সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০৬

Send
মুহম্মদ মুহসিন
প্রকাশিত : ০৯:০০, আগস্ট ১৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৭, আগস্ট ১৫, ২০২০

পূর্ব প্রকাশের পর

প্রদর্শনীর শুরুতে লি নামে এক বক্তি আর তার কয়েক বন্ধু (যারা সিঙ্গাপুরের চার জাতিগোষ্ঠির প্রতিনিধি: চায়নিজ, মালে, তামিল ও ইউরেশিয়ান) ঝোপঝাড়ের মধ্য দিয়ে সাগরপাড়ে বের হয় এবং দেখে দর্শক সারিতে অনেক মানুষ বসে আছে। তারা দর্শকদেরকে হাত নাড়িয়ে মোবারকবাদ জানায়। লি’র এক তামিল বান্ধবী তাকে জিগ্যেস করে উপস্থিত দর্শকদেরকে তারা কীভাবে আনন্দ দিতে পারে। আনন্দ দেয়ার জন্য তারা সিঙ্গাপুরের চার জাতিগোষ্ঠির চার ভাষা অর্থাৎ মালে, ম্যান্ডারিন, তামিল ও ইংরেজিতে চারটি গান গায়। গানের সাথে ফোয়ারা থেকে চমৎকার ওয়াটার ডান্স পরিবেশিত হয়। এরপর লি গায় তার ম্যাজিকাল গান। সে গানে লেজার টেকনিকে কেলঙের উপর ভেসে ওঠে ঘুমন্ত এমি দেবীর চেহারা এবং পরক্ষণেই মিলিয়ে যায়। দেবীর চেহারা দেখে তারা হকচকিয়ে যায়। এই সময় লেজার টেকনিকে টাইগারফিশ ও অন্যান্য রূপে অসকার ও তার বন্ধুরা উপস্থিত হয়। এরপর লি বের হয় এমি দেবীর খোঁজে আর অসকার তাকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করে। পথে লি’র সাথে আগুনের দেবতা, আলোর দেবতা ও সমুদ্রদেবীর দেখা হয়। গান গেয়ে তিনজনকেই সে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে। এরপর দেবতাদের সাহায্যে এবং সকলের সম্মিলিত গানে এমি দেবীর ঘুম ভাঙ্গে এবং তাকে আবার দেখা যায় কেলঙের উপরে। এমি দেবীর আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে শো শেষ হয়।              

এই শো শেষ মানে সেন্তোশায় আমাদের এবং আমাদের মতো অনেকের দিনের কাজ শেষ। সোজা রওয়ানা বাসার দিকে। কেবল-কারে এবার মাউন্ট ফেবারে না নেমে নামলাম হারবার ফ্রন্ট। তারপর হারবার ফ্রন্ট এমআরটির উল্টো দিক থেকে ট্যাক্সি নিয়ে সোজা বাসায়। বাসায় এসে দেখি বন্ধু ইউনুস এই বাসায় আমার সাথে গল্প করার জন্য উপস্থিত। গল্পের সাথে জানা গেলো আগামি দিনগুলোর পূর্ণ পরিকল্পনা। সে হিসেবে পরের দিনের পরিকল্পনা ছিল ম্যারিনা বে। তৌফিকার প্রযোজনায় এবং ইউনুসের বাঙালি হাউজমেইড রাশিদার রান্নায় পেল্লাই আয়োজনের ডিনার শেষ করে বিছানায় গা এলানোর সাথেই মনে হলো পরের দিনের সূর্য উঠে গেল। আবার সেই তড়িঘড়ি গোসল, তড়িঘিড়ি নাস্তা, আর তড়িঘড়ি গিয়ে বন্ধুর পাঠানো গাড়িতে ওঠা।

গাড়ি নামিয়ে দিলো ম্যারিনা গার্ডেন ড্রাইভে ম্যারিনা ব্যারেজের সামনে। ম্যারিনা ব্যারেজ একটি বাঁধ। পাঁচ নদীর সম্মিলিত স্রোত ম্যারিনা চ্যানেলের ওপর তিন বিলিয়ন সিঙ্গাপুরিয়ান ডলার ব্যয়ে এই বাঁধ ২০০৫ সালে নির্মাণ শুরু করে ২০০৮ সালে শেষ করা হয়। শুনতে বিশাল—পাঁচ নদীর সম্মিলিত স্রোত, কিন্তু কাজে ঠনঠন। পাঁচ নদীর সম্মিলিত স্রোতের এই বাঁধের দৈর্ঘ্য মাত্র ৩৫০ মিটার, আর আমাদের এক নদী তিস্তার বাঁধের দৈর্ঘ্য ৬১৫ মিটার। বাঁধের উপর দিয়ে যথারীতি একটি রাস্তা আছে। বাড়তির মধ্যে আছে বিকালের হাওয়া খেতে আসা অতিথিদের জন্য বাঁধের উপরে নির্দিষ্ট দূরত্বে ৮-১০টি ফ্রি বৈঠকখানা। এর একটি বৈঠকখানায় বসতে গিয়ে পরিচয় হলো বাঁধের কিছু টেকনিকাল কাজ করতে আসা শ্রমিকদের সুপারভাইজার বাংলাদেশি এক ইঞ্জিনিয়ারের সাথে। বাতচিতটা দোনোমোনো করে ইংরেজিতে শুরু করতে গিয়ে দেখলাম ইঞ্জিনিয়ার সাহেবই সরাসরি বাংলায় শুরু করলেন। তারপরে আর পায় কে? মন খুলে ঘরবাড়ির অনেক কথা। দেখলাম ওনার সুপারভিশনে বেশ কিছু ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশি ও মালয়েশিয়ান শ্রমিক কাজ করছে। দেখে বাংলাদেশি হিসেবে খুব ভালো লাগলো। উনিই বললেন বাঁধের পাশের গ্রিনরুফের পাম্পহাউজে ভিজিটরদের জন্য প্রদর্শনীর ব্যবস্থা আছে যেখানে দেখা যাবে বাঁধ কীভাবে কাজ করছে। সেখানে গিয়ে জানলাম চারদিকে লোনা জলের সাগরে ঘেরা এই ভূখণ্ডের সুপেয় পানি জোগাড় করতে সরকারকে কতখানি ঘাম ঝরাতে হচ্ছে। এই বাঁধের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের ১০০০০ হেক্টর জমির বৃষ্টির পানি বাঁধ দ্বারা সৃষ্ট রিজারভয়ারে আটকানোর সুযোগ হয়েছে। রিজারভয়ারের সাইজটিই হয়েছে ২৪০ হেক্টর পরিমাণ। এই বাঁধ যেমন সাগরের পানি সিঙ্গাপুরের নদীতে ঢোকা বন্ধ করবে তেমনি এই বাঁধের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি কাঙ্ক্ষিত স্তরের চেয়ে বেশি হয়ে গেলে বাঁধের ওপাশে সাগরে ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে, যা সিঙ্গাপুরকে যে কোনো বৃষ্টিজনিত বন্যা থেকে রক্ষা করবে। এই সকল উপযোগ সাধনের যোগ্যতা ও কলাকৌশল বিবেচনা করে আমেরিকান একাডেমি অব এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারস এই বাঁধটিকে ২০০৯ সালের সুপিরিয়র এ্যাচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

বাঁধ দেখা শেষ করে রিজারভয়ারের পাশের রাস্তা দিয়ে গার্ডেনস বাই দি বে বাম পাশে রেখে হাঁটতে থাকলাম ক্লাউড ফরেস্ট ও ফ্লাওয়ার ডোমের দিকে। দুটোই গার্ডেন বাই দি বে-তে দুটো মূল্যবান সংযোজন। দুটোই মাঝখানে কোনো পিলারবিহীন বিশাল দুটো গ্লাস হাউজ। ক্লাউড ফরেস্ট ও ফ্লাওয়ার ডোম—এই দুই কনজারভেটরির টিকেট এ্যাডাল্ট ২৮ ডলার দরে এবং শিশুদের ১৫ ডলার দরে। এই হিসেবে তিনটি এ্যাডাল্ট টিকেট এবং একটি শিশু টিকেট নিয়ে প্রথমে ঢুকলাম ফ্লাওয়ার ডোম। ২০১৫ সালের গিনেস বুক রেকর্ড অনুযায়ী এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ গ্রিনহাউজ। এর আয়তন তিন একর। ভিতরে বিশাল একটি ফ্লাওয়ার ফিল্ড ছাড়াও রয়েছে আটটি গার্ডেন: দি বাওবাবস, সাকিউলান্ট গার্ডেন, অস্ট্রেলিয়ান গার্ডেন, সাউথ আফ্রিকান গার্ডেন, সাউথ আমেরিকান গার্ডেন, অলিভ গ্রোভ, ক্যালিফোর্নিয়া গার্ডেন ও মেডিটারেনিয়ান গার্ডেন। এত ফুলের বাহারের মধ্যে আমার ফুলেল সন্তানরা বিশেষ করে কন্যারা হাজারো ছবি তুললো আর আমি এত শোভনের মাঝে আমার অশোভন শরীরটা নিয়ে ঝিমালাম। তারপর ফ্লাওয়ার ডোম থেকে বের হয়ে ঢুকলাম ক্লাউড ফরেস্ট। আয়তনে এটি একটু ছোট—দুই একর, তবে উচ্চতায় ফ্লাওয়ার ডোমের চেয়ে বেশি। ৩৩০০ থেকে ৯৮০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের গায়ে যে আর্দ্রতা ও শীতলতা থাকে সেই আর্দ্রতা ও শীতলতা এর ভিতরে স্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে। ভিতরে ১৩৮ ফুট উঁচু একটি ‘ক্লাউড মাউন্টেইন’ রয়েছে যার সর্বোচ্চ চূড়ায় লিফট দিয়ে ওঠা যায় আর এর পাহাড়ের ঢাল বেয়ে তৈরি ওয়াকওয়ে দিয়ে নামা যায়। ১১৫ ফুট উঁচু একটি পানির ঝর্ণা আছে। কৃত্রিম এই ‘ক্লাউড মাউন্টেইন’-এর গা বেয়ে রয়েছে ঘন ফার্ন ও শ্যাওলার মাঝে তিন হাজারের অধিক প্রজাতির বিভিন্ন গাছ ও উদ্ভিদ। ক্লাউড মাউন্টেইনের অনেকগুলো তলা বা লেভেল রয়েছে। সেগুলোর নাম হলো—দি লস্ট ওয়ার্ল্ড, দি ক্যাভার্ন, দি ওয়াটার ফল ভিউ, দি ক্রিস্টাল মাউন্টেইন, দি ক্লাউড ফরেস্ট গ্যালারি, দি ক্লাউড ফরেস্ট থিয়েটার এবং দি সিক্রেট গার্ডেন।

ফ্লাওয়ার ডোমের ভিতরে লেখকের বড় কন্যা

ক্লাউড ফরেস্ট থেকে বের হয়ে ম্যারিনা বে স্কাইপার্কের দিকে তাকিয়ে সেই বরাবর হাঁটতে শুরু করলাম। পথে হোটেল ম্যারিনা বে স্যান্ডসের প্যাসেঞ্জার ভ্যান দেখে ভাবলাম গতকালের মতো এরাও মনে হয় আমার মত দুর্গতদের জন্য ফ্রি রাইড দেয়। সেই ভেবে হাত তুললাম। কেয়ার করলো না। হয়তো চেহারা দেখে পছন্দ হয়নি, নয়তো অন্য কিছু, আল্লাহ মালুম। ফলে চোখ মাথার তালুতে তুলে স্কাইপার্ক দেখছি আর সেই বরাবর হাঁটছি। স্কাইপার্কটি হলো ৫৫তলা ম্যারিনা বে স্যান্ডস হোটেলের নির্দিষ্ট দূরত্বের তিনটি টাওয়ারকে সংযুক্তকারী একটি ছাদ যা দীর্ঘ এক একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। ছাদটির উপরে রয়েছে একটি পার্ক, একটি সার্কুলার জগিং ওয়ে, একটি ইনফিনিটি সুইমিং পুল, একটি নাইট ক্লাব ও একটি অবজারভেশন ডেক। ইনফিনিটি সুইমিং পুলের বৈশিষ্ট্য হলো এতে সুইমিং পুলের কিনারা বেয়ে আধা বা পোয়া ইঞ্চি পুরুত্বে পানি গড়াতে থাকে। ফলে মনে হয় সুইমিং পুলটির কোনো কিনারা নেই, এটি সরাসরি আকাশের সাথে বা দূরের সাগরের সাথে মিশে গেছে। এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এলিভেটেড সুইমিং পুল।

ক্লাউড ফরেস্টে লেখকের সাথে তাঁর ছেলে ও ছোট মেয়ে

আমাদের লক্ষ্য হলো এই পার্কে আমরা উঠবো। অনেক হেঁটে গিয়ে পৌঁছলাম হোটেল লবিতে। তিনটি টাওয়ার এবং মধ্যখানের ফাঁকা স্পেস সবটা জুড়ে দীর্ঘ হোটেল লবি। লবির এক কর্নারে স্কাই পার্কের অবজারভেশন ডেকে যাওয়ার টিকেট কাউন্টার। ২৬ ডলারে এক একখানা দরে চারখানা টিকেট কিনে দাঁড়ালাম লিফটের কিউতে। সুপার গতির লিফটে ফড়ফড় করে উঠে গেলাম ৫৫ তলার উপরে, মাটি থেকে ৬২৭ ফুট উঁচু স্কাইপার্কে। গিয়ে দেখি আমাদের ২৬ ডলারের টিকেটের ক্ষমতা খালি স্কাইপার্কের উত্তর মাথার ছোট্ট একটু বৃত্তের মধ্যে শেষ। বাকি মূল পার্ক, এর জগিং পথ আর সুইমিং পুলের কাছে ঘেঁষারও আমাদের সুযোগ নেই। ভাবলাম, শালার ধাপ্পাবাজি খালি আমাগো ঢাকাইয়া সদরঘাটের মামুরাই জানে না, সুযোগ পাইলে দুনিয়ার সব শালায় ধাপ্পাবাজ। একেবারে দিনে-দুপুরে ডাকাতি। যাক সে ডাকাতির জন্য আমরা নিজেদেরকে মহানন্দে সোপর্দ করেছি বলেই তো তারা করতে পেরেছে। সুতরাং সে নিয়ে কথা বলা মানে হলো নিজের আহাম্মকির ঢোল পিটানো। সে না করাই ভালো। পরে জানলাম, এই জাত ডাকাতদের ডাকাতির ইতিহাস আরও দীর্ঘ, একেবারে জন্মলগ্ন থেকে। ২০১০ সালের ২৫ জুন যখন এই হোটেল সাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় সেদিন হোটেল লবিতে ঢোকার জন্যও প্রতিজনের কাছ থেকে তারা ২০ ডলার করে নিয়েছিল। মজার হলো প্রতিটি ২০ ডলারের তাদের ২০০০ টিকেট সব বিক্রি হয়ে গিয়েছিল এবং শেষে মানুষ ঢোকার জন্য টিকেটই পায়নি। সেদিন হোটেল লবির যেসব জায়গা মানুষ ২০ ডলার খরচ করে দেখেছিল আজ আমরা সেই সব জায়গা একেবারে মাগনা দেখতে পেরেছি দেখে যথেষ্ট হাবলুর মতো একটু ভালোও লাগলো।

স্কাইপার্কের উপর থেকে ফ্লাওয়ার ডোম ক্লাউড ফরেস্টের ভিউ

এই ভালো লাগা সাথে নিয়ে অবজারভেশন ডেকে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম চতুর্দিকের সিঙ্গাপুর। এর আগের বারে ২০০৮ সালে সেন্তোশায় টাইগার স্কাই টাওয়ার থেকে সিঙ্গাপুর দেখেছিলাম। এবার সেন্তোশায় দেখেছি টাওয়ারটি বন্ধ। বন্ধ তো হবেই। টাইগার স্কাই টাওয়ারের উচ্চতা ৩৬০ ফুট, আর স্কাই পার্কের উচ্চতা ৬২৭ ফুট। এখন আর স্কাইপার্ক রেখে কে যাবে সেন্তোশার টাইগার টাওয়ারে? স্কাইপার্ক থেকে সিঙ্গাপুর দেখতে দেখতে একটা জিনিসের প্রতি চোখ পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। স্কাইপার্ক থেকে একটু দূরে ম্যারিনা চ্যানেলের ওপারে দাঁড়ানো রয়েছে সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার নামক বিশাল নাগরদোলাটি। একসময় কেউ ছবিতে সিঙ্গাপুর দেখাতে চাইলে সবার আগে এটিই দেখাতো। আমি গতবার ২০০৮ সালে যখন এসেছিলাম তখনো হঠাৎ মেইনটেনান্সের জন্য এটি বন্ধ ছিল। আর এবারও শুনি একই কথা, মেইনটেনান্সের জন্য ওটি বন্ধ। ওটির কর্তৃপক্ষের সাথে আমার হয়তো কোনো আত্মিক দ্বন্দ্ব রয়েছে, তাই দেখে শুনে আমি যখন সিঙ্গাপুর আসি তখনই তারা ওটির মেইনটেনান্সের কাজ শুরু করে। ৫৪১ ফুট উঁচু এয়াকন্ডিশনড এই নাগরদোলায় এবারও আমার ওঠা হলো না। কাছেই দেখলাম আরেকটা পরিদর্শনের মতো জিনিস, পদ্মফুলের আকৃতিতে সিঙ্গাপুর আর্টসাইন্স মিউজিয়াম। এটিও পৃথিবীর প্রথম এ জাতীয় মিউজিয়াম। গতকালের পরিকল্পনায় দেখলাম এটি ঢুকানোর সুযোগ হয়নি। তাই এটাও রয়ে গেল তালিকার বাইরে। আর যা যা দেখলাম তারমধ্যে একটি ছিল সুপারট্রি গ্রোভ। আগেই ঠিক ছিল যে, ম্যারিনা বে স্যান্ডস থেকে বের হয়ে আমরা সুপারট্রি গ্রোভ দেখতে যাবো। তবে বের হওয়ার আগে আরো একটু আতিপাতি করে দেখতে হবে আমেরিকান কোম্পানি লাস ভেগাস স্যান্ডস কর্পোরেশনের এই বিখ্যাত হোটেল ম্যারিনা বে স্যান্ডস। চলবে

আরও পড়ুন : সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০৫

//জেডএস//

লাইভ

টপ