সিরিয়ায় ৫ বছরের গৃহযুদ্ধে ৬০,০০০ কারাবন্দির প্রাণহানি: পর্যবেক্ষক সংস্থা

বিদেশ ডেস্ক
২২ মে ২০১৬, ১৩:১১আপডেট : ২২ মে ২০১৬, ১৩:১৫
image

পাঁচ বছরের গৃহযুদ্ধে সিরিয়ায় ৬০ হাজার কারাবন্দি নিহত হয়েছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস শনিবার এই পরিসংখ্যান হাজির করেছে। অকজারভেটরি জানিয়েছে, তারা বেশিরভাগই মারা গেছেন নির্যাতন আর খাদ্য ও চিকিৎসার অভাবে।  

সিরিয়ার কারাগারে মারা গেছেন ৬০ হাজার বন্দী

সিরিয়ান অবজারভেটরির প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেন, ‘২০১১ সালের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নির্যাতন অথবা খাদ্য এবং চিকিৎসার অভাবে ভয়াবহ অবস্থায় অন্তত ৬০ হাজার কারাবন্দী মারা গেছেন।’

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ২০১১ সালে সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। দ্রুতই সে বিক্ষোভ সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। এ যুদ্ধে গত পাঁচ বছরে চার লাখ মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন সিরিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত স্ত্যাফান দি মিস্তুরা। তিনি জানান, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করা অসম্ভব। কারণ, বহু সিরীয় গুম হয়েছেন, তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা অজানাই রয়ে গেছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) বৈরুতভিত্তিক গবেষক নাদিম হৌরি অভিযোগ করেছেন, সিরীয় সরকার ‘ভয়াবহ নির্যাতন’ করছে। তিনি বলেন, ‘বন্দীদের অবস্থার উত্তরণে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুরো বিশ্বের সামনে এতো বিশাল মাত্রায় কারাবন্দীদের নিহতের ছবি প্রকাশের পরেও কোনও প্রতিবাদ করা হয়নি।’  গত বছরের ডিসেম্বরে ছবি সম্বলিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় গৃহযুদ্ধের পাঁচ বছরে অন্তত ২৮ হাজার কারাবন্দী নিহত হয়েছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল সিরীয় সরকার এবং বিদ্রোহীদের (আল-নুসরা ফ্রন্ট এবং আইএসসহ) বন্দী নির্যাতনের জন্য অভিযুক্ত করেছে। সূত্র: আলজাজিরা।

আরও পড়ুন: 

তালেবান প্রধান নিহতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধে গণভোটে তাজিকিস্তান

দুই বছরের মধ্যে বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত!

/এসএ/বিএ/

সম্পর্কিত
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী