X
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
১০ ফাল্গুন ১৪৩০

মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসায় এখনও ‘ভয়’ কাজ করে: অভ্র দাস ভৌমিক

উদিসা ইসলাম
১০ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:০০আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:০০

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে আলাদাভাবে কাজ শুরু হয়েছে খুব বেশি দিন আগে নয়। ফলে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়টি অ্যাড্রেস করতে, মেনে নিতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে এগিয়ে আসতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে বলে মনে করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. অভ্র দাস ভৌমিক। একইসঙ্গে তিনি মনে করেন, মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াও সব চিকিৎসকেরই এ বিষয়ে জানাবোঝা থাকা জরুরি। তবেই অনেক দ্রুত সময়ে সমাজ থেকে মানসিক চিকিৎসা নিয়ে যে শঙ্কা, তা দূর হবে। ১০ অক্টোবর ‘মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে অভ্র দাসের সঙ্গে কথা হয় বাংলা ট্রিবিউনের।

বাংলা ট্রিবিউন: এখনও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা মানে সমাজ তাকে পাগল বলে চিহ্নিত করতে চায়। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয় না কেন?

অভ্র দাস ভৌমিক: মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি বাংলাদেশে এসেছে অল্প কিছু দিন হলো। মানুষের জীবন-জীবিকা, তার পেটের ভাত নিশ্চিত করা না গেলে, তার মনের কী হলো, তাতে কিছু আসে যায় না। আরও আগে বাবারা মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র ভাবতেন— সেই বাড়িতে মেয়ের খাওয়া নিশ্চিত কিনা। এটা একসময় ছিল, কিন্তু এখন সেই দিন নেই। বর্তমানে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মানুষের কাজ আছে, মুখে ভাত আছে। ফলে এখন মানুষ তার মন ভালো বা মন খারাপ, তা নিয়ে ভাবে। মানসিক রোগে মানুষ কষ্টভোগ করে—কিন্তু সেটা বেশিরভাগ সময় দৃশ্যমান না। কিছু ক্ষেত্রে ভয়াবহতা দেখা যায়। সমাজে যাদের পরিচয় ‘পাগল’। যাদের আচরণগত সমস্যা বোঝা যায়, যাদের সাইক্রিয়াটিস্টের কাছে আনা হতো। কিন্তু আরও যে সমস্যা, যেমন—মন খারাপ, মন ভালো না, হতাশা, ডিপ্রেশন, এসবের জন্যও যে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, সেটা সাম্প্রতিক সময়ে এসেছে। তারপরও মানুষ এখনও মানসিক রোগের চিকিৎসককে চট করে পাগলের ডাক্তার বলে ফেলে। আমাদের কাজের জায়গায় চর্মরোগ নিয়েও এ ধরনের জটিলতা আছে। যেহেতু চর্ম ও যৌন সমস্যার চিকিৎসা পদ্ধতি একসঙ্গে রাখা হয়েছে। ফলে মানুষ লজ্জার কারণে খুব সহজে স্কিনের ডাক্তারের কাছে যেতে চান না। লোকে দেখলে যদি তার যৌন সমস্যা আছে মনে করে, সেই ভয়ে। এ অবস্থা দিনে দিনে বদলাবে। তবে সময় লাগবে। আগে মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসা দেওয়া হতো জেনারেল হাসপাতালের রোগীদের থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও জায়গায়। এখন সেটা পরিবর্তন করে হাসপাতালে অন্য রোগীদের সঙ্গেই নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানুষের মানসিকতা বদলাতে ছোট ছোট করে এ ধরনের নানা উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: হ্যাঁ, আমরা প্রতিবেদন করতে গিয়ে এমন অনেক উদাহরণ পেয়েছি যে বাবা মায়েরা এখনও মুখ খুলতে ভয় পায়

অভ্র দাস ভৌমিক: সরকারি হাসপাতালগেুলোতে গুরুতর সমস্যার রোগীদের নিয়ে আসা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকরা যখন ডিপ্রেশন ও মন খারাপের রোগী নিয়ে আসেন, তখন একসঙ্গে চিকিৎসা করাতে তারা ভয় পান। সেক্ষেত্রে পরেরবার তারা আর আসেন না। বা লুকিয়ে প্রাইভেট চেম্বারে দেখা করেন। এসবই সামাজিক ভয়। সন্তানের ভবিষ্যতের ভয়। পরিবারের সদস্যদের সম্মানের ভয়।

বাংলা ট্রিবিউন: করোনা পরবর্তীকালে ডিপ্রেশনের রোগীদের বিষয়ে নানান কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। এদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে কোন বয়সের রোগী বেশি পান?

অভ্র দাস ভৌমিক: আমাদের যে ন্যাশনাল সার্ভে আছে, সেখানে বিভিন্ন বয়সীদের মধ্যে ডিপ্রেশনের হার নিয়েও কাজ হয়েছে। আমার একটি কাজের বিষয়ে উল্লেখ করতে চাই। আমি ডায়াবেটিস ও ডিপ্রেশন নিয়ে একটা কাজ করেছিলাম। সেখানে আমি লক্ষ করেছি—কম বয়সে কারোর ডায়াবেটিস হলে তিনি বেশি বয়সে হওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের থেকে বেশি বিষণ্নতায় ভোগেন। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে অনেক সমস্যার মধ্যে বড় সমস্যা হলো গবেষণা কম হওয়া। তবে বিশ্বজুড়ে বয়ঃসন্ধি চলাকালে ডিপ্রেশন রোগীর হার বেশি। আমাদের পড়াশোনার যে পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের ওপর রেজাল্ট ভালো করার প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক চাপ—এসব নিয়ে এরা খুব বেশি ভোগান্তির মধ্যে থাকে। আমরা ভুলে যাই, প্রত্যেকটা মানুষের দক্ষতার ধরন ভিন্ন। যে বিষয়টি সে গ্রহণ করতে চায় না, সেটা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাকে মানসিক হতাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়।

বাংলা ট্রিবিউন: আমাদের প্রত্যেকেরই মানসিক নানান জটিলতা তৈরি হয়। মারাত্মক সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার কতজনের?

অভ্র দাস ভৌমিক:  পার্থক্যের জায়গাটা আগে বলি। এই মুহূর্তে আপনি হুট করে কোনও একটা দুর্ঘটনা দেখলেন, আপনার মনটা খারাপ হবে। এর মানে এটা না যে আপনার ডিজঅর্ডার আছে। কিন্তু এই যে দুর্ঘটনা দেখলেন, এই মন খারাপ ভাবটা যদি এক-দুই মাস টানেন, তখন সেটা ডিজঅর্ডার হবে। ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৮-২০১৯’-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের বেশি) মানুষের মধ্যে ১৮ শতাংশের বেশি কোনও না কোনও মানসিক রোগে আক্রান্ত। ১২ দশমিক ৬ শতাংশ কিশোর-কিশোরীর (৭-১৭ বয়সী) মধ্যে মানসিক রোগ শনাক্ত করা গেছে। দেশে নারীদের মধ্যে প্রতি ৫ জনে একজন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।

বাংলা ট্রিবিউন: বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে পাস করার পরেই কি সে থেরাপি বা কাউন্সিলিং দেওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে? নাকি অন্য কোনও দক্ষতা অর্জন করতে হয়?

অভ্র দাস ভৌমিক: এই কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে অনুমতির জন্য কোনও রেগুলেটরি বডি নেই। এটা আমাদের অনেক দিনের দাবি। কেউ ভুল করলে, কোনও ক্ষতি হয়ে গেলে—কেউ মনিটর করবে বা কোথাও অভিযোগ করা যাবে, এমন কোনও জায়গা এখনও নেই। এমবিবিএস যারা পাস করে সাইক্রিয়াটিস্ট হয়েছে, তাদের কোনও ভুল হলে বিএমডিসিতে অভিযোগ করার সুযোগ আছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা সাইকোলজিতে পড়ে বের হচ্ছে, তাদের প্র্যাকটিসের জায়গায় লাইসেন্সিং অথরিটি নেই। যেকেউ করতে পারে। যেকেউ সাইকোথেরাপি করছে। আমরা ধরেই নিই—তারা যেহেতু ওষুধ দিতে পারে না, ফলে নেগেটিভ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ভয় নেই। কিন্তু ভুল সাইকোথেরাপির ভয়ংকর নেগেটিভ দিক আছে। ওষুধের থেকেও ক্ষতিকর। আমি না জানার কারণে একজনকে ভুল পথে ধাবিত করলাম থেরাপির মাধ্যমে, সেটা তার বড় ক্ষতি করে দিতে পারে। সায়েন্টিফিক ওয়েতে অ্যাসেস না করতে পারলে, সেটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন: এটা যে থাকা উচিত, আপনারা সিনিয়ররা এমন কিছু দাবি কখনও তুলেছেন?

অভ্র দাস ভৌমিক: আমরা দাবি তুলেছি। কিন্তু এখানে একটা বাস্তবতা আছে। পুরো দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারা সাইক্রিয়াটিস্ট বা সাইকোলজিস্ট অনেক কম। ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্যনীতি ২০২২’-এর তথ্য বলছে, বাংলাদেশে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা মাত্র ১.১৭ জন। এরমধ্যে ০.১৩ জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ০.০১ জন অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ০.৮৭ জন মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেবিকা এবং ০.১২ জন মনোবিজ্ঞানী ও অন্যান্য পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী।  আমরা দাবি তুলে সবার সেবাদান বন্ধ করে দিলে সামাল দিতে পারবো না।

বাংলা ট্রিবিউন: না, বন্ধ করার বিষয়ে বলা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে উনাদের বাড়তি কোনও দক্ষতা অর্জন ও লাইসেন্সিংয়ের বিষয়ে বলছেন কিনা?

অভ্র দাস ভৌমিক: আমরা মেন্টাল হেলথ অ্যাক্টে বলেছি। কিন্তু সরকারকে বাধ্য করতে পারি না। হয়তো বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়ায় আছে। আমি জানি না।

বাংলা ট্রিবিউন: তাহলে, আমি কার কাছে যাবো, আর কার কাছে যাওয়া ঠিক হবে না, সেটা রোগী বুঝবে কী করে?

অভ্র দাস ভৌমিক: সেটা যে কঠিন পরিস্থিতি তা আমি বুঝি। যেমন, বিএমডিসির লাইসেন্স থাকলে, রেজিস্ট্রেশন থাকলে রোগী সেই চিকিৎসকের কাছে যাবেন। কিন্তু কাউন্সিলিংয়ের দক্ষতা কার আছে, কার নেই—সেটা কীভাবে নির্ধারণ হবে? তার তো কোনও অথরিটি নেই। সে কি আসলে জেনুইন নাকি নামসর্বস্ব? অনেকে আছেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে পরবর্তীকালে প্রশিক্ষণ নেন। কিন্তু না নিলেও তিনি থেরাপি দিতে পারেন। বাইরের দেশে যেকোনও চিকিৎসককে কয়েক বছর পর পর পরীক্ষা দিয়ে তার কাজ চালিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করতে হয়। আমাদের এখানে সে ধরনের কোনও নিয়ম নেই। কিন্তু যদি কেউ বিপদে পড়ে সে তো বিএমডিসিতে গিয়ে অভিযোগ করতে পারছে। কিন্তু সাইকোলজিস্টদের বিরুদ্ধে রোগীর অভিযোগ জানানোর জায়গা নেই।

বাংলা ট্রিবিউন: এত রকমের কর্মসূচি আপনারা নিয়ে থাকেন। তারপরেও কেন অভিভাবকরা সন্তানদের মানসিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে ভয় পান?

অভ্র দাস ভৌমিক: আপনি প্রথমবারের মতো যেকোনও ধরনের ‘অস্বাভাবিকতা’ জানতে পারেন রেগুলার চিকিৎসকের কাছ থেকে। পরিচিত বা অপরিচিত কোনও চিকিৎসকের কাছে। দুর্ভাগ্যজনক হলো, এমবিবিএস কারিকুলামে সাইক্রিয়াট্রির গুরুত্ব নেই। এটা একটা পার্ট, কিন্তু পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক না। যখন আপনাকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হবে না, তখন আপনি সেটা পড়বেন না। ওই বিষয়টি নিয়ে যদি বোর্ডের ফেস করতেই না হয়, তাহলে গুরুত্ব কেন দেবে। পৃথিবীর সব দেশেই সাইক্রিয়াট্রির জন্য আলাদা বোর্ড হয়, আমাদের এখানে হয় না। তবে আশার কথা হলো—২০২৪ সাল থেকে একটা বোর্ড হতে যাচ্ছে, এবার হবে। এমবিবিএস কারিকুলামে এক মাসের একটা কোর্স থাকে, মানসিক স্বাস্থ্যের। অথচ স্বাস্থ্যের একটা বড় পার্ট হলো মানসিক স্বাস্থ্য। যদি আলাদা কোর্স থাকতো ছয় মাসের, তাহলে চিত্র ভিন্ন রকমের হতো। যারা রেগুলার চিকিৎসক তারা খোঁজই রাখেন না যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা কত আধুনিক হয়ে গেছে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভুগছেন এমন কারোর সঙ্গে যেসব চিকিৎসক প্রথম কথা বলেন, সেই চিকিৎসক যদি নেতিবাচক ইম্প্রেশন দেন, তবে ‘রোগী’ ভয় পেয়ে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। যদি সব চিকিৎসকের মোটামুটি ধারণা থাকতো, তাহলে পরিবর্তন আরও আগে হতো।

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
স্টামফোর্ডে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ‘তরুণ মনটারও জয় হোক’ কর্মশালা
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি বন্ধ করা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: সামন্ত লাল সেন
জাতীয় পার্টি নিয়ে অনেকে অনেক ডিস্টার্ব করছে: জিএম কাদের
সর্বশেষ খবর
লাল কার্ড ও চার গোলের রোমাঞ্চে আবাহনী-মোহামেডানের কেউ জেতেনি
লাল কার্ড ও চার গোলের রোমাঞ্চে আবাহনী-মোহামেডানের কেউ জেতেনি
বিএনপি রাজনৈতিক দল হয়ে ওঠেনি, হয়ে উঠবে না: অধ্যাপক আবুল কাসেম
বিএনপি রাজনৈতিক দল হয়ে ওঠেনি, হয়ে উঠবে না: অধ্যাপক আবুল কাসেম
ইছামতি নদীতে পড়ে ছিল বিএসএফ সদস্যের লাশ
ইছামতি নদীতে পড়ে ছিল বিএসএফ সদস্যের লাশ
হালুয়া স্বাস্থ্যকর হবে এই ৫ টিপস মানলে
হালুয়া স্বাস্থ্যকর হবে এই ৫ টিপস মানলে
সর্বাধিক পঠিত
বাড়িওয়ালাদের তালিকা ধরে অভিযান চালাবে এনবিআর
বাড়িওয়ালাদের তালিকা ধরে অভিযান চালাবে এনবিআর
ইউরোপে মানবপাচারে জড়িত বিমানবন্দরের কর্তারা: ডিবির হারুন
ইউরোপে মানবপাচারে জড়িত বিমানবন্দরের কর্তারা: ডিবির হারুন
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন সেনাপ্রধান
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন সেনাপ্রধান
পারমাণবিক বোমারু বিমানে চড়ে পশ্চিমাদের বার্তা দিলেন পুতিন
পারমাণবিক বোমারু বিমানে চড়ে পশ্চিমাদের বার্তা দিলেন পুতিন
হাসপাতাল পরিচালনায় ১০ নির্দেশনা, না মানলে লাইসেন্স বাতিল
হাসপাতাল পরিচালনায় ১০ নির্দেশনা, না মানলে লাইসেন্স বাতিল