X
রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

জেকেজি’র আরিফ-সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২০, ২০:১০

ডা. সাবরিনা ও আরিফুল হক চৌধুরী (ছবি: সংগ্রহ) করোনাভাইরাস পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় এই চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

অভিযোগপত্রের অন্য আসামিরা হলো, আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে ইতোমধ্যে জবানবন্দি দিয়েছে।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবি তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আট জনের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণার প্রমাণ পেয়েছি। এজন্য আট জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেওয়া হচ্ছে।’

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিযোগপত্রে আরিফ ও সাবরিনাকে মূল হোতা উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে। তদন্তে জেকেজি হেলথ কেয়ারের কম্পিউটারে এক হাজার ৯৮৫টি ভুয়া রিপোর্ট এবং ৩৪টি ভুয়া সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন নিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা শুরু করেছিল জেকেজি হেলথ কেয়ার। কিন্তু করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রচুর চাহিদা থাকায় প্রতারণা শুরু করে জেকেজি সংশ্লিষ্টরা। অর্থ আদায়ের অনুমতি না থাকলেও অর্থের বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করতো তারা। সেসব নমুনা কোনও ল্যাবে না পাঠিয়ে নিজেরাই অনুমানের ওপর ভিত্তিতে পজিটিভ বা নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়ে দিতো। এছাড়া করোনাভাইরাসের নেগেটিভ সার্টিফিকেটের চাহিদা থাকায় অর্থের বিনিময়ে ভুয়া ল্যাব সার্টিফিকেট তৈরি করে দেওয়া হতো।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাবরিনা আরিফ চৌধুরী প্রথমে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করলেও জেকেজির জালিয়াতি শুরু করার বিষয়ে সবকিছু জানতেন। এমনকি জেকেজি হেলথ কেয়ার ছাড়ার আগ পর্যন্ত তিনি জালিয়াতির অর্থের ভাগও নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। এই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলার তদন্তে জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার নাম এলে গত ১২ জুলাই তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ । মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে তা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

/টিএইচ/এনএস/এমএমজে/
সম্পর্কিত
র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন ৭ অতিরিক্ত আইজিপিকে
র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন ৭ অতিরিক্ত আইজিপিকে
সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে সখ্য গড়ে প্রতারণা করতো তারা
সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে সখ্য গড়ে প্রতারণা করতো তারা
মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ
মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ
এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলা বাতিলে আবেদন খারিজ
এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলা বাতিলে আবেদন খারিজ

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন ৭ অতিরিক্ত আইজিপিকে
র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন ৭ অতিরিক্ত আইজিপিকে
সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে সখ্য গড়ে প্রতারণা করতো তারা
সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে সখ্য গড়ে প্রতারণা করতো তারা
মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ
মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ
এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলা বাতিলে আবেদন খারিজ
এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলা বাতিলে আবেদন খারিজ
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো
© 2022 Bangla Tribune