যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইরানবিরোধী যুদ্ধে যোগ দিলে দক্ষিণ কোরিয়াকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং পারস্য উপসাগরে দেশটির সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পদে হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানি গবেষক মোহাম্মদ মারান্দি। আল মায়াদিনের দ্য গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডঅফ অনুষ্ঠানে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।
মারান্দি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে অংশ নেয়, তবে ইরান তাদের শত্রু হিসেবে দেখবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়ার যেকোনও সম্পদ ধ্বংস করার চেষ্টা করবে। সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে থাকা দক্ষিণ কোরীয় সম্পদও এই হামলার লক্ষ্য হতে পারে। তার মতে, কোরীয়রা ইরানের কাছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ইরান তাদের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনা, পি-৮ পসাইডন টহল বিমান বা নৌবাহিনীর রসদবাহী জাহাজ পাঠানোর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছে সিউল। তবে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, লড়াই বা অ-যুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যেকোনও নতুনসেনা মোতায়েনের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের পর্যালোচনা, মন্ত্রিসভার প্রস্তাব ও জাতীয় সংসদের অনুমোদন লাগবে।
যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রস্তাবিত পদক্ষপকে অপ্রতুল আখ্যা দিয়ে মারান্দি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার এক বা দুটি জাহাজ কী করবে? এটা বোকামি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান কেবল দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক সম্পদকেই লক্ষ্যবস্তু করবে না, পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের অর্থনৈতিক সম্পদও সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, নিজের জ্বালানি চাহিদার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া এই প্রণালির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল; গত বছর দেশটি ৬১ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়েই আমদানি করেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইরানের ডলার সংগ্রহ বন্ধ করতে আমিরাতে ব্যাংকগুলোকে কেন নিশানা করছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহে পর্নোগ্রাফিকে বৈধতার পথে ইউক্রেন







