X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
উপন্যাস

বিকল্প অর্থনীতি ও গ্রাম্য কায়কারবার

সাজেদুল ইসলাম
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫৬আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ২০:০৮

হায়দার মোড়লের নাতিকে খেয়া থেকে নামানোর কিছুক্ষণ পর দিলীপের বৌ ঘাটে এসে হাজির হল। প্রতিদিনের মতো আজও তার গন্তব্য মহাজনের চাতাল। বর্ষার দুই মাস খোলা চাতালে ধান শুকোনোর কাজ ব্যাহত হলেও টিনের চালার তলায় ধান-চাল ঝাড়-পোছের কাজ চলে সারাবছর। পৃথিবী কেবল ভোরের ঘোমটা খুলতে শুরু করেছে এমন সময় দিলীপের বৌয়ের আবির্ভাব দেখে নুরু অবাক হল না। এই আগমন যেন প্রত্যাশিত ছিল। আকাশ তখনও মেঘলা। আকাশে কয়েক পরতের পাতলা মেঘ ভেদ করে দিনের আলো বের হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সূর্য যে আজ উঠবে না তা বুঝতে শহরে খরচপাতি করে অফিস খুলে আবহাওয়াবিদ বনে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না বরং তা বনের হনুমানও অনুমান করতে পারে। বিগত চারদিন যাবৎ সূর্য ওঠেনি। আগামী দুইদিনও মুখ ভার করে থাকবে আকাশ। মেঘ-বৃষ্টিতে সাত দিনের এক বিশেষ আবর্ত থাকে– সাতদিন যাবত বৃষ্টি, সাতদিন ধরে মেঘলা। সূর্য না উঠলেও রাত ফুরিয়ে দিন আসছে, দিন ফুরিয়ে রাত। সময় গড়ালে প্রকৃতিতে তার ছাপ থেকে যায়। বয়স যেমন ছাপ রেখে যায় মানুষের শরীরে। বৃষ্টি ও মেঘের প্রবল প্রভাবে সূর্যের সাক্ষাৎ না মিললেও অন্তরালে থেকে সূর্য তো সময়কে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতে দিনযাপনে বিপত্তি থাকলেও নদীতে নাও বেয়ে নুরু মাঝিও তো বুঝতে পারে কতটা কাটলো সময়। কয়বার পাড়ি দিল রূপালী কচা নদী। শহুরে মানুষের বেলায় এই কথা খাটে না। ঘড়ির কাটায় ভর দিয়ে তাদের ঘুম ভাঙে– দিনের কর্ম শুরু হয়। সেখানে ঘড়ি ছাড়া দিন-ক্ষণ আন্দাজ করা যায় না।

দিলীপের বৌয়ের সঙ্গে নুরু মাঝির প্রেমের সম্পর্ক নেই। ভালো-মন্দ স্বার্থের বোঝাপড়াও নেই। সম্পর্ক ভালোলাগার। শুধু মুখ দেখাদেখির। এ ধরনের সম্পর্ক কখনো প্রকাশ্য আলোয় আসে না। আলোর মুখও দেখে না। ঠিক যেন আজকের দিনের মত। সূর্য থেকেও নেই। লুকিয়ে আছে মেঘের আড়ালে-আবডালে। ম্রিয়মাণ আলোয় ছেয়ে আছে দিন। তবু নুরু মাঝি দিলীপের বৌয়ের জন্য অপেক্ষা করে। দিলীপের বৌ ও নুরু মাঝি একে অপরের প্রয়োজনের বন্ধু। খেয়াপারের তাগিদ বিবেচনা করলে প্রয়োজন দিলীপের বৌয়ের বরং বেশি। নুরু মাঝির প্রয়োজন আপেক্ষিক। দিলীপের বৌয়ের সঙ্গে কথা বলে সে বড়জোর হালকা হয়। নুরু মাঝির অপেক্ষা শুধু কথা বলার। কথা বলাকে হালকা করে দেখার উপায় নেই। কথা না বলে মানুষ বাঁচে? মানুষ ছাড়া যেমন মানুষ বাঁচে না তেমনি মানবজীবনে কথাও এক বিরাট অনুষঙ্গ। কথা তো বলবার বিষয়। কথা বলতে না পারলে মানুষের বৃদ্ধি পর্যন্ত বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষ তখন না বাড়ে শারীরিক উচ্চতায়, না বুদ্ধিতে। নুরু মাঝি পেটের ভিতর কথা জমিয়ে রেখে বনসাই হয়ে থাকার ঝুঁকি নেবার মানুষ নয়। সারাদিনের জমিয়ে রাখা কথা দিলীপের বৌকে বলবে বলে সে অপেক্ষা করে। কখনো উদ্যত হয়। সব মানুষকে তো সব কথা বলে আরাম পাওয়া যায় না। দিলীপের বৌ যে নুরু মাঝির কথায় খুববেশি উত্তর দেয় তেমনও নয়। তবু শ্রোতা হিসেবে দিলীপের বৌকে প্রত্যাশা করে নুরু।

দিলীপের বৌকে ঘাট থেকে নৌকায় তুলে নিয়ে নুরু মাঝি বলে, আইজ সকালে তুমি আওনের কিছুক্ষণ আগে এক ভিনদেশীরে নৌকায় তুলছি। কইলো জিরাকাঠি গ্রামে যাইবো। দিলীপের বৌ নুরু মাঝির এই কথা শুনে চুপ থাকতে পারলো না। সে পাল্টা প্রশ্ন করলো। বলল, ভিনদেশী কি বাংলায় কতা কয়নি? নুরু হেসে দিয়ে বলে, ধুরু। কী কও তুমি। বিদেশী অইবো ক্যা। ঢাকাইয়া মানুষ। দিলীপের বৌ এবার বলে, ও তাই কও। হে কেডা, কোন বাড়ি যাইবো? কইলো মোড়ল বাড়ি যাইবো। হায়দার মোড়লের নাতি। বাড়ির চাবিও নাকি আছে তার কাছে। উত্তর দেয় নুরু মাঝি। দিলীপের বৌ ফের জানতে চায়, এতদিন কোতায় আছিল? নুরু মাঝি ততক্ষণে নৌকা ঘুরিয়ে ফেলেছে। বৈঠা দিয়ে মাটিতে সজোরে ধাক্কা দিতে দিতে দম নিয়ে বলে, শহরে আছিলো। দিলীপের বৌ এবার বিস্ময়ে প্রশ্ন করে, কইলো তোমারে? নুরু মাঝি পানিতে বৈঠা ঠেলতে ঠেলতে বলে, কইতে কী চায়। নাম তো কয়-ই না। জোরজবরদস্তি কইরা বাইর করছি। অন্যান্য দিনের মতো দিলীপের বৌয়ের মুখে আজ নীররতা নেই। সে এবার বলে, জবরদস্তির কী আছে। কেউ যুদি নাম কইতে না চায়, না কইবো। তারে জোর করো ক্যান। তোমার স্বভাব খারাপ নুরু ভাই। দিলীপের বৌ নুরুর স্বভাব নিয়ে প্রশ্ন তুললে নুরু বুঝতে পারে সে কোন দিকে ইঙ্গিত করেছে।  টিটকিরির সুরে সুযোগ বুঝে নুরুর চরিত্র নিয়ে টান মেরেছে সে।

নুরু মাঝি দিলীপের বৌয়ের কথায় উৎসাহ পায়। অন্তত নিজেকে সমর্থন করার চেষ্টাটুকু করতে চায়। সে বলে, নাম কইবো না ক্যান। নাম কি গোপন করার জিনিস। মাইষের নাম তো দেওয়াই হয় হাটে-মাঠে কওয়ার জন্য। নাম পরিচয় না জানলে কিসের আলাপ? দিলীপের বৌ চুপ করে থাকে। নুরু এবার আরো এগিয়ে বলে, তোমার নামডা কী দিলীপের বৌ? তোমারে সকলে দিলীপের বৌ কইয়াই ডাকি। তোমারও একখান নাম আছে বুঝি। দিলীপের বৌ নিজের মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে বলে, নাম দিয়া কাম কী? নাম জানো না মনে হয়।

সলাজ হাসি দিয়ে নুরু মাঝি বলে, তুমি তো জান না। আমি আবার বুকের ভিতর নাম জমাই। এতক্ষণে দুজনের মাঝখানে হঠাৎ জমে ওঠা গুমোট ভাব কেটে যায়। দিলীপের বৌ নুরু মাঝির আলাপে এবার আগ্রহ পায়। উৎসুক চোখে জিজ্ঞেস করে, কার নাম জমাও নুরু ভাই বুকের ভিতর? নুরু মাঝি বিষয়টিকে হালকা করে দেয়। বলে, মনে করো, ওর নাম এর নাম, তোমার নাম।

দিলীপের বৌ ফের জানতে চায়, নাম জমাও ক্যান? নুরু মাঝি বলে, এইডা আমার শখ। আমি তো পান-বিড়ি খাই না, মানুষের নাম জমানোই আমার নেশা। নাম আমার নেশার বস্তু। ধরো, এইডা আমার শখ, এইডাই আমার নেশা। এতক্ষণে নদী পার হয়ে যাওয়ার কথা। নুরু মাঝি সম্ভবত কথার নেশায় এতক্ষণ বৈঠার গতি কমিয়ে দিয়েছে। দিলীপের বৌয়ের চোখেও তা ঠাহর হয়নি। সে এবার বলে, এইডা আবার কেমন শখ নুরু ভাই? নুরু মাঝি বোঝানোর ভঙ্গিতে বলে, দ্যাহ। একেকজনের শখ একেক রকম। কেউ পোস্টাপিসের ডাক টিকিট জমায়। কেউ নানান রঙের ম্যাচের বাকসো। কেউ বিদেশি কয়েন জমায়। কেউ ময়ূয়ের পাংখা। কেউ কেউ জমায় মাইয়াগো অন্তর্বাস।

দিলীপের বৌ এবার শরমে লাল হয়ে যায়। বলে, ছি। তোমার খালি নষ্ট কতা। এইগুলা কেমন কতা নুরু ভাই? নুরু মাঝি দিলীপের বৌকে সুযোগ দেয়না। সে বলে, কেউ আবার টেকা জমায়। একটু পর পর গুইনা দ্যাহে– ঠিক আছে কিনা। বাড়লো না কমলো।

একথা শুনে দিলীপের বৌয়ের শরম কিছুটা টুটে যায়। সে পাল্টা যুক্তি হিসেবে বলে, টেকা তো সবাই জমাইবার চায়। কেউ পারে কেউ পারে না। এইডা আবার শখ অইলো ক্যামনে? নুরু মাঝি যেন দিলীপের বৌয়ের কথা কিছুটা মেনে নেয়। সে বলে, তুমি যেডা কইছ হেইডা ঠিক। তয় সবাই টেকা জমাইতে চায় না। সবাই পারেও না। টেকা জমানোয় ওস্তাদ তোমার মহাজন মোবারেক মোল্লা। এবার দুজনের মত একবিন্দুতে এসে মিলিত হয়। দিলীপের বৌ বলে, হে তো নিজের টেকা জমায়। অন্য লোকের হক মাইরা জমা করে। হাজারডা দুই নম্বরি কইরাও টেকা জমায়।

নুরু মাঝি এতক্ষণে জোরে হেসে ওঠে। বলে, দেখলা। হের নেশা টাকা জমানো। দুনিয়ার যেহানে পাবে খুঁইজা নিয়া জমাবে। হে পারলে মাছির গুয়াত কাছি লাগায়। মৌমাছির শৈল চিপরায়ে মধু বাইর করতে চায়। নৌকা ঘাটে ভিড়েছে। নৌকা থেকে নামতে নামতে দিলীপের বৌ উল্টো তাকিয়ে বলে, তোমার আরেকটা নেশার কতা তো কইলা না নুরু ভাই। দিলীপের বৌয়ের কথা শুনে নুরু কিছুটা অপ্রস্তুত হয়। সে বুঝতে পারে না দিলীপের বৌ ফের কী ধরে টান মারলো। নুরু বলে, কিসের কতা কও, বুঝলাম না। দিলীপের বৌ মাথার ঘোমটা টানতে টানতে ফিক করে হাসে। বলে, মাইয়া মানুষ একা পাইলে তোমার কথার নেশা ওঠে। হেইডা তো কইলা না। নুরুর ভিতরে কিছুটা শরম কিছুটা অপরাধবোধ সৃষ্টি হয়। সে দিলীপের বৌয়ের মনোভাব বুঝে উঠতে পারে না। কখনো মনে হয় খুব ভালো মেয়ে সে, ফের মনে হয় সে রহস্যময়।

নুরু মাঝি আগন্তুককে নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলো। পরে নিজের নেশার কথা উঠলো। সেখান থেকে কথা অন্যদিকে বাঁক নিলো। আগন্তুক লোকটির কথা আর বলা হলো না। দিলীপের বৌ কাঞ্চু নদীর কূল খুঁজে পেয়ে গন্তব্যে ছুট দেওয়ায় কথা এগোতে পারলো না। কোনো বৃষ্টি-বাদল যখন তার পথ রোধ করতে পারে না তখন নুরু মাঝির রসের কথা তাকে রোধ করবে কীভাবে। নুরুকে নিয়ে দিলীপের বৌয়ের বিশেষ কোনো ভাবনা নেই। স্বামী হারানোর পর থেকে জীবিকা ঘিরে দিনমান তার ভাবনা আবর্তিত হয়। সে পাল বাড়ির বৌ। শুষ্ক মৌসুমে মাটির হাড়ি-কলসি, ব্যাংক, হাতি-ঘোড়া ও টেপা পুতুল বানিয়ে এবং সেসব জিনিসপত্রে রঙ ও রেখা টেনে তার দিন চলে যায়। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য শহরে ও মফস্বলে পাঠায়। অবশিষ্ট পণ্য নিয়ে বৈশাখী মেলার জন্য অপেক্ষা করে। পোড়ড়া হাটখোলার মেলায় সেসব বিক্রির আশা ও অপেক্ষায় দিন কাটে তার। ডাওরের বৃষ্টির তোড়ে পালবাড়ির নাম মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়। উঠোনে সংরক্ষিত মাটি ধুয়ে যায়। ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় মাটির মূর্তি। দিলীপ পালের বৌ তখন মোবারেক মোল্লার চাতালে ঝিঁয়ের পরিচয় ধারণ করে।

মোবারেক মোল্লার চাতাল এক বিরাট মিলনমেলা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ধান-চাল, ভুট্টা ও শুকনা মরিচের কারবারিরা চাতালে সারাবছর আসা-যাওয়া করে। নানা অঞ্চলের মানুষ মোবারেক মোল্লার ডেরায় আনাগোনা করে। কলাপাড়া থেকে আসে বাবরজান মোল্লার নাও। মনপুরা থেকে চাতালের ঘাটে এসে ভেড়ে সোমেদ বেপারীর ধান বোঝাই নৌকা। মোড়েলগঞ্জ থেকে মরিচ নিয়ে আসে বিঞ্চু মোড়লের ট্রলার। ভান্ডারিয়া থেকে নাও নিয়ে এসে ফসলে বোঝাই হয়ে ফিরে যায় মজিদ রাড়ীর হাতি আকৃতির নৌকা। নৌকার সম্মুখে বিরাট শূর। বহুভাবের কারবারির পদভারে গমগম করে চাতাল। কেউ আসে কেউ যায়। বড় নৌকা নিয়ে একেক দিকের কারবারিরা চাতালে এসে প্রয়োজনে সপ্তার পর সপ্তাহ ধরে মুখ গুঁজে পরে থাকে। যেন তাদের ঘর-সংসার নেই, ঘরে বৌ নেই। তাদের দেখলে মনে হয়– জীবনে তাদের কোনোকিছুর হদিস নেই। কেবল কোমরে টাকার ব্যাগ বেঁধে রাখে সেসকল কারবারি। প্রতিদিন ধুমধাম রান্না-বান্না, খাওয়া-দাওয়া আর দেনদরবার। রাতে হারিকেন জ্বালিয়ে পাশা খেলে কারবারির দল। খেলায় অর্থকড়ির লেনদেনও হয়।

জনদশেক মহিলার সঙ্গে দিলীপের বৌও এই চাতালে সকাল-বিকেল কাজ করে। কেউ ধান-চাল ঝাড়ে, কেউ রান্না সামলায়, কেউ ব্যস্ত থাকে ধোয়া-মোছায়। পয়সা বেশি পায় না। দিনের পঁচাত্তর টাকা ও দুইসের চাল। কারবারিরা কর্মরত এই নারীদের খালা বলে সম্বোধন করে। সকলের বয়স খালার সমান না হলেও খালা সম্বোধন-ই চাতালের চল। চাতালের উঠতি বয়সী কারবারি রিংকু আকন। দৌলতখানের কারবারি সে। সাতদিন যাবৎ মোবারেক মোল্লার চাতালে বসে আছে। যেন কর্ম নেই, ধর্মও নেই। অন্য কারবারিদের বলে, কারবার ভালো যাচ্ছে না। একে তো ডাওর। তার উপর বাজারের পরিস্থিতি খারাপ। চাইলের বাজার আরো খারাপ। রিংকু আকনের কথা শুনে টিপ্পনি কাটে মাঝবয়সী বাবরজান মোল্লা। সে বলে, আর কয়েকটা দিন চাতালে থাহো রিংকু ভাই। চাইলের বাজার খারাপ অইলেও মনের বাজার ভালো অইয়া যাইবো। তৎক্ষনাৎ সে দিলীপের বৌকে ডাক পাঠায়। দিলীপের বৌ হাজির হলে বাবারজান মোল্লা বলে, ছোটখালা, হুনেন, রিংকু মামার কারবার ভালো যাইতাছে না। হ্যারে ভালো-মন্দ খাওয়াইতে অইবো। বড় খালাগো বুঝাইয়া কইয়া দিয়েন– যেন পাকশাকে মন দেয়। এমন কইরা খাওয়াতে অইবো যেন রিংকু মামা শইলে বীরের বল পায়। ভরা মজলিসে বাবরজান মোল্লার কথা শুনে রিংকু শরমিন্দা হয়। লম্বা কাঁধবিশিষ্ট রিংকু আকন মাথা নিচের দিকে ঝুঁকিয়ে রাখে। বাবরজান মোল্লার ইঙ্গিতের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে দিলীপের বৌ বলে, বেশি ভালো-মন্দ খাইলে রিংকু মামার আবার বেলপাতা খাওয়া লাগবো। দিলীপের বৌয়ের কথা শুনে বাবরজান মোল্লা বেকুব বনে যায়। আসর ছেড়ে উঠে যায় নয়া কারবারি রিংকু আকনও।

চলবে

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
কান উৎসব ২০২৪কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?