নৈঃশব্দ্যের বিরুদ্ধে

হামিম কামাল
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৯আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৯

পৃথিবীর সমস্ত দেশেরই প্রায়, স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে একাধিক ভাষ্যধারা, চিত্রধারা, দৃষ্টিকোণ, বর্ণনা-অনুক্রম ও বর্ণনান্তর আছে। দুটি মানুষ একই ঘটনা দেখে যদি পরমুহূর্তেও বর্ণনা করে, তাদের বক্তব্যের ভেতর থেকে আলাদা গল্প, দৃষ্টিকোণ, চরিত্রের রূপ, কার্যকারণ উঠে আসবেই। কারণ মানুষ যখন কোনো একটি ঘটনা তার মনে সংরক্ষণ করতে চায়, মনের করণকৌশল তার অতীতস্মৃতি, শিক্ষা, দীক্ষা, মনোভাব, বিচরণের সাহায্য নেয়। মানুষকে একই গ্রন্থ পড়ে শিক্ষা দুরকম হতে পারে, একই গুরুর অধীনে থেকে দুজন দীক্ষিতের বোঝাপড়া দুরকম হতে পারে। ওদিকে অতীত স্মৃতি আলাদা, সর্বোপরি। অতএব মানুষ যদি ইতিহাস বর্ণনা করে—দেখা ইতিহাস তার ব্যক্তিগত স্মৃতিনির্ভর হয়ে যায়। শোনা ইতিহাস অপর কারো প্রত্যক্ষ করা ইতিহাসের বিকল্প সংস্করণ হয়ে ওঠে। তাহলে এক ধরনের গড় ভাষ্যধারা কখন দাঁড়ায়? এটা দাঁড়ায় ইতিহাসের সরলীকরণের প্রয়োজনে। এবং ইতিহাসের সরলীকরণ এক ধরনের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে প্রাকৃতিক সব প্রক্রিয়া যেমন জীবনবান্ধব নয়, এও তেমনই। ইতিহাসের সরলীকরণ কখনো মানুষের মুখে মুখে, শ্রুত ইতিহাসের ধারায় স্নাত হতে হতে ক্ষয় পেতে পেতে ঘটে। কখনো আবার তাকে চেষ্টায় তৈরি করা হয়। চেষ্টাকৃত সরলীকরণ কখনো কোনো বাঁকা উদ্দেশ্য ছাড়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অনেক ভাষ্যধারাকে সরলীকরণের ডাকে বিপথে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এতে রাজনৈতিক দলগুলো সাময়িক সুবিধা পেলেও সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ। কেননা সাধারণ মানুষের পথপ্রদর্শকের নাম গল্প। মানুষের সত্য গল্প নষ্ট হয়েছে। মানুষের গল্প নষ্ট করে দিয়ে তাকে ঐতিহাসিকভাবে, ঐতিহ্যগতভাবে, মূল্যবোধের জায়গা থেকে, স্বপ্ন ও পরিকল্পনার জায়গায় থেকে নিঃস্ব করে দেওয়া যায়।

একটি যুদ্ধভিত্তিক, প্রায় আত্মজৈবনিক লেখা নিয়ে আজ আলোচনা করব। ইমদাদুল হক মিলনের ‘আমার যুদ্ধ’ লেখাটি আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রচলিত সর্বব্যাপী ভাষ্যধারার, চিত্রধারণার কিছুটা বাইরের রচনা বলে মনে হয়েছে এবং এই ভিন্নতা মানুষের স্বার্থে কাজে আসছে, বিপক্ষে নয়। ‘আমার যুদ্ধ’ মুক্তিযুদ্ধের যে ভাষ্যধারার সন্ধান দেয় সেখানে মানুষের গড়গল্প আরো বেশি বৈচিত্রমুখী। উপন্যাসের বক্তা ‘ধলার’ চোখে দেখা মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধ নয়। নিছক বলশালী ও দুর্বলের ভেতরকার অসম যুদ্ধ হিসেবেও বর্ণিত হয়নি। এখানে তাত্ত্বিকভাবে এসেছে ‘মানুষের যুদ্ধের’ কথা ও স্মৃতি, গল্প ও ঝোঁক, বাদ্য নিশান ও সংগীত। পক্ষপাত আছে, কিন্তু সৎ-অসৎ, পক্ষ-বিপক্ষ, সাদা-কালোর সরল দ্বিপাক্ষিকতা সেখানে নেই। বরং আছে মূল্যবোধের সংঘাত। আমি যার বিপক্ষে লড়ছি সেই শুধু এখানে মূল্যবোধের প্রশ্নে পিছিয়ে নেই। আমি যার হয়ে লড়ছি, তারও কিছু মানবিক স্খলন ঘটছে না এমন নয়। মানুষের যুদ্ধের এটাই প্রকৃত রূপ। এই রচনার ভাষার কাছে আমার কিছু দাবি আছে। কিন্তু গল্পের সততার কাছে কোনো দাবি নেই। আমাদের জ্যেষ্ঠ কথাসাহিত্যিকদের হাতে ভাষাসম্পদে এগিয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনেক লেখা সৃষ্ট হয়েছে, ভাষার দাবি আমার মিটেছে, দৃঢ় শব্দবন্ধ, মাত্রাসিদ্ধ বাক্য এবং সমৃদ্ধ দৃশ্যক্ষেত্র আমরা পেয়েছি। তবে যুদ্ধের আণবিক স্তরে মূল্যবোধশূন্যতার যে মহাবিবর্তনীয় লড়াই, তার আভাস আমরা খুব কমই পেয়েছি। তাই আমাদের গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে নানান কোণ থেকে অতীতকে দেখার ও এই উপমহাদেশের মানুষকে বোঝার শক্তি আমরা পেয়েও হারিয়েছি বারবার। এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্রমশ শক্তিহীন হয়েছে। এবং সাধারণ মানুষের এই শক্তিহীনতার সুযোগে প্রতিটি কালপর্বে নব্য ক্ষমতাসীন এসে ইতিহাস বদলে দিতে চেয়েছে, খানিক পারেনি। পরের প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছে, অনেকটা পেরেছে। ফলে স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসকে জনযুদ্ধ, গণমানুষের ইতিহাস হিসেবে চিহ্নিত করতে না পারার যা যা ক্ষতি তার সবই আমরা বহন করেছি। আমরা সরল দ্বিপাক্ষিকতা সৃষ্টি করেছি। এমন অবস্থান যুদ্ধ চলাকালেও কাজে আসে না, আর যুদ্ধ শেষ হলেও তো নয়ই। তেমন রাজনৈতিক দলগুলোরই এটা সাময়িক কাজে এসেছে যে দলগুলো কেবল মুক্তিযুদ্ধই নয়, উপমহাদেশের ইতিহাসকে দলীয় স্বার্থে কখনো হাতিয়ার, কখনো বর্ম বানাতে চেয়েছে। পৃথিবীর সমস্ত স্বাধীন দেশের ইতিহাসে এমন একাধিক রাজনৈতিক দল ও তাদের সৃষ্ট স্বতন্ত্র ভাষ্যধারার সন্ধান পাওয়া যাবে।

ইমদাদুল হক মিলন তাঁর প্রায় সকল রচনায় বৃহত্তর মানুষের বোঝাপড়ার গণ্ডির ভেতর থাকতে চেয়েছেন। তাঁর চাওয়া সফল হয়েছে। কিন্তু তৃপ্ত করেনি তাঁকে, বা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের। সৃষ্টিশীলতার অতৃপ্তি নয়। তাঁর লেখা চলমান, এর অর্থ সৃষ্টিশীলতার অতৃপ্তি তাঁর আছে। বলছি চেষ্টার স্বীকৃতি নিয়ে তাঁর অতৃপ্তির কথা। তিনি ব্যাখ্যার জন্য দাঁড়িয়েছেন কম। গল্পে ঢেউ উঠেছে বড়ো। গল্পপ্রিয় মানুষ দোল পেয়েছে। তাঁকে ভালো না বেসে পারেনি। তিনি শব্দ সৃষ্টিতে দাঁড়িয়েছেন অল্পক্ষণ। ভাব সৃষ্টি করেছেন অফুরন্ত। দেশের ভাবপ্রিয় মানুষ তাঁকে ভালোবেসে দায় শোধ করেছে। গড়-মানুষ কিন্তু বেশি শব্দ ব্যবহার করে না। এতে করে তাদের ভাবের জগৎ ক্রমে সংকুচিত হয়ে যেতে থাকে। মিলন সেই ভাবের সংকোচন থেকে মানুষকে রক্ষা করতে চেয়েছেন, মানুষ তখন পর্যন্ত তাঁর কাছে ঋণী থাকতে থেকেছে। কিন্তু যখনই সীমায়িত শব্দের ক্ষতি যখনই ঘুরপথে এসে তাঁকে আঘাত করল, সীমায়িত ব্যাখ্যার বাণ যখনই ছুটে এসে তাঁকে আহত করল, পাঠক তাঁর ঢাল হলো না। বৃহত্তর গড় মানুষের মানসিকতার ভেতর এটা জলসুলভ বৈশিষ্ট্য আছে। জল মহাদ্রাবক, সে সবকিছুকেই গ্রহণ করে। অমৃত ও বিষ তার কাছে সমান, তাই একইসঙ্গে সে জন্ম ও মৃত্যুর ধারক। মানুষের যে অন্ধ আদিম বিবর্তনীয় চালিকা বিজয়ীর পূজা করে আর আর্তকে পরিত্যাগ করে তা সেই দ্রবণধর্মের সেই হলো কালো দিক, মরণের দিক।  

গড় মানুষের ধারণক্ষমতা যা, মিলনের দেবার ক্ষমতা তার ঊর্ধ্বে ছিল। ‘আমার যুদ্ধ’ সততার শক্তিতে অমিত শক্তিধর এক লেখকের ক্ষমতা কথা ব্যক্ত করে। একইসঙ্গে সাধ্যের ঘোড়ার মুখে লাগাম পরিয়ে রাশ টেনে রাখা লেখকের ব্যথাও ব্যক্ত করে। ব্যাখ্যায় নদীপথ যদি বাঁধাই করা থাকত, তাহলে গল্প গল্পের সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাওয়ার পরও সেই সমুদ্র কীভাবে সঞ্জীবিত থেকেছে, নদীর গতিরেখায় তার স্মারক-চিহ্ন থেকে যেত। কথাসাহিত্যে ব্যাখ্যা মানে চরিত্রের পর্যাপ্ত অতীত সৃষ্টি করা। কার্যকারণের বর্ণনা নয়। ঐতিহাসিকের সঙ্গে এখানেই কথাসাহিত্যিকের পার্থক্য। ভাব সৃষ্টি হয়ে প্রবেশ করার জন্য যখন শব্দের দেহ খুঁজেছে, নতুন তা না পেয়ে, যে মহাশক্তি থেকে এসেছিল তাতেই ফিরে গিয়ে বিলীন হলো। কথাসাহিত্যে শব্দ সৃষ্টি করা মানে নতুন অক্ষরজোট বা বর্ণজট সৃষ্টি করা নয়। বরং শব্দসঙ্গম, শব্দগীত সৃষ্টি করা। এখানেই কর্মকারের সঙ্গে শিল্পীর পার্থক্য। ব্যর্থ রেনেসাঁর, ঔপনিবেশিকতার, গোড়ায় গলদে অবিকশিত অর্থনীতির এই অবাক পুণ্যভূমি শিল্পীকে গানের পর গান গাইতে বাধ্য করে, কিন্তু কণ্ঠে রক্ত উঠে গেলে সে বুকে টেনে নেয় না। আরো বহুকাল দেবে না। এই মাটিতে মুক্তিযুদ্ধের মতো উপযুক্ত বিপ্লব, ঊনসত্তরের মতো অভ্যুত্থান আরো বহু-বহুকাল আসবে না। উনিশ শতকের মতো রেনেসাঁ-কুঁড়ির উন্মেষ আরো বহুকাল ঘটবে না। সেই না-আসার ও না-ঘটার অবকাশে শিল্পী যদি শুশ্রূষাহীন পাতালের অন্ধহারে হারায়, সেই যে গড় মানুষের গণ্ডির ভেতর থাকার সংগ্রাম ছিল লেখকের, সেই গড় মানুষের তাতে কিচ্ছু আসবে যাবে না। কীভাবে আসবে যাবে? তারা নিজেরাও তখন দুর্বল, এবং দুর্বলের বিখ্যাত হিংস্রতায় মণ্ডিত অর্থনীতিতে টিকে থাকার যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ। এরিক ইয়েনসেনের ‘ভাইমারা’ তত্ত্ব এর ব্যাখ্যা করেছে। এই দেশ তাই আধুনিক যুগের পোশাকের নিচে আদিম জরাগ্রস্ত শরীর নিয়ে ধুঁকছে, ধুঁকবে আরো বহুদিন। এবং প্রত্যেকে সাধারণ মানুষ এখানে ট্র্যাজেডির পথে ধাবমান।

এই ট্র্যাজেডি অনেক ঘটেছে। এবার তাকে থামাতে হবে। সাধারণের পায়ের নিচে মাটি দিতে হবে। ওর মাটি নেই। ও নিজের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে না। শিল্পীর পক্ষে কী দাঁড়াবে। নিজের সাধ্যের রাশ টেনে রাখা এক ট্র্যাজিক নায়কের কাছে আমি নূরজাহানের মতো ‘মাটি’র অনুরোধ করছি। এবং মাটি সৃষ্টির সংগ্রাম নূরজাহানদের মৃত্যুকে ঠেকিয়ে দেবে। কেউ বলে সাহিত্য অক্ষম। বলে যুদ্ধ ও শান্তি লিখে ভবিষ্যতের যুদ্ধ থামানো যায়নি। কিন্তু মানুষ কি ভুলে গেছে সাহিত্যের প্রাক-বিকাশপর্বের রাষ্ট্র-সম্পর্কের ইতিহাস? মানবসমষ্টির গড় স্মৃতি প্রাকৃতিকভাবে সঁপে দেওয়া আছে বিস্মৃতির কাছে। বেঁচে থাকার শর্তই এই, কারণ বিস্মৃতি এক ধরনের আশ্রয়। তবে প্রকৃতি সাবধান। এই বিস্মৃতি যেন জগৎ বিরান করে না তোলে তাই প্রকৃতি শিল্পী সৃষ্টি করেছে। শিল্পী বারংবার সব মনে করিয়ে দেয়। ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ লিখে তলস্তয় যেসব যুদ্ধ ঠেকাতে পারেননি সেসবের কথা আমার জানি। কিন্তু শত সহস্র যুদ্ধ অলক্ষ্যে ঠেকিয়ে দিয়েছেন সেসবের কথা অনুচ্চারিত থেকেছে। মহাকাল হয়ত কখনো সেই সংখ্যাটিও জানাবেন।

আবারও ‘আমার যুদ্ধের’ কাছে ফিরছি। মুক্তিযুদ্ধের এই সৎ আখ্যানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আমার লক্ষ্য হলেও, উপলক্ষ্য, অগ্রজ ইমদাদুল হক মিলনের জন্মদিন। শুভ জন্মদিন তাঁকে। ‘আমার যুদ্ধে’ কটি বাক্য আছে এমন—“সারারাত আমাদের চারপাশে কোথাও শব্দ ছিল না। ছিল মাটির তলার নৈঃশব্দ্য।”

মা আর ছেলে তাদের বাড়ির পেছনে তৈরি ট্রেঞ্চে লুকিয়ে আছে। সেখানে কবরের অন্ধকার, স্তব্ধতা।

“...সেই প্রথম আমি আবিষ্কার করেছিলাম নৈঃশব্দ্যের ভেতরেও থাকে একরকম শব্দ। সেই শব্দ জীবনের শব্দ না। সেই শব্দ মৃত্যুর শব্দ।”

নৈঃশব্দ্যের সেই শব্দের বিরুদ্ধে লড়াইরত শব্দশিল্পী মিলন। তাঁকে অভিবাদন এবং তাঁর প্রতি অনুজহৃদয়ের সবটুকু শুভকামনা। প্রথম কৈশোরে তাঁর রমাকান্তকামার ও নাফ নদীর ধারের সেই সর্বদর্শী উভচর ভূত গাছ আমার কল্পনাকে তৃপ্ত করেছিল, আমাকে বিশুদ্ধ আনন্দ দিয়েছিল। বহুকাল পরে যখন পার্লিয়াকে নিয়ে নাফ নদীর পাড়ে হাঁটছিলাম, কল্পনার সেই অবাক বৃক্ষটিকে খুঁজছিলাম বারবার। তার কাছে জমা কৈশোরের আবেগ বারবার আমার চিন্তাকে আচ্ছন্ন করে দিচ্ছিল। এই আচ্ছন্নতার ঋণ আমাকে সুখী করেছে।

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ইউক্রেন-রাশিয়া পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ৪, শান্তি আলোচনা কি ভেস্তে গেলো?
ইউক্রেন-রাশিয়া পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ৪, শান্তি আলোচনা কি ভেস্তে গেলো?
ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের মারুফা
ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের মারুফা
৩ ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার, কক্ষে যৌন উত্তেজক ওষুধ
৩ ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার, কক্ষে যৌন উত্তেজক ওষুধ
নৈঃশব্দ্যের বিরুদ্ধে
নৈঃশব্দ্যের বিরুদ্ধে
সর্বাধিক পঠিত
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
দুধে ডিটারজেন্ট আছে কি না সহজে জানবেন যেভাবে
দুধে ডিটারজেন্ট আছে কি না সহজে জানবেন যেভাবে
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
কাঁচপুর-ইলিশা সরাসরি ফেরি উদ্বোধন আজ
কাঁচপুর-ইলিশা সরাসরি ফেরি উদ্বোধন আজ