X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ক্ষতচিহ্নিত হাড়মাংস অথবা নিছকই আত্মজনের কথা

গৌতম গুহ রায়
০৫ মার্চ ২০২৪, ১৮:৪৯আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৪, ১৮:৪৯

পর্ব-৭

ফুলিয়ার পণ্ডিত কৃত্তিবাস ভগীরথের মতো সাধনা করে নদীর জলধারার মতোই রামায়ণের কথাকে বাঙালির চিত্তপটে জলসিঞ্চন করে শস্যশ্যামল করেছেন।

রামায়ণ শুনতে শুনতে মাঝে মাঝেই ঠাকুমা আমাকে থামিয়ে দিয়ে নানা কথা বলতেন। আমি অবাক হয়ে শুনতাম একজন প্রথাগত শিক্ষার বাইরে স্বশিক্ষিত মানুষ, যিনি জন্মেছিলেন গত শতকের শুরুতে, যখন রবীন্দ্রনাথ কিশোর, ঈশ্বরচন্দ্রের বর্ণপরিচয়ের মধ্যদিয়ে অক্ষর চিনছেন বাংলার মানুষ। কলকাতার মতো শাসনকেন্দ্রের বাইরে সেভাবে মেয়েদের শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। তবুও বাংলার নারীশক্তি নিজেদের সময়োপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করছেন। লোককথা, পাঁচালি, লোকনাট্যের থেকে সমাজশিক্ষার রসদ নিচ্ছেন তাঁরা। এই নিয়ে বিস্তারিত কথা পরে বলছি, আপাতত আমার সেই ঠাকুমার কথায় ফিরে আসি, প্রথাগত শিক্ষার বাইরে থাকা গ্রামবাংলায় বড় হওয়া সেই মানুষটার কথা যাঁর কাছে আমি রামায়ণের নানা স্তর, নানা রূপককে জানার ও চেনার প্রেরণা পেয়েছিলাম। যার কাছে রাম ছিলেন ‘দূর্বাদলশ্যাম’। কখনো তাঁর কাছে রাম ছিলেন কৃষিজাত শস্যশ্যামল রমণীয়তার নামান্তর। সেই শক্তি যিনি পাষাণী অহল্যাকে শাপমুক্ত করে ‘উদ্ধার’ করেছিলেন। ‘অহল্যা’ মানে যে জমিতে হলকর্ষণ করা যায় না এতটাই কঠিন ও রুক্ষ (অন্যার্থে ‘হল’ খুঁত আর ‘অহল্যা’ মানে নিখুঁত সুন্দরী। ব্রহ্মার কন্যা, গৌতমের স্ত্রী। ইন্দ্র দেবরাজ হিসাবে এই অপরূপা সুন্দরী নারীর অধিকার দাবি করেছিলেন, না পেয়ে ছলের আশ্রয় নেন। একদিন গৌতম নদীতে স্নানে গেল ইন্দ্র গৌতমের ছদ্মবেশে আশ্রমে গিয়ে অহল্যার সঙ্গে মিলিত হন। অহল্যা তাঁকে চিনতে পেরেও কামদগ্ধা হয়ে সঙ্গমলিপ্ত থাকেন। গৌতম জানতে পেরে ইন্দ্রকে অভিশাপ দেন নপুংসক হওয়ার, ইন্দ্রের অণ্ডকোশ খসে পড়ে। তখন মেষের অণ্ড তুলে এনে ইন্দ্রের অণ্ডস্থলে বসিয়ে দেওয়া হয়। অহল্যা গৌতমের অভিশাপে পাথর হয়ে যান এবং শুধু হাওয়া খেয়ে দিন কাটাতে থাকেন।) রামচন্দ্র সেই অনুর্বর ও রুক্ষ জমিকে চাষযোগ্য করেছিলেন। ‘হলরেখা’ সীতার লালনকর্তা জনক ছিলেন কৃষিজীবী। রাম সীতার মিলন আসলেতো কৃষিজীবীর সঙ্গে কৃষি-লক্ষ্মীর মিলন। অরণ্যজীবীদের হাতে এই কৃষি সভ্যতার বিপদ এলে কৃষিজীবী রাম তার কবল থেকে কৃষিলক্ষ্মীকে উদ্ধার করেন। ঠাকুমা এভাবেই রামকথার অন্যদিকের কথা বলতেন, মাঝে মাঝেই, যেখানে কোনো হিন্দুত্বের ধ্বজা ছিল ধীরে ধীরে অসুস্থ ঠাকুমার বিছানাটা ঘিরে রামকথা শ্রোতার সংখ্যা বাড়তে থাকল। বেণুর মা পিসি, আয়েসা মাসি তো ছিলেনই, একে একে জেঠিমা, মা, খুড়তুতো দিদি, পাশের বাড়ির খুকু মাসি– বৃত্তটা বাড়তে থাকল।  

রামায়ণ পড়তে পড়তে আমারও আগ্রহ বাড়তে থাকল। আজও সেদিনের পাঠস্মৃতি আমাকে জিজ্ঞাসার, কল্পনার রসদ দেয়। পয়ার ছন্দে লেখা এই রামায়ণ পাঁচালির মতো সুর করে পড়তে হয়, আমি সুর করে পড়তে থাকি সীতা নিজের জন্মকথা শোনাচ্ছেন ভগবতীকে–

‘...দেবী কর অবধান। আমার জন্মের কথা অপূর্ব আখ্যান।।

এক দিন মেনকা যাইতে বস্ত্র উড়ে।

তাহা দেখি জনম রাজার বীর্য্য পড়ে।।

সেই বীর্য্যে জন্ম মোর হইল ভূমিতে। উঠল আমার তনু লাঙল চষিতে।।

অযোনিসম্ভবা আমি জন্ম মহীতলে। লাঙ্গল ছাড়িয়া রাজা মোরে নিল কোলে...’।

মা মাসিরা মুগ্ধ হয়ে শুনছেন। এখানে বলে নেওয়া ভালো যে, জনক কোনো একজন রাজার নাম নয়, মিথিলার রাজা মিথির বংশধরেরা সবাই ‘জনক’ উপাধি গ্রহণ করেন। সীতার ‘জনক’-এর প্রকৃত নাম ছিল সীরধ্বজ। শুধু সীতার জন্মের প্রসঙ্গে নয় ‘রেত’ বা বীর্যপতনে মানব জন্মের কাহিনি রামায়ণে আরো আছে, রাম জন্মের সঙ্গে বা তারও আগে। যেমন শুকদেবের জন্ম-আখ্যান। ব্যাসদেব অপ্সরা ঘৃতাচীকে দেখে কামার্ত হন এবং তার বীর্য পতন ঘটে। এই দেখে ঘৃতাচী পাখির রূপ ধরে দ্রুত পালিয়ে যায়। যে যজ্ঞকাঠে সেই বীর্য পড়েছিল ব্যাসদেব দ্রুত সেই যজ্ঞকাঠ ঘষতে থাকেন। দ্রুত ঘষতে থাকায় সেই কাঠ থেকে আগুন জ্বলে ওঠে। সেই আগুনের শিখা থেকে দেবদ্যুতি নিয়ে বেড়িয়ে আসেন শুকদেব। মা শুক পাখির রূপ ধরেছিলেন বলে সেই দিব্ব্যপুরুষের নাম হয় ‘শুকদেব’। এই ঘৃতচীই দ্রোণাচার্যের, রুরুর ও জন্মদাত্রী। আমরা ঋষ্যশৃঙ্গ মুণির জন্মকথাতেও এই ঘটনাই দেখব। ঋষ্যশৃঙ্গ কাশ্যপের নাতি। বিভাণ্ডক মুণির ছেলে। দশরথের মেয়ে শান্তার স্বামী। দীর্ঘদিন তপস্যার পর এক হ্রদে স্নান করতে গেছেন বিভাণ্ডক। হঠাৎ দেখতে পেলেন স্বর্গের অপ্সরা উর্বশীকে। কামার্ত হলেন বিভাণ্ডক। জলেই রেতঃপাত হল তার। এক হরিণী সেই বীর্য মিশ্রিত জল খেয়ে গর্ভিণী হল। আসলে সেই হরিণী ছিলেন শাপভ্রষ্টা দেবকণ্যা ‘স্বর্ণমুখী’। তিনি প্রসব করলেন মাথায় শিংওয়ালা এক পুত্র। সেই শিশুই ঋষ্যশৃঙ্গ। এই ঋষ্যশৃঙ্গ মুনিই দশরথের পঞ্চসন্তানের জন্মযজ্ঞের পুরোহিত হয়েছিলেন।

আজ, এর অর্ধশতক পরে সেই সন্ধ্যার কথা, ঠাকুমার কথা মনে করে পরে, আমাদের গ্রামবাংলার এই সমস্ত স্বশিক্ষিত মানুষের চেতনার শেকড় কত গভীরে প্রথিত থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর না পড়েও তাঁরা গড়ে নেন সর্বজনীন ঈশ্বর। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘রক্তকরবী’ প্রসঙ্গে এমনই ইঙ্গিত করেছিলেন। রাম-রাবণের যুদ্ধের আন্তরালে তিনি লক্ষ্য করেছিলেন– কৃষিমূলক সভ্যতা ও যন্ত্রসভ্যতা– কর্ষণজীবী সভ্যতার দ্বন্দ্বের আখ্যান। পণ্ডিত কেশব আড়ুর কাছেও রামায়ণ শব্দের রূপক অর্থ– রামের ‘অয়ন’ অর্থাৎ মেঘ বা মৌসুমি বায়ুর চক্র বা আবর্তন। আবার রাম–রামা। রামা অর্থে কৃষিশ্রী। অয়ন=আশ্রয়। অর্থ কৃষির আশ্রয়। বলা যায়– মেঘের বা  মৌসুমি বায়ুর দেবতা রাম ও কৃষিশ্রী সীতাকে কেন্দ্র  করে একসময় যে লোককথা মৌসুমি বায়ু সেবিত কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে জনপ্রিয় ছিল, বাল্মীকি সেই কাহিনিকে ধরেই তাকে বিবিধার্থবোধক শ্লোকে এই বহুমাত্রিক আখ্যানটি রচনা করে গেছেন। রামায়ণ কোনো একজন বাল্মীকি রচনা নয়, এ ধীরে ধীরে নানা যুগে পুষ্ট হয়েছে। ‘ভাষা ও ছন্দ’ কবিতার শেষটায় রবীন্দ্রনাথ তাই লেখেন, ‘...জানি আমি, জানি তাঁরে, শুনেছি তাঁহার কীর্তিকথা।’ কহিলা বাল্মীকি, ‘তবু নাহি জানি সমগ্র বারতা,/সকল ঘটনা তাঁর– ইতিবৃত্ত রচিব কেমনে।/পাছে সত্যভ্রষ্ট হই, এই ভয় জাগে মোর মনে।’ নারদ কহিলা হাসি, ‘সেই সত্য যা রচিবে মনোভূমি/রামের জনম স্থান, অযোধ্যার চেয়ে সত্য জেনো।’ তিনি মনে করতেন বাল্মীকির নামে এ কাব্য রচিত হলেও সমগ্র দেশ এ কাব্যের রচয়িতা। ব্যক্তি রচয়িতা এক্ষেত্রে উপলক্ষ্য মাত্র। আমার প্রায় অক্ষরজ্ঞানহীন ঠাকুমা সেই সময় হয়ত তাঁদের উদ্বাস্তু অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে চাইতেন অরণ্যবাসী রামচন্দ্রের ভিটাহীন হয়ে ঘুরে বেড়ানোর আখ্যানকে। মনের কোথাও বেঁজে উঠত তার নিজের উদ্বাস্তু জীবনের যন্ত্রণা, ভিটে চ্যুতির যন্ত্রণা। আমি যখন কৃত্তিবাসের থেকে পড়ছি যে রামচন্দ্র আবার অযোধ্যায় ফিরে এসেছেন, সীতাকে বলছেন– ‘শুন সীতা, আমার বচন।/লঙ্কাপুরে যথা স্মরণ-অশোক-কানন।।/ দেবকন্যা ল’ইয়ে রাবণ তথা কেলি করে।/তাহার অধিক পুরী রচিব সুন্দরে।।’ এরপর ব্রহ্মা বিশ্বকর্মাকে নির্দেশ দিলেন রঘুপতির ইচ্ছানুযায়ী প্রাসাদ বানানোর জন্য। সেই প্রাসাদে মহাসুখে রাম-সীতা দ্বাররুদ্ধ করে একের পর এক ঋতু অতিবাহিত করেন- ‘রাত্রীদিন কেলিরসে থাকে নিরন্তর। পঞ্চমাস গর্ভ হইল সীতার উদরে।’ এই গর্ভবতী সীতাকে লোকনিন্দার কারণে শুদ্ধতার পরীক্ষা নিতে উদ্যোগী হলেন রামচন্দ্র। অরণ্য জীবন থেকে পুনরায় তাঁকে রাজপুরীতে ফিরিয়ে আনতে চাইলে লোকসমক্ষে অগ্নিপরীক্ষা দিতে অস্বীকার করে ভুমিগর্ভে আত্মবিলিন করেন নিজেকে। এই অংশ পাঠের সময় সীতা অযোধ্যার নন, হয়ে ওঠেন ঠাকুমাকে বৃত্তাকারে বসে থাকা বেণুর মা, আয়েশা পিসি বা আমার মায়ের আত্মজন। ভূমি হারানো, স্বজন হারানো মানুষের যন্ত্রণা অন্তরের কোনো নিভৃত কোণে তার আশ্রয় খুঁজে নেয়।

সীতার যন্ত্রণা তখন আমার চারপাশের প্রত্যেকের মনকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছে। নীরবতা ভেঙে বেণুর মা মাসিমা বলে উঠলেন– ‘সবই অভিশাপ দিদি, সবই অভিশাপ। এই যে দেখো না আমার জীবন। আমার কর্মফল? নাকি তাঁর, সেই মানুষটার কর্মফল! যে আমাকে ফেলে একাই চলে গেলো।’ ঠাকুমা বলে উঠল– মন খারাপ করে আর কী হবে বেণুর মা! এই রামায়ণের কথাই ভাবো, সীতাকে অরণ্যে রেখে আসার পর রামচন্দ্রের উপর ক্ষুব্ধ লক্ষ্মণকে সুমন্ত্র বলে এর পেছনের কারণ। দেবাসুরের যুদ্ধের প্রায় পরাজিত রাক্ষসেরা প্রাণভয়ে মহামুণি ভৃগুর আশ্রমে আশ্রয় নেয়। ভৃগু পত্নী তাদের আশ্রয় দেয়। এতে বিষ্ণু ক্ষুব্ধ হয়ে ভৃগুপত্নির মুণ্ডু ছেদ করেন। ভৃগু নারায়ণের এই পাশবতায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিশাপ দেন যে– ‘আমার পত্নী অবধ্যা হইলেও তুমি ক্রোধে মোহিত হয়ে তাহাকে বধ করিয়াছ, অতএব তুমি মনুষ্যলোকে জন্মগ্রহণ করিবে। তুমি সেখানে বহুবর্ষ পত্নির বিয়োগজনিত শোক ভোগ করিবে’। তাঁর কথার সূত্র ধরেই আজ আমি রামায়ণের ঘটনা-দুর্ঘটনার শৃঙ্খলে দেখি একটির সঙ্গে অন্যের জড়িয়ে থাকা। অন্ধমুণির শাপে দশরথকে পুত্র শোক ভোগ করতে হল, ভৃগুর শাপে রামচন্দ্রকে পত্নিশোক ভোগ করতে হল। আবার কৃত যুগে রাবণ ইন্দ্রকে আক্রমণ করলে বিষ্ণু তাকে সাহায্য করতে অসমর্থ হলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, যথাসময়ে তিনি এই রাক্ষসের মৃত্যুর কারণ হবেন। সেটাই ত্রেতা যুগে পালন করলেন তিনি। এভাবেই আমি দেখতে পেলাম ব্যক্তি মানুষের শোক ঢেকে দেয় আখ্যানের চাদর। যে পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন আমাদের বেঁধে রেখেছে সেখানে সেই বন্ধনকে এলোমেলো হতে দেখি। অযোধ্যার প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে বিমাতার বিদ্বেষ রামচন্দ্রের বনবাসের কারণ, কিষ্কিন্ধার বালী-সুগ্রীবের বিরোধ, লঙ্কায় বিভীষণের পক্ষে জ্যেষ্ঠর আনুগত্য ত্যাগের পাশাপাশি দেখি দশরথের চার পুত্রের আদর্শ সখ্য, বালী সুগ্রিবের মিলন প্রভৃতিতে আবার নৈতিক আদর্শ তুলে ধরা হচ্ছে।

চলবে

জেড-এস
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
নীরবে মামুনুল হক,  শাপলা চত্বরের ঘটনা বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত
নীরবে মামুনুল হক, শাপলা চত্বরের ঘটনা বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত
তীব্র হচ্ছে রুশ হামলা, গোলাবারুদের জন্য মরিয়া ইউক্রেনীয় সেনারা
তীব্র হচ্ছে রুশ হামলা, গোলাবারুদের জন্য মরিয়া ইউক্রেনীয় সেনারা
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের স্থান পরিদর্শন প্রধান বিচারপতির
সুপ্রিম কোর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের স্থান পরিদর্শন প্রধান বিচারপতির
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে