পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব ও মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিজেপির ‘আঁতাতের’ অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দলগুলো। সাবেক মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগারওয়ালকে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর এই বিতর্ক শুরু হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।
এই জোড়া নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় লোকসভার বিরোধী দলীয় ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বিজেপি-ইসি সম্পর্ককে ‘চোর বাজার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। একটি সংবাদ শেয়ার করে হিন্দি ভাষায় তিনি লেখেন, বিজেপি-ইসি-র চোর বাজারে যত বড় চুরি, তত বড় পুরস্কার।
কংগ্রেসের যোগাযোগ বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেছেন, এই নিয়োগ বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে নির্লজ্জ যোগসাজশকে প্রকাশ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই নিয়োগগুলো প্রমাণ করে যে ইসি এবং বিজেপির মধ্যে গভীর আঁতাত রয়েছে। এখন আর এই যোগসাজশ গোপন রাখার চেষ্টাও করা হচ্ছে না।
তৃণমূল কংগ্রেসও এ নিয়ে অভিযোগ জোরদার করেছে। দলটির দাবি, এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে দীর্ঘদিনের সন্দেহকে আরও শক্তিশালী করল। তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এক্স-এ লিখেছেন, তথাকথিত ‘নিরপেক্ষ আম্পায়ার’কে বাংলায় বিজেপি শাসনের শীর্ষ আমলা পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ২০২৬-এর নির্বাচন যে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে, তা কি কেউ বিশ্বাস করেন? এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক।









