চাওয়া মোতাবেক। 

১৯৯২-৯৩ সালে ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে নরওয়ে। এই আলোচনার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি হয়।

এই চুক্তির অধীনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীর শাসনে সীমিত স্বাশসনের সুবিধা পেয়ে আসছে। ২০১৪ সালে চুক্তিটি ভেস্তে পড়ার আগ পর্যন্ত একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করছে হামাস।

অসলো চুক্তির পর থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সহযোগিতার জন্য আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীর একটি সংস্থার নেতৃত্বে রয়েছে নরওয়ে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে দেশটি।

বার্থ আইডে বলেছেন, সংঘাত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করা করায় দ্বিরাষ্ট্র সমাধান জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু শুধু যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি জনগণ ইসরায়েলের অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা ফিলিস্তিনি ঐক্য গঠনে কাজ করতে পারি এবং আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করতে পারি।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাস যোদ্ধাদের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের পর দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের আহ্বান জোরদার হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নীতি অনুসারে, গাজা ও পশ্চিম তীর নিয়ে একটি রাষ্ট্র গঠিত হবে, যা ইসরায়েলের পাশাপাশি অবস্থান করবে। ইসরায়েল দাবি করে আসছে, ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে করে তারা দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি না হয়।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম