রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে সরকারি লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের একদিন পর নতুন রোগী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
শনিবার (১৩ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে নতুন করে কোনও রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ভর্তি থাকা কিছু রোগীও চিকিৎসকের পরামর্শ ও ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করতে শুরু করেছেন।
তবে এখনও কিছু রোগী বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় হাসপাতালের পরিবেশ অনেকটাই ফাঁকা ও নীরব দেখা যায়। পাশাপাশি সীমিত আকারে কিছু সেবা কার্যক্রম চালু থাকলেও আগের মতো ব্যস্ততা নেই।
এর আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনিয়ম ও শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সিদ্ধান্তের পর থেকেই হাসপাতালের কার্যক্রমে ধীরে ধীরে প্রভাব পড়তে শুরু করে।
লাইসেন্স বাতিলের খবরে হাসপাতালটিতে রোগী ভর্তির হার কমে যায় এবং একদিনের ব্যবধানে তা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি নিয়েও কিছু কর্মচারীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তারা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহে সেখানে অবস্থান করেন।
লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে রোগী, স্বজন ও কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেকেই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।









