টিকাদানে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকদেরও যুক্ত করার পরিকল্পনা বাইডেনের

বিদেশ ডেস্ক
১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:২৬আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২৩:৪৮
image

করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রমে গতি আনতে নিজের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া জো বাইডেন। সিরিঞ্জসহ টিকাপ্রদানের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ দেবেন তিনি। এছাড়া বাইডেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় দুর্যোগ প্রশমন কর্মীরা স্থাপন করবেন হাজার হাজার টিকাদান কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষক, মুদি দোকানদার, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী এবং বর্তমানে অযোগ্য বিবেচিত হওয়া হাজার হাজার মানুষকে টিকা প্রদান করবেন অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। তারপরেও দেশটিতে প্রতিদিনই বাড়ছে এই মহামারিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। নির্বাচিত হওয়া জো বাইডেন বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা কর্মসূচি ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তার তা কাটিয়ে উঠতে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

টিকা প্রদান সামগ্রীর উৎপাদন বাড়াতে ডিফেন্স প্রডাকশন অ্যাক্ট সচল করার পরিকল্পনা করছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বাইডেন। তার ট্রানজিশন টিমের প্রকাশ করা নথি অনুযায়ী এই আইন সচলের মাধ্যমে কাঁচের ভায়াল, সূচ এবং সিরিঞ্জ উৎপাদন বাড়ানো হবে। এছাড়া ভ্যাকসিন সংরক্ষণ এবং বিতরণের ক্ষেত্রেও আইনটি ব্যবহার করবেন তিনি।

জো বাইডেন বলেছেন, কেন্দ্রীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থাকে এক মাসের মধ্যে একশ’ টিকাদান কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রে লাখ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, পাড়ায় পাড়ায় থাকা ফার্মাসিটিগুলোকেও টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে।

তবে বাইডেন স্বীকার করে নেন এইসব পদক্ষেপ নেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সময় লাগবে। তিনি বলেন, আসল সত্যি হচ্ছে পরিস্থিতি ভালো হওয়ার আগে খুবই খারাপ হতে থাকবে।

/জেজে/
সম্পর্কিত
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের