হাসপাতালে নেই পানি!

বিদেশ ডেস্ক
১৭ এপ্রিল ২০১৬, ২০:০৪আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ২০:০৪

দেওঘর সদর হাসপাতালে নেই পানিপানিশূন্যতায় ভোগা ফারহুদ আহমদ ঝাড়খণ্ডের দেওঘর শহরের সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনদিন হলো। প্রতিদিন সকালে গোসল ও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য তাকে দৌড়াতে হয় বাড়িতে।যদিও চিকিৎসক তাকে পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।

আহমদের এছাড়া কোনও উপায় নেই। দেওঘরের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতালে কোনও পানি নেই। শুধু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও জরুরি ওয়ার্ডে পানি আছে। অবশিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে কোনও পানি নেই।  শুধু দেওঘর নয়, পুরো ঝাড়খণ্ডেই খরার প্রকোপে পানির জন্য হাহাকার চলছে।

আরও পড়ুন: তীব্র রোদে পাথুরে বারান্দায় ডিম ভাজি!(ভিডিও)

আহমেদ বলেন, আমার বাড়ি কাছেই। ফলে প্রতিদিন সকালে আমি বাড়িতে যেতে পারছি। কিন্তু যারা দূর থেকে এসেছেন তাদের যে কী অবস্থা? এটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নগর কর্তৃপক্ষ সপ্তাহে এক অথবা দুইবার পানি সরবরাহ করছে। দেওঘর হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা ডা. এসসি ঝা বলেন, পুরো শহরেই পানি নেই। হাসপাতালটিতো শহরের ভেতরেই। আমরা বিকল্প ব্যবস্থা করেছি কিন্তু এটা যথেষ্ট নয়।

অবশ্য বিকল্প কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানাননি ডা. ঝা।

ভারতের আরও খবর: ভারতের খরা যখন সর্বোচ্চ আদালতে

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ঝাড়খণ্ডকে খরা এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এক সপ্তাহ আগে ঝাড়খণ্ড সরকার জানিয়েছিল, পানি স্বল্পতার কারণে এখানে জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে। পুরো রাজ্যজুড়ে পানির স্তর নেমে গেছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও কম পানি পাওয়া যাচ্ছে।

শনিবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবার দাস রাঁচির তিনটি বাঁধ পরিদর্শন করেন। পানি সরবরাহকারী বিভাগের কর্মকর্তারা রাজ্যের বিভিন্ন পানি সংরক্ষণাগারের সংখ্যা ও সামর্থ্য বৃদ্ধির কথা বলেছেন। সরকার আশা করছে, আসন্ন বর্ষার ফলে আরও পানি ধরে রাখা যাবে। কিন্তু এ বৃষ্টির মওসুম আসতে এখনও কয়েক মাস দেরি আছে।

আরও পড়ুন: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন এক মুসলিম

দেওঘরে ৩৬ হাজার বাড়ি রয়েছে। প্রতিবছর কয়েক লাখ পুণ্যার্থীরা শহরের বিখ্যাত মন্দির পরিদর্শনে আসেন। সম্প্রতি পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, গত তিন বছরে পানির স্তর তিন মিটার নিচে নেমে গেছে। এক দশক আগে বার্ষিক পানির নিঃসরণ ছিল প্রায় সেন্টিমিটারের কাছাকাছি। সূত্র: এনডিটিভি।

/এএ/

সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে