শান্তিতে নোবেলজয়ী নাদিয়া মুরাদের আত্মজীবনীদ্য লাস্ট গার্ল ।। পর্ব-০৪

Send
অনুবাদ : সালমা বাণী
প্রকাশিত : ১৫:১৩, অক্টোবর ২৭, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩৩, অক্টোবর ২৭, ২০১৮

আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকে পরিমাপ করি এভাবে— আমাদের স্কুল শেষ করা; প্রতিদিনের জীবনযাত্রাকে ফ্রেমবন্দী করা, যা আমাদের মেরুদন্ড বহন করতে পারবে; প্রাপ্ত বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া—এভাবেই নিজেদের সান্ত্বনা দেয়া কঠিন ছিল না যে, শুরুতেই আমাদের স্বপ্নগুলো অস্পৃশ্য ছিল। কখনো কখনো খাপ খাইয়ে নেয়ার ব্যাপার খুব মন্থরভাবে ঘটেছে—কারো উপলব্ধির অজান্তে। আমরা স্কুলে মুসলমান সহপাঠীদের সাথে আলাপচারিতায় জড়াতাম না, এবং গ্রামে কোন আগন্তকের আগমন সম্পর্কে ভীতগ্রস্ত হয়ে থাকতাম। আমরা সর্বদাই টেলিভিশনে  বিভিন্ন আক্রমণের খবরের ওপর দৃষ্টি রাখতাম এবং ক্রমশ রাজনীতি সম্পর্কে ভীত হওয়া শুরু করি। আমরা মূলত রাজনীতি বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব হয়ে যাই, কারণ আমরা মনে করি সম্পূর্ণ নীরব থাকাটাই আমাদের জন্য নিরাপদ। প্রতিটি আক্রমনের পরই পুরুষরা আরো কঠিন ভাবে কোচোর বাইরে ব্যারিকেড-বুহ্য নিমার্ণ করে, এটা তারা শুরু করে সিরিয়া বরাবর পশ্চিম প্রান্ত থেকে। এবং এভাবেই ঘুম ভেঙ্গে এক সকালে আমরা দেখি আমাদের চারপাশ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা। তদুপরি আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে দেখে আমাদের পুরুষেরা গ্রামের ভেতরে দিয়ে গ্রামের চারিপাশে খানা-খন্দ খনন করে ঘিরে দেয়।

প্রজন্মান্তরে বেদনা সইতে সইতে আমাদের বেদনা ধারন করার ক্ষমতা এতই বেড়ে যায় যে আমরা ছোট খাটো অন্যায় অবিচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে নীরব থাকতে শিখে যাই অথবা প্রতিবাদ করতে ভুলে যাই। জানিনা আর কারো আমার মতো এমন উপলব্ধি হয়েছে কি না—খাদ্য সরবরাহ বন্ধকে ভয়ানক অন্যায় বলে আমি মনে হতে থাকে। শুধু তাই নয়, কৃষকদের ওপর যে কোন ধরনের নিপীড়ন ইয়াজিদিরা স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করে নিতো। কিন্তু এটা আমাকে ভয়ানক কষ্ট দিতো।

এরপর, আমি আমার ভাইদের সাথে পিয়াজের ক্ষেতে কাজ করার জন্য যখন ফিরে এলাম, দিসহান তখনও বন্দী আর পরিস্থিতি একটু বদলায়নি। যখন আমরা ক্ষেতে ফিরে এলাম সাধারণত তার এক মাস পূর্বেই মাঠে ফসলের বপন শুরু হয়ে যেত। আমরা যদি বপনের জন্য মাঠে ফিরে না আসি তাহলে কেউ আসবে না। আমরা যদি বিক্রয়ের জন্য বাজারে না নিয়ে যাই তাহলে কেউ বিক্রয়ের জন্য বাজারে নেবে না, আর তাহলে আমাদের কোন অর্থায়ন ঘটবে না। সুতরাং আমরা সবাই ঘন সবুজ শীষের সামনে নতজানু হলাম আর আগে যেখানে সযত্নে একটা একটা করে পুষ্ট পিয়াজ তুলতাম, সেখানে এখন আমরা শুরু করলাম একসাথে অনেগুলো কচি পিয়াজের বাল্ব উপড়ানো, আর সেগুলো একটা বড় প্লাসটিকের ব্যাগ ভরে বেঁধে রাখলাম দ্রুত পাকার জন্য। আমরা বাজারে নেওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম। কিন্তু এইসব পন্যাদি এ বছর মুসলিম বাজারে  বিক্রয়ের জন্য আমরা নেবো, কি নেবো না, কয়েকদিন ধরে সেই দ্বিধায় পড়লাম। আমরা কোন রকম সিদ্ধান্তে আসতে পারছিলাম না।

এরমধ্যে একদিন যখন আমাদের ভেতর থেকে একজন কালো বিবর্ণ, পচন ধরা বিষাক্ত দূর্গন্ধযুক্ত পচা পিয়াজ প্লাসটিকের ব্যাগ থেকে টেনে বের করলো তখন শোকে বেদনায় আমাদের নাক মুখদিয়ে আর্তনাদ ও গোঙানি বের হতে শুরু করলো। এবং সেই গোঙ্গানি থেমে থাকেনি, বরং ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

আমরা সাধারণত যা করতাম—একে অন্যকে ব্যঙ্গ ও সমালোচনা আর একই পুরানো গল্প কাহিনী বলা, যা আমরা সবাই ইতোপূর্বে অন্তত মিলিয়ন বার শুনেছি। পেয়াজ ক্ষেতে খুব মজা করে  আমার বোন আদকি, গাড়ীর পেছনে দৌড়ানো আমার সেই দৃশ্যের বর্ণনা দিতো—একখানা হাড় জিরজিরে মেয়ে একখানা সরু লাঠি হাতে গাড়ির পেছনে পেছনে দৌড়াচ্ছে আর তার গলার স্কার্ফ উড়ে উড়ে চোখ মুখ ঢেকে দিচ্ছে, তারপরও সে দৌড়াচ্ছে, সবাই তার এই কথায় হাসির বন্যায় যেন ডুবে যেত। পিয়াজ ক্ষেতে সবাই কে কত বেশি পেয়াজ তুলতে পারে আমরা সেই প্রতিযোগীতায় নামতাম। ঠিক যেমন করে তার এক মাস পূর্বে পিয়াজ বোনার সময় প্রতিযোগীতা করতাম, কে বেশি পিয়াজ বীজ  বুনতে পারে। যখন সূর্য অস্ত যেত আমরা সব ভাইবোন উঠানে এসে বসতাম মায়ের দেয়া রাতের খাবারের জন্য। তারপর আমরা সবাই মিলে ছাদে আসতাম।   ম্যাট্রেসের ওপরে একজনের ঘাড়ের সাথে আরেকজনের ঘাড় গুজে গাদাগাদি করে শুয়ে পড়তাম। আর চাঁদের দিকে চিৎ হয়ে শুয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত কানাঘুষা করতাম যতক্ষণ ক্লান্তি আমাদের পুরো পরিবারকে ঘুমের ঘোরে টেনে না নিয়ে যেত।

কেন অপহরণকারীরা আমাদের দুটো ভেড়া, মুরগি, মুরগির বাচ্চা, সব কেড়ে নিয়ে গেল তার উত্তর খুঁজে পাইনি। দুই সপ্তাহ পরে যখন আইসিস কোচো এবং সিনজার শহরের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নিলো তখন আমরা এর উত্তর পেলাম। সৈন্যদের একজন যে কোচোর সমস্ত অধিবাসীদের গ্রামের সেকেন্ডারি স্কুল প্রদক্ষিণ করাতো, সে কাঁধে রাইফেল নাচিয়ে গ্রামের একদিন নারীদের সামনে সদম্ভে বলে— ‘তোমরা বলতে আমাদের কোন অস্তিত্ব নাই, আমরা নাম-পরিচয়হীন, তাই পূর্বে আমরা তোমাদেরকে আমাদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিলাম, আমরা যখন তোমাদের ভেড়া, মুরগি এবং মুরগির বাচ্চা কেড়ে নিয়েছিলাম তখন আমরা জানান দিয়েছিলাম— আমরা আসছি তোমাদের নারী ও শিশুদের ছিনতাই করতে। আমরা যখন তোমাদের রামভেড়া ছিনতাই করেছি তার অর্থ ছিল আমরা তোমাদে ট্রাইবাল নেতাকে অপহরণ করেছি, আর যখন তোমাদের রামভেড়াকে হত্যা করেছি তার অর্থ ছিল আমরা তোমাদের জাতির নেতাকে হত্যা করেছি, আর নবীন ভেড়া ছিনতাইয়ের অর্থ ছিল কিশোরি মেয়ে কেড়ে নেয়া।

দ্বিতীয় অধ্যায়

আমার মা অবশ্যই আমাকে ভালবাসতেন, কিন্তু আমার তিনি চাননি আমি জন্মগ্রহণ করি। গর্ভবতী হওয়ার একমাস পূর্ব পর্যন্ত আমার মা জন্মনিয়ন্ত্রণ এর জন্য নানাভাবে দিনার বাঁচাতেন, অথবা নিজের যাত্রাপথ পরিবর্তন করে কয়েক পাউন্ড টমেটো বিক্রয় করে জন্মনিয়নন্ত্রণের ঔষধপত্রাদি খরিদের জন্য বাজারে গিয়ে পৌঁছাতেন, কিন্তু আমার পিতাকে এ ব্যাপারে বলার মতো সাহস তার ছিল না। ইয়াজিদিরা কখনো তাদের ধর্মের বাইরে অন্য ধর্মের মানুষের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করতো না এবং জন্মসূত্র ছাড়া ইয়াজিদিয়ান হওয়া যেতে না এবং বিলুপ্তি থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য বড় পরিবার পদ্ধতিই ছিল অন্যতম উপায়। এছাড়া অধিক সন্তান অর্থাৎ কৃষি ক্ষেত্রে অধিক কর্মীর যোগান, এটাও তারা বিশ্বাস করতো। হাতের অর্থ সম্পূর্ণ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই আমার মা তিন মাসের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি একসাথে কিনে রাখতেন। কিন্তু এবার বড়ি কেনার সুযোগ আসার আগেই আমি তার এগার এবং শেষ সন্তান হিসেবে গর্ভে চলে আসি।

আমার মা ছিলেন আমার বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী। বাবার প্রথম স্ত্রী চার সন্তান রেখে যুবতী বয়সেই মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং বাবার একটি নারীর প্রয়োজন ছিল যে তার চারটি মা-মরা শিশুকে বড় করার দায়িত্ব পালন করবে। আমার মা ছিলেন কোচের ধর্মপরায়ণ অতিরিক্ত দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করা অপরূপ সুন্দরী একজন নারী। এবং আমার মায়ের পিতা আনন্দের সাথে তার কন্যাকে আমার পিতার সাথে বিয়ে দেয়। কারণ কোচোতে আমার পিতার অনেক জমিজমা এবং কৃষি পশুর ছিল, এক অর্থে তাকে ধনী বলে গণ্য করা যেতো। যখন আমার মায়ের বয়স কুড়িও ছোঁয়নি, রান্নাবান্না ঘর গেহস্থালির কাজ কর্ম শেখার পূর্বেই তাকে আমার বাবার স্ত্রী এবং চারটা শিশুর সৎ মা হতে হয়। শুধু তাই নয়, বছর না ঘুরতেই তাকে গর্ভবতীও হতে হয়। সে কোনদিন স্কুলের সীমানায় পদার্পণ করেনি এবং কী করে পড়তে হয় অথবা লিখতে হয় তার কিছুই সে জানতো না। অগণিত ইয়াজিদি যাদের মাতৃভাষা ইয়াজিদি, তাদের মতো আমার মা শুধুমাত্র ইয়াজিদি ভাষা ছাড়া আরবীতেও কথা বলতে জানতো না, ফলে বিবাহ-অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য অথবা পণ্য ফেরি করার জন্য আরবীয় গ্রামবাসীদের যখন কোচোতে আগমণ ঘটতে তাদের সাথে আমার মা কোন প্রকার ভাব বিনিময় করতে সক্ষম হতেন না। শুধু তাই নয়, এমন কী আমাদের ধর্মীয় গল্প কাহিনী পর্যন্ত তার কাছে ছিল রহস্যাবৃত। কিন্তু যে কোন কৃষি বিষয়ক বিষয় ব্যাপার সম্পন্ন করার ব্যাপারে তিনি ছিলেন কঠিন পরিশ্রমী এবং দক্ষ পারদর্শী। তার ছিলো এগার সন্তান জন্মদানের প্রসব বেদনা সহ্য করার যথেষ্ট ক্ষমতা। শুধুমাত্র আমার জমজ ভাই সৌদ এবং মাসউদ দুজনকে বাড়িতে জন্মদানের সময় তার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। একজন গর্ভবতী ইয়াজিদি সাধারণত নারী সন্তান জন্মদানের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত জ্বালানি কাঠ বহন করে, কৃষি ক্ষেতে চাষাবাদ এবং ট্রাক্টর চালানোর মতো ভারী কাজ করে এবং সন্তান জন্মদানের পরও কোলে পিঠে নবজাতক শিশুকে বহন করে ক্ষেত-খামারে কাজ করে।

ঐতিহ্যবাহী ইয়াজিদি পুরুষ হিসেবে আমার বাবার ব্যাপক পরিচিতি ছিল কোচোতে। সবসময় তার চুলে লম্বা বেণী বাঁধা থাকতো এবং মাথা আবৃত থাকতো সাদা কাপড়ে। যখন পরিব্রাজক ধর্মীয় গুরু কোয়ায়ালরা বাঁশি ও ঢোল বাজিয়ে এবং ধর্ম সঙ্গীত গাইতে গাইতে কোচো পরিভ্রমণ করতো তখন তাদের যে সব পুরষেরা আভ্যর্থনা জানাতেন, আমার বাবাও ছিলেন তাদের একজন। এবং আমার বাবা ছিল জীভাত অর্থাৎ সভা গৃহ, যেখানে গ্রামের পুরুষগণ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বিষয়াদি মুখতারের সাথে আলোচনার জন্য জমায়েত হতো সেখানকার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন।

অন্যায় অনাচার আমার বাবাকে শারীরিক আঘাতের চাইতেও বেশি আহত করতো এবং তার অহংকার তাকে শক্তি যোগাতো। গ্রামবাসী যারা আমার বাবার ঘনিষ্ট ছিলেন তারা আমার বাবার বীরত্বের গল্প শুনিয়ে আনন্দ এবং পরিতৃপ্তি লাভ করতেন। যেমন, প্রতিবেশি সমাজের লোকেরা যখন আমাদের মুখতার আহমেদ জাসোকে হত্যার জন্য বদ্ধ পরিকর ছিল তখন পিস্তল চালিয়ে  তাদের হাত থেকে আহমেদ জাসোকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার অথবা সুন্নী আরবীয় নেতাদের নিকট থেকে মূল্যবান আরবীয় ঘোড়া এবং সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে আসা কোচোর দরিদ্র কৃষক  খালাফকে রক্ষার জন্য একা ঘোড়া ছুটিয়ে মাঠের ভেতর ছুটে যাওয়া এবং তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার গল্প। ‘তোমাদের বাবা সব সময়  সত্য ও ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করেছে’—মৃত্যুর পর বাবার বন্ধুরা আমাদের এসব কথাই শুনাতো। একবার তিনি ইরাকি সেনাবাহিনী থেকে পলাতক এক কুর্দি বিদ্রোহীকে বাড়িতে রাত্রি যাপন করতে দিয়েছিলেন এবং সেই বিদ্রোহীকে অনুসরণ করে পুলিশ আমাদের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। তবু বাবা তাতে ভীত হননি। এরপর বিদ্রোহীর আত্মগোপনের কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় যখন পুলিশ আমার বাবা এবং বিদ্রোহী দুজনকেই গ্রেফতার করতে উদ্যত হয় তখন বাবা তার স্বভাবগত বিচক্ষণতার সাথে ব্যাপারটি মোকাবেলা করে—‘আমি ওকে রাজনৈতিক কারণে আশ্রয় দান করিনি, আমি আশ্রয় দান করেছি কারণ আমি একজন সাধারণ মানুষ এবং সে একজন সাধারণ মানুষ’। এই কথা বলার পর, পুলিশ আমার পিতাকে গ্রেফতার থেকে বিরত হয়। সেদিন থেকেই সেই বিদ্রোহী বন্ধু বনে যায় মাসউদ বারজানির। বহু বছর অতীত হয়ে গেছে, আজও বাবার বন্ধুরা এভাবেই বাবাকে স্মরণ করে।

আমার বাবা উৎপীড়ক ছিলেন না, কিন্তু যদি প্রয়োজন দেখা দিত তাহলে তিনি যুদ্ধ করতেন। খামারে দূর্ঘটনায় আমার বাবা একটি চোখ হারিয়ে ফেলেন এবং সেই দূর্ঘনায় তার চোখের কোটরে একটা গর্তের সৃষ্টি হয় এবং দুধের মতো একটি সাদা বল দেখতে অনেকটা মার্বেলের মতো আটকে থাকে চোখের কোটরে,  আমি যখন শিশু ছিলাম প্রায়ই সেটা নিয়ে আমাকে খেলা করতে দিতেন, যা কিনা বাবার জন্য ভয়ংকর ক্ষতির কারণ হতে পারতো, তার চেহারা আরো ভয়ংকর দেখাতে পারতো।

যখন আইসিসরা কোচোতে আগমন করে তখন থেকেই আমি ভাবতে থাকি যদি আমার বাবা জীবিত থাকতেন তাহলে সন্ত্রাসীদের দমন করার জন্য সমরাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নেতৃত্ব দিতেন। (চলবে)

আরো পড়তে ক্লিক করুন: দ্য লাস্ট গার্ল ।। পর্ব-০৩

//জেডএস//

লাইভ

টপ