X
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২
২০ আষাঢ় ১৪২৯

শিক্ষাগুরুর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৬:০৫

নামডাকার খাতা আর পাঠ্যক্রমের বই হাতে শ্রেণিকক্ষে ঢুকলেন শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার্থীরা সবাই দাঁড়িয়ে পড়ল। চেয়ারে বসেই তাঁর প্রথম কথাটা ছিল এই রকম—আমাকে অত বিনয় দেখানোর কিছু নেই। তোমরা যে ক্লাসের শিক্ষার্থী—আমি শুধু সেই ক্লাস পাশ করেছি। তোমাদের সাথে আমার এই পার্থক্য। তাই আমি ক্লাসে ঢুকলে, রোলকলের সময় তোমাদের দাঁড়ানোর কোনো দরকার নেই।

১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ক্লাসেই ঢাকা কলেজ বাংলা বিভাগের প্রধান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কথাগুলো বললেন। তারপর রোলকল শুরু। তিনি কখনো রোল নম্বর কল করতেন না—নাম ধরে ডাকতেন। যারা ভালো শিক্ষার্থী—তাঁর চোখে ভালো শিক্ষার্থী মানে যারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকে—তাদের নামের আগে বিশেষণ থাকত ‘বাবা’ আর যারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকে না—তারা খারাপ শিক্ষার্থী, তাদের নামের শেষে গাধা, ইডিয়ট বিশেষণ থাকত।

ফাস্ট ইয়ারে আমাদের প্রথম ক্লাসটা ছিল ৮.৪০ মিনিটে। ওটা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যার নিতেন। সকালের ক্লাসটা নিতেন উপস্থিতিটা দেখার জন্য। তিনি প্রথম বর্ষে চর্যাপদ, দ্বিতীয় বর্ষে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান এবং তৃতীয় বর্ষে মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য মেঘনাদবধ পড়িয়েছেন। স্যার ক্লাসে ঢোকার পরপরই বিভাগের পিয়ন সোলেমান মামা স্যারের জন্য এক মগ লিকার চা (গরম পানিতে পাতি দেওয়া) একটা পিরিচে ঢেকে টেবিলে রেখে যেতেন। স্যার ক্লাস শেষ করে সেই চা প্রায় একচুমুকে পান করে মুখে এক-আধটা পাতি ঢুকলে সেটা ফেলে প্যান্টের পকেট থেকে তার প্রিয় পাইপটায় ছোট ছোট টানে আগুনটা ঠিকঠাক জ্বালিয়ে একটা মোক্ষম টানে পুরোটা শেষ করে পাইপটা পকেটে রেখে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যেতেন।

তখন আমরা দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। স্যার একবারে কথা প্রসঙ্গে জানতে চাইলেন আমরা কেউ লেখালিখি করি কি না? তাঁর চতুর্থ গল্পগ্রন্থ 'দোজখের ওম' প্রকাশিত হয়েছে তাও প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গেছে। আমাদের দিক থেকে হয়তো কেউ একজন বলেছে কে কে লেখালিখির চেষ্টা করে। পরক্ষণেই আমাদের আরেক শ্রেণিবন্ধু স্যারের লেখালিখির খবর জানতে চাইলে তিনি আর কোনো কথা না বাড়িয়ে শিশুসুলভ লজ্জা নিয়ে ক্লাস শেষ করে চলে গেলেন। তিনি এতটাই বিরলপ্রজ এবং আত্মপ্রচারবিমুখ ছিলেন যে—তাঁর জীবদ্দশায় তিনি একবারও টেলিভিশনে মুখ দেখাননি, কথা বলেননি বাংলাদেশ বেতারেও।

স্যার শেষ ক্লাসে নাম ডেকে পড়ানো শুরু করলেন। আগেই বলেছি তিনি বই আর হাজিরা খাতা হাতে নিয়েই ক্লাসে আসতেন। দুর্ভাগ্যবশত তখন আমাদের কারোরই মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান কেনা হয়নি। স্যার দেখলেন, ক্লাসে একজনের হাতেও বই নেই। তারপর তিনি স্বভাবসুলভ বলতে শুরু করলেন—বইয়ের মতো তুচ্ছ জিনিসে তোমরা টাকা খরচ করবে! টাকা খরচ করার মতো কত জায়গা আছে—তোমাদের ভালো ড্রেস পরতে হবে, বেবিট্যাক্সিতে চড়ে কলেজে আসতে হবে, সিগারেট খেতে হবে, সিনেমা দেখতে হবে! তাই নয় কি ব্যাপারটা?

'অতি বড়ো বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ
কোনো গুণ নাই তার কপালে আগুন।'
(পড়াচ্ছেন অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে শিবের স্তুতি। এটি কাকু বক্রোক্তি।)

আচ্ছা সিদ্ধি কি, তোমার কেউ বলতে পারো?

: স্যার, ভাঙ্
: বাবা জাহিদুল হক, তুমি গাঁজা-টাজা খাও নাকি?
: না, স্যার।
: তোমাদের মধ্যে কেউ কি নেশা-টেশা করো?

'সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর-চূড়ামণি
বীরবাহু, চলি যবে গেলা যমপুরে—'
(পড়াচ্ছেন মহাকাব্য মেঘনাদবধ থেকে।)

জাহিদুল হক, বলো তো যমপুরটা কোথায়?
: স্যার, রংপুরের পাশে!

: হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ। শোন, জাহিদুল হক কথা বলতে পছন্দ করে—হোক সেটা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রসাঙ্গিক। ওকে তোমরা কথা বলতে সুযোগ দিয়ো। কারণ যারা বেশি কথা বলে তারা কথা না বলতে পারলে দম ফেটে মারা যাবে। আমরা তো সেই নির্মম কাণ্ডটা করতে পারি না। তাই নয় কি ব্যাপারটা?

যমপুরটা হলো যমেরা যেখানে থাকে। ওদের থাকার জন্য তো একটা জায়গা দরকার! যত শহর হচ্ছে—ভূতদের জন্য আবাসস্থলও কমে যাচ্ছে! তাই নয় কি ব্যাপারটা? উল্লেখ্য জাহিদুল হকের অহেতুক কথার জন্য স্যারের ক্লাসে ওর জন্য পাঁচ মিনিট বরাদ্দ ছিল। 

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ক্লাস আছে কিন্তু তিনি ক্লাসে উপস্থিত নেই—এমন ঘটনা বিরল। ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৬ সালে তাঁর ডান পায়ের হাড়ে দুরারোগ্য ক্যান্সার ধরা পড়ে। কলকাতার একটা নার্সিংহোমে কবীর সুমন (সুমন চট্টোপাধ্যায়)-এর প্রথম সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে প্রকাশটা এমন—

"আমার ঘটনাবহুল, অভিজ্ঞতাবহুল জীবনে 'পুরুষ' ও 'মানুষ' যে অল্প কয়জনকে দেখেছি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁদের একজন।”
তাঁর লেখার সঙ্গে পরিচয় তাঁর 'চিলেকোঠার সেপাই' দিয়ে শুরু। রক্তমাংসের মানুষটির সঙ্গে আমার পরিচয় ডাক্তার স্থবির দাশগুপ্তের মাধ্যমে। স্থবির ছিলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিকিৎসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি নার্সিং হোমে স্থবির ক্যান্সার আক্রান্ত তাঁর এই রোগীকে বাঁচানোর জন্য তাঁর একটি পা কেটে বাদ দিতে বাধ্য হন। বাংলা ভাষার এক সেরা কাহিনিকার, গদ্যকার ও ভাবুকের সঙ্গে আমার আলাপ হয় অপারেশনের আগের দিন। ওইদিনই দেখা করতে চেয়েছিলেন তিনি আমার সঙ্গে।

নার্সিংহোমে পৌঁছে প্রথম পরিচয় হয়েছিল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে। রোগীর ঘরে রোগী ছিলেন না, ছিলেন তাঁর স্ত্রী। শান্ত, বিষণ্ণ কিন্তু এক টুকরো হাসি তাঁর চোখে। বললেন—'উনি বাইরে হাঁটাহাঁটি করছেন'। বাইরে বারান্দায় দেখি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। সেই প্রথম দেখছি। ভেতর থেকে উঠে আসা একরাশ আবেগের সঙ্গে লড়াই চলছে আমার। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখিনি, সতীনাথ ভাদুড়িকে দেখিনি, হেমিংওয়ে, স্টেইনবেক, কামু, মোপাসাঁ, টলস্টয়, মার্ক টোয়েন, বার্নার্ড, ম্যালামাড, ঠোমাস, মান, হেনরি মিলার, রেমন্ড কার্ভার, গার্সিয়া মার্কেস—আরও কতজনকে দেখিনি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে দেখছি। একটা আস্ত কৌম বাংলাকে দেখছি। একটু ভারী চেহারার মানুষটি হাঁটছেন—পায়জামা পাঞ্জাবি পরা।

জীবনে শেষবারের মতো নিজের দুই পায়ে হেঁটে নিচ্ছি, বুঝলেন সুমন।"

তাঁকে কলকাতায় নেয়ার পথে এক ভক্ত ছবি তুলতে এগিয়ে এলো। অনেকে সরিয়ে দিতে চাইলেও স্যার বললেন, ‘অ্যাই,, ভালো করে তোলো, দেখো দুটো পা-ই যেন ওঠে। নইলে কেউ তো বিশ্বাস করবে না যে আমার দুটো পা-ই ছিল।'

আবার দেশে ফেরার পথে বলছিলেন—কাস্টমস অফিসার যদি বলে বেটা গেলি দুইপা নিয়ে, আরেক পা কোথায় রেখে আসলি! 

স্যার তখন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি। হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গেছেন তাঁর বন্ধু প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। স্যারের অবস্থা দেখে কেঁদে দিয়েছিলেন তিনি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এইসব আবেগ পাত্তা দিতেন না। ধমকের সুরে বলে উঠলেন, ‘পা গেল আমার, তুমি কাঁদছ কেন?’ 

জীবনের সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতা নিয়ে তিনি ঠিক এমনভাবে রসিকতা করতেন। আর এই রসবোধ তাঁর দুনিয়া কাঁপানো দরাজ হাসিতে যেন প্রাণ পেত।

২০ মার্চ ১৯৯৬ সালে তাঁর ডান পায়ে অস্ত্রোপচার করে সম্পূর্ণ পা কেটে বাদ দেওয়া হয়। ২৭ এপ্রিল তিনি দেশে ফিরেছেন। আমাদের সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল সামনে। একদিন বিভাগে সোলেমান মামা জানালেন স্যার অনুরোধ করে বলেছেন তাঁর বাসায় (আজিমপুর কলোনি) গিয়ে ক্লাস করে আসার জন্য। ওই দিন আমার ২০/২২ জন গেলাম পড়তে। কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর চুল কমেছে বেশ। একা একা বাথরুমে পড়ে গিয়ে ডান হাত ভেঙেছে—হাতটা প্লাস্টার করা, গলায় ঝোলানো। চোখের নিচে আরো গাঢ় কালি জমেছে। কিন্তু সেই ঋজুতা, কণ্ঠস্বর, গমগম হাসি—এগুলো আগের মতোই আছে। স্যার হুইল চেয়ারে বসা। স্যারের সামনে, অত মানুষের সামনে আবেগপ্রবণ হওয়া খুবই দুরূহ বিষয়। স্যার কেমন আছেন?

: ভালো। জানো তো এই টাইপের বোন ক্যান্সার সাধারণত এই সাব-কন্টিনেন্টে দেখা যায় না। ক্যান্সারটা বলে পায়ে ছিলাম, ভালোই তো ছিলাম—পা'টা কাটলি ক্যান? এখন সে লান্সে এসে বাসা বেঁধেছে। এটা বেশ আদুরে, মোলায়েম। তোমরা এমন গল্প শুনেছ না, প্রেমিক তার প্রেমিকাকে চুমু দিয়ে একেবারে মেরেই ফেলেছে! এটা যদি আদর করে একবার চুমুটুমু দিয়ে দেয়...!

সেই দিন পড়া শেষে ভাবি অর্থাৎ সুরাইয়া ইলিয়াস তুতুল, স্যার তাঁকে তুতুল নামেই ডাকতেন—আমাদের জন্য পেয়াজু, মুড়ি—পেঁয়াজ, মরিচ তেল দিয়ে ভাজা আর চা খাইয়েছিলেন।

আরেকদিন আজিমপুর কলোনির বাসায় গেছি ক্লাস করতে। পড়ানো শেষে স্যার টাকা দিচ্ছেন—আমরা যেন বাইরে কিছু খেয়ে নেই। কারণ ওইদিন বাসায় ভাবি, পার্থ এবং গৃহকর্মী মিনি কেউ ছিল না। স্যার একবার দুইবার বলার পরও আমরা টাকা নিচ্ছি না বলে উনি একটা ধমক দিলেন—আমরাও ভদ্রছেলেদের মতো টাকা নিয়ে বেরিয়ে আসলাম। অপ্রাসঙ্গিকভাবে হলেও একটা কথা বলা দরকার—ভাবি কখনো স্যারের অনুপস্থিতিতে বলতেন না তোমাদের স্যার বাসায় নেই, বলতেন তোমাদের ভাই…।

বিভাগের ম্যাডামদের কেউ একজন আমাদের জানালো ডাক্তার একেবারেই নিষেধ করেছে স্যারকে কথা না বলার জন্য। অতএব স্যার সুস্থ হওয়ার আগে তোমরা আর বাসায় পড়তে যেয়ো না। তার তিন কী চারদিন পরের ঘটনা। আমি দোতলায় ওঠার প্রধান সিঁড়ি দিয়ে নিচতলার নামতেই দেখি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যারকে তাঁর ছোট ভাই খালিকুজ্জামান ইলিয়াসের গাড়ি থেকে ধরে নামাচ্ছেন। আমি তাঁকে দেখেই এক দৌড়ে বিভাগে গিয়ে স্যারের আসার কথা জানাতেই সোলেমান মামা দৌড়ে নিচে গেলেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। আর আমরা ক্লাসে অপেক্ষা করতে থাকলাম। স্যার ক্লাসে ঢুকেই বললেন—বাসায় গিয়ে পড়ে এসে আমাকে আর সহানুভূতি দেখাতে হবে না। এখন থেকে আমি এসেই ক্লাস নেব। সেটাই ছিল স্যারের সাথে আমাদের শেষ ক্লাস। তারপর তাঁর সমরজিৎ রায় চৌধুরী, তারাবিবি ও তার মরদ পোলা গুলজার, রঞ্জু, হাড্ডি খিজির, চেংটু, তমিজের বাপ, কুলসুম, কাতলাহার বিলের ফকির সবাই সীমার মাঝে আছে—তিনিই শুধু সীমার মাঝে অসীম।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস প্রত্যেক জন্মদিনে তাঁর প্রিয় লেখক মিগেল দে থের্ভান্তেস সার্ভেদা-এর 'দন কিহোতে' উপন্যাসটি পড়তেন। আমাদেরও উচিত নিজেদের জন্মদিন অর্থবহ করে রাখতে প্রিয় লেখকের লেখা পুনঃপুন পাঠ করা।

আখতারুজ্জামন ইলিয়াস স্যার প্রায়ই বলতেন, 'একজন মানুষ অন্ততপক্ষে তিনশ বছর বেঁচে থাকা উচিত'। যদিও তিনি ৫৪ বছরেই চলে গেছেন। তবে এই কথা হলফ করে বলা যায় বাংলা সাহিত্যের গল্প এবং উপন্যাস নিয়ে পঠন-পাঠন, কথাবার্তা, আলোচনা হলে নিশ্চয়ই সেখানে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস থাকবেন। আর তাঁকে যারা শিক্ষক হিসেবে, বন্ধু, ভাই, সহকর্মী হিসেবে পেয়েছেন তারা জানে ব্যক্তি এবং লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক ও অভিন্ন।

অবনত শ্রদ্ধা। শুভ জন্মদিন, স্যার।

/জেডএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
‘শিক্ষকদের জীবন বাঁচানোই এখন দায়’
‘শিক্ষকদের জীবন বাঁচানোই এখন দায়’
‘সিম আছে, তবে চালু হবে না’
‘সিম আছে, তবে চালু হবে না’
হ্যাকিংয়ের কবলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ইউটিউব ও টুইটার অ্যাকাউন্ট
হ্যাকিংয়ের কবলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ইউটিউব ও টুইটার অ্যাকাউন্ট
রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত
রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত
এ বিভাগের সর্বশেষ
বুভুক্ষাই জন্ম দিয়েছে ইরোটিকার
বুভুক্ষাই জন্ম দিয়েছে ইরোটিকার
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার মঙ্গলবার
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার মঙ্গলবার
কুসতুনতুনিয়ায় কয়েকদিন
পর্ব—চারকুসতুনতুনিয়ায় কয়েকদিন
মানববাদী মধুসূদনের নারীপ্রগতিভাবনা
মানববাদী মধুসূদনের নারীপ্রগতিভাবনা
কেন আজও প্রাসঙ্গিক
মাইকেল মধুসূদন দত্তকেন আজও প্রাসঙ্গিক