X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
উপন্যাস

বিকল্প অর্থনীতি ও গ্রাম্য কায়কারবার

সাজেদুল ইসলাম
২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১৩:২৭আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ২০:০৯

প্রকৃতিতে ডাওর এলো। বিল-ঝিল ভাসিয়ে চারিদিকে ডাওর নেমেছে। ডাওর গ্রীষ্মের পরের ঋতু। বই-পুস্তকে এই ঋতু বর্ষাকাল নামে পরিচিত। গ্রামের লোকেরা আষাঢ় ও শ্রাবণ—এই ভ্রাতৃপ্রতিম দুইমাসকে একত্রে ডাওর সম্বোধন করে। ডাওরের পানিতে খাল-বিল থৈ থৈ থাকে। বাড়ির উঠোন থেকে জলের ধারা নামবে বলে মনে হয় না। গেরস্তের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়ে প্রকৃতিতে শুরুতে আসে আষাঢ়। আষাঢ়ে বৃষ্টিতে শরীর অসাড় হওয়ার জোগাড় হয়। প্রকৃতির এই ন্যুব্জভাবের ভিতরে শ্রাবণ এসে কলকলে ঢলে টিনের চালে গানের কল বাজায়। সকাল-দুপুর জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি। সবুজ গাছপালা যৌবনের ভারে নুয়ে পড়ে। যেন তারা বছর জুড়ে এই বারিরাশির অপেক্ষায় সময় গুনেছে। ছাতার মত পাতাগুলো হয়ে ওঠে কৃষ্ণসবুজ। একহারা গাছটি যেন তাদেরই পরিজনহারা ভাই। মেহগনি বনের মধ্যে সন্ধ্যা হাজির থাকে সারাদিন। সন্ধ্যা নদীর ওপাড়ে সবুজ ঘাসের চর একাকার হয় মিঠেল জলে। মাছের দুধেল পোনা ঝাঁক বেঁধে ছুটে এধার থেকে ওধার। কালো নৌকার সারি দূরে খেয়ালে-বেখেয়ালে ভেসে বেড়ায়। সেসব নাওয়ে কোনো মাঝি আছে বলে মনে হয় না। রূপালী বৃষ্টিতে সমস্ত বৈভব বিলিয়ে দিয়ে মাছের সন্ধানে দিন পার করে জেলে।

ডাওরে এমনকি এ-বাড়ি থেকে ও-বাড়ি যেতেও ছই নৌকা দরকার হয়। মাঝি নৌকাটিকে সরু খালের ভিতর দিয়ে তরতর করে লগি মেরে ঠেলে নেয়। খালের পাড় ঘেঁষে চালতা ফুলের ঝাঁক দলমেলে হাসতে থাকে ডাওরের প্রভাবে ও প্রেমে। যেন একটা ফুল তুলে নিয়ে চলে যাওয়া যাবে দূরে কোথাও কোনো মানা ছাড়াই। সুপারি বনের ঘন অন্ধকার জুড়ে থাকে বনবিড়ালের ডর। এই বুঝি ছোঁ মেরে তাগড়া মোরগটিকে তুলে নিয়ে যাবে। শেষে অবাঞ্ছিত লোমের মত বনের ধারে ফেলে রাখবে খসানো পালক। ডাওরে গ্রামের কোনো কোনো বাড়িতে বিয়ের আয়োজন হয় ধুমধাম করে। যাদের বাড়িতে বিয়েশাদি থাকে তাদের অকাট্য যুক্তি— ডাওরে যাতায়াত সহজ। যে গ্রামে ভালো পথঘাট নেই সেখানে বর্ষাকাল এসে চতুর্দিকে দিগন্তবিস্তারী পথের সূচনা করে দেয়। তবে যারা বর্ষা-বাদলে অনুষ্ঠান-আয়োজনের বিরোধী তারাও কথায় ছাড় দেয় না। বলে— আক্কেলের ঘোড়া বিয়ায় ভাদ্দুর মাসে।

ডাওরে নুরু মাঝির দুইপায়ের দুই বুড়ো আঙুলের নখ মাংসের ভিতরে দেবে গিয়ে গভীর ক্ষত তৈরি করে। বৃষ্টির পানি পা দুটিকে শুকোতে দেয় না। নখের কোণে জমে থাকা পলিমাটি কদাকার হয়ে গন্ধ ছড়ায়। পরিচিতজনদের কাছে নুরু মাঝি বলে, নহের কেনি প্যাক্কায় খাইছে। ব্যাতায় হারাডা রাইত ঘুমাইতে পারি না, খালি টাডায়। রাতে ঘুমানোর আগে বিছানায় গিয়ে নুরু মাঝির বৌ বিনারা বেনু স্বামীর বুড়ো আঙুল দুটিতে সরিষার তেল মাখে। হারিকেনের চিমনিতে শুকনো কাপড় গরম করে সেক দেয়। মাঝে মাঝে পা দুটি নিজের নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুকে বলে, কী মিষ্টি সুবাস। নুরু নিজের পায়ে ছটকা টান দিয়ে বলে, ছেড়ি তুই আজীবন লোদা বলদ থাকলি। প্যাক্কায় খাওয়া পাও থেইক্যা সুবাস আহে হুনছোসনি কোনোদিন? বিনারা বলে, আপনে তার বুজবেন কী? স্বামীর শৈলের সুবাস বৌয়ের কাছে কত আল্লাদের বস্তু। নুরু হেসে ওঠে। বলে, হেই লেইগা প্যাক্কায় খাইছে যে আংগুল, হেইহান থেইক্কা বাসনা আহে? স্বামীর শৈলের আরো কত জাগা থেইক্কা সুবাস আহে হুনবেন? কমু? বিনারার কথার পিঠে নুরু বলে, ক দেহি। বিনারার মুখে কোনো লাগাম নেই। কথা আটকায় না। নুরু মাঝিকে সে বলে, স্বামীর বোগলের সুবাস অনেক মিষ্টি। বেশি মিষ্টি স্বামীর কুচকির সুবাস। নুরু বলে ওঠে, ওয়াক থু। কস কী ছেড়ি। কুচকি থেইক্যা সুবাস পাস। আগেই বুঝছি তোর বাপেও পাগল, তুইও পাগল, পাগল তোর মাও। নুরুর এই কথায় এবার বিনারা খটখটিয়ে হেসে ওঠে। বলে, আর আফনে হইলেন ছেড়ি পাগল। হুনেন, বৌ হইলে বুঝতেন, জামাইয়ের গতরের গন্ধে কী মধু। আফনে এসব বুঝবেন ক্যান। আফনে যহন দুই-তিনদিন গোসল ছাড়া থাহেন, শৈলের বাসনা তহন আরো গাঢ় হয়। আফনের পড়নের লুঙ্গি খুইল্যা থোয়ার পর হেই লুঙ্গির কোমরের দিকের কুচির কাছে যে অংশটুক, হেইহানে, দারুণ গন্ধ জইমা থাহে। বিনারার এই কথা শুনে নুরু মাঝি বলে, তলে তলে তুই যে এত গিদার তা-তো বুজিনাই রে। এক্ষণে দুজনই হো হো করে হেসে আটখান হয়।

বিনারার বাপের বাড়ির লোকের মাথায় গণ্ডগোল আছে বলে মনে করে নুরু মাঝি। বিয়ের আগে থেকেই নুরু একথা লোকমুখে শুনেছে। গ্রীষ্মকালে নিজের মাথা গরম থাকে বলে বিয়ের পর বিনারাও নুরুকে বলেছে। গরম মাথা নিয়ন্ত্রণে রাখার ফন্দি-ফিকিরও বিনারার করতলে। গরম বাড়লে বিনারা নারিকেল তেলের সঙ্গে পানি ফেটিয়ে মাথায় দেয়। তারপর তেল চপচপে চুল ঢাকতে মাথায় দেয় কচি কলাপাতা। কলাপাতার উপরে দেয় তেলাকচুর পাতা বাটা। সবশেষ ঘোমটা টেনে সারাবাড়ি হাঁটাহাঁটি বিনারার গ্রীষ্মকালের বৈকালিক রুটিন। হেঁটে হেঁটে এই ঘরে ওই ঘরে গিয়ে খোঁজখবর করে কে কী বাজার আনলো—কী রান্না করলো—কার সংসারের কী জটিলতা। প্রতিবেশীরা জানে বিনারার মাথা সামান্য খারাপ হলেও সে মানুষ ভালো। গরম কমলে বিনারা ফের ঠিকঠাক। স্বাভাবিক গৃহিনীর মত ঘর-গেরস্থালি সামলায়। চুল বাঁধে। স্বামীকে টিপ্পনি কাটে।

ডাওরে গাছের পাতা থেকে জল শুকায় না। ঝরে অবিরত। দিনমান টিপটিপ-টপটপ। অবিরত জলধারায় শুধু যে মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে তা নয়, মুরগির ছানাও ঘরের চালার কিনারে থাকা উঁচু ডিবিতে আশ্রয় খোঁজে। তবু রুজি-রুটির সন্ধানে ঘর ছেড়ে মানুষকে বাইরে আসতে হয়। মহাজনদের জন্য ডাওর খুব ভালো কাল। যোগালশ্রেণির যতো কষ্ট। ঘরে চাল ফুরালে চালভাজা খাওয়ারও উপায় থাকে না। ঘর তাদেরকে পেছনে ধাক্কা দিয়ে বাইরে পাঠায়। তবে নুরু মাঝি কাজের মানুষ। ছোট্ট কচা নদীতে দিনভর আলগা গায় বৈঠা বায় সে। বৃষ্টিতে মাটির বুক ফুঁড়ে বেড়িয়ে আসা স্নিগ্ধ গন্ধ গায়ে মাখে। প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে দেখলে নিজের বুকে দীর্ঘ নিঃশ্বাস তোলে। দিলীপের বৌকে দেখে নুরু মাঝির হাপিত্যেশ আরও বাড়ে। বাড়ে ক্ষুধা ও ক্রোধ দুটিই। এই ডাওরেই।

নুরু মনে করে ডাওর হল প্রেম ও কামের কাল। মানুষের প্রজনন মৌসুম। কার্তিক যেমন কুকুরের। ডাওরের জল প্রকৃতির সঙ্গে মানবভূমিকেও উর্বর করে তোলে। ডাওর যে যৌবন ডেকে আনে তা নুরু মাঝিকে দেখে অনুমান করা যায়। নুরু মাঝির বয়স কত হবে? ঠিক ঠিক বোঝা যায় না। একগাছ চুলেও পাক ধরেনি। খুব বেশি উঁচু নয়, একেবারে খাটোও নয়। ছিপছিপে বাহুবহুল শরীর। লোকের কাছে নিজের বয়স বর্ণনাকালে নুরু বলে, বড় বানেরকালে ন্যাংটা দৌঁড়াইতাম। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ থাকায় নুরু মাঝির বয়স কিছুটা বেশি অনুমান হয়। ডান পা-টি অল্প বাঁকা হওয়ায় সামান্য খুঁড়িয়ে চলে সে। বাঁকা পা নিয়ে তার গর্বের কমতি নেই। এ বিষয়ে তার ভাষ্য হলো, আমি মোটাসোটা হয়ে জন্ম নিছিলাম। মার প্যাটে জাগা না হওয়ায় ডাইন পাওডা একটু বেহা হইছে। এই বাঁকা পা-টি গলুইয়ের সঙ্গে ঠেকিয়ে বাম পা কোলের ভিতরে ভাঁজ করে এখন বৈঠা বায় নুরু মাঝি। বর্ষার পানি মাথায় নিয়ে বৈঠা বেয়ে নুরু অভ্যস্ত। লোকে বলে, তোর শরীরে এত কারেন্ট নুরু। একথা শুনে নুরু হাসে। উত্তরে বলে, তা ঠিক কইছেন। গতরে আগুন ঠেহি। উদোম শরীরে বৈঠা বাইতে দেখে দিলীপের বৌ নুরু মাঝিকে প্রশ্ন করে, আফনের শৈইলে হিম লাগে না নুরু ভাই? উত্তরে নুরু বলে, লাগে। বৃষ্টির ঠান্ডা পানি শৈইলে পড়লে শুরুতে পশমে কাটা দেয়। তয়, একটু পরে গতর গরম হইয়া ওঠে। আগুন গরম।

মোবারেক মোল্লার চাতালে যাওয়ার পথে রোজ নুরু মাঝির দ্বারস্থ হয় দিলীপের বৌ। নদী পারাপারে নুরু মাঝি তার ভরসা। কোনো অর্থ-কড়ি না থাকায় ইরি আর আমনের সিজনে দুই দফায় কয়েক কেজি করে ধান নুরু মাঝিকে পাওনা হিসাবে পরিশোধ করে দিলীপের বৌ। এইটুকু সে সারাবছরের পারাপারের অর্থ বাবদ দিতে পারে। কেবল যে দিলীপের বৌ খেয়াঘাটের পাওনা বাবদ ধান পরিশোধ করে এমন নয়। জিরাকাঠি গ্রামে বহুবছর যাবৎ খেয়ার পাওনা বাবদ ধান পরিশোধের চল রয়েছে। বিত্তবানদেরও অনেকে পাওনা পরিশোধের এই পদ্ধতি থেকে সুবিধা নিয়ে থাকে। নগদ টাকা দিয়ে পাওনা পরিশোধের অর্থ যাদের নেই তারা এই নিয়ম মানে। তবে যাদের অর্থবিত্ত রয়েছে তাদের অনেকে এই নিয়মের সুযোগটুকু শুধু নেয়। বিত্তহীনদের কাছ থেকে নুরু বছরে দুইবার এই ধান সংগ্রহ করে খুশি মনে। তারাও নুরুকে ধান পরিশোধ করতে পেরে ভারমুক্ত হয়। ঋণমুক্তির হাসি ফোটে তাদের চোখে-মুখে। তবে বিত্তবান যারা নুরুকে ধান পরিশোধ করবে বলে কথা দিয়েছিলো— বাড়িতে ধান উঠলে তারা ধানাইপানাই শুরু করে। আজ নিস কাল নিস বলে হতাশাজনক বিলম্ব ঘটায়। যেন তারা দিতে চায়না, নুরুও তাদের কাছ থেকে ধান নিতে চায় না, নিলেও আনন্দ পায় না। এ যেন— ছাগল বলে বিস্বাদ খাইলাম, গেরস্ত কয় প্রাণে মইলাম। দেনা-পাওনায় কোনো পক্ষই স্বাচ্ছন্দ্য নয়।

দিলীপের বৌয়ের নাম কাঞ্চু। দিলীপের সঙ্গে বিয়ের পর তার সেই নাম ঘুচে গেছে। এখন সকলে তাকে দিলীপের বৌ বলেই ডাকে। স্বামী তো চলে গেল তবু নাম দিয়ে কাঞ্চুকে বেঁধে রেখে গেল। স্বামী নেই, সোহাগ নেই, রইলো বাকি নাম। মোবারেক মোল্লার চাতালে যাতায়াতের সময় নুরু মাঝি দিলীপের বৌকে বিনা বাক্য ব্যয়ে পার করে দেয়। নুরু জানে আজ হোক কাল হোক দিলীপের বৌ তার পাওনা শোধ দেবে। হয়তো অর্থে নয়তো ফসলে। দিলীপের বউও বাকিতে পার করায় নুরু মাঝির প্রতি নরম আচরণ করে। শঙ্কা তাকে তাড়া করে ফেরে— যদি কোনোদিন নুরু বেঁকে বসে। কাঞ্চু তিনবছর যাবৎ পতিহারা। বিয়ের দুইবছর পর স্বামী দিলীপ পালকে হারিয়ে অর্থকড়িহীন এক নিঃসঙ্গ জীবনকে সে সঙ্গী করেছে। প্রেমহীন মানুষও টিকে থাকতে পারে। তবে একসঙ্গে প্রেম ও সহায়-সম্পদ হারা মানুষ কীভাবে টিকে থাকে? সম্ভবত নুরু মাঝি কাঞ্চুর এই জীবনের সারৎসারকে অনুধাবন করতে পেরেছে।

কাঞ্চুর জন্য সে অপেক্ষা করে। শুধু নদীটুকু পার করে দেবে এই অপেক্ষা। এপার থেকে হাঁক দিলে সেই হাঁক কচা নদীর ওপারে পৌঁছে যায়। নদী পার হতে নৌকায় সময় লাগে বড়জোর তিন মিনিট। ওঠা-নামা নিয়ে আরো মিনিট খানেক যোগ করলেও তা পাঁচ মিনিটের বেশি নয়। এই পাঁচ মিনিটের জন্য নুরু মাঝি সকাল-বিকেল অপেক্ষা করে। কাঞ্চু সকালে ঘাটে এসে পৌঁছালে একগাল হাসি হেসে নুরু মাঝি বলে, দিলীপের বৌ আইছো? নাওয়ের চোখা মাথা নরম মাটিতে ঠেকিয়ে দিতে দিতে নুরু মৃদু স্বরে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। বৈঠার চ্যাপ্টা অংশ পানিতে রেখে ডান হাত দিয়ে বৈঠার নিচের অংশ এবং বাম হাত দিয়ে উপরের শেষ অংশ ধরলে মাঝখানে একটি ত্রিকোণ আকৃতির ফ্রেম সৃষ্টি হয়। নৌকায় তুলতে তুলতে সেই ফ্রেমের ভিতর দিয়ে দিলীপের বৌকে রোজ কয়েক লহমা দেখে নুরু মাঝি। বিকেলে ফিরতি পথে দিলীপের বৌয়ের সঙ্গে ভালো-মন্দ দুটি কথা বলার সুযোগ মেলে না নুরুর। ফিরতি পথে বেশিরভাগ দিন নৌকায় চেনাজানা লোক থাকে। থাকে আগন্তুক। কথা-বার্তা যেটুকু বিনিময় হওয়ার তা ওই সকালেই। বিকেলে দিলীপের বৌ কাঞ্চু নৌকায় উঠলে লোকের সামনে নুরু খুব আগ্রহ দেখায় না। অন্য আরোহীদের সঙ্গে যে ব্যবহার করে তা-ই সে বরাদ্দ রাখে। তবু সেদিন নৌকায় উঠে দিলীপের বৌকে ইশারায় দেখিয়ে নুরুর সমবয়সী জহির নুরুকে উদ্দেশ্য করে টিপ্পনি করে—কি নুরু মাঝি, মেশিনের নজেলে এখন ঘনঘন ত্যাল মারে নাকি? বন্ধুগোত্রের জহিরের কথায় নুরু একগাল হাসি দিয়ে জিহ্বায় কামড় বসায়। জহির এবার বলে, কী মিয়া চোট্টা হাসি হাসো ক্যান?

চলবে

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
নীরবে মামুনুল হক,  শাপলা চত্বরের ঘটনা বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত
নীরবে মামুনুল হক, শাপলা চত্বরের ঘটনা বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত
তীব্র হচ্ছে রুশ হামলা, গোলাবারুদের জন্য মরিয়া ইউক্রেনীয় সেনারা
তীব্র হচ্ছে রুশ হামলা, গোলাবারুদের জন্য মরিয়া ইউক্রেনীয় সেনারা
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের স্থান পরিদর্শন প্রধান বিচারপতির
সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের স্থান পরিদর্শন প্রধান বিচারপতির
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে