X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
উপন্যাস

বিকল্প অর্থনীতি ও গ্রাম্য কায়কারবার

সাজেদুল ইসলাম
০৯ মার্চ ২০২৪, ০৯:৫৮আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৪, ১০:০২

মোবারেক মোল্লার চাতালের খবর বাতাসের গতিতে বাতাসে ছড়ায়। সকালে-সন্ধ্যায় সেখানে কী ঘটে-না-ঘটে তা রাষ্ট্র হতে এক মুহূর্ত সময় নেয় না। জিরাকাঠির মানুষের ভাত-কাপড়ের অভাব আছে। তারচেয়েও বড় অভাব যেন আনন্দের। পেটের ক্ষুধা নিবারণ করা গেলেও চিত্তের ক্ষুধা মেটানো তো সহজ নয়। জিরাকাঠির মানুষের চিত্তের খবরের জোগান দেয় মোবারেক মোল্লার চাতাল। চাতালের নিত্য-নতুন ঘটনা মানুষের কাছে রঙ-ঢঙ গায়ে চড়িয়ে লোকের কাছে পৌঁছায়। জিরাকাঠির অদূরে অবস্থিত এই চাতাল বহু মানুষের রুজি-রুটির কেন্দ্র। স্থানীয় বাজারের দরদাম নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যাগতদের মনের খোরাক জোগাতেও মোবারেক মোল্লার চালকলের ভূমিকা আছে। বছর ঘুরে আরো বহুবিধ কারণে এই চাতাল জিরাকাঠির মানুষকে সজাগ রাখে। মোবারেক মোল্লার চাতাল তিন পুরুষের প্রভূত সম্পত্তির সাক্ষী। চাতালের ধান-চালের ব্যবসায় শুরু করেছিলো মোবারেকের বাবা সূর্য মোল্লা। সূর্য মোল্লার যোগ্য উত্তরাধিকার মোবারেক মোল্লা চাতালের আয়তন ও ব্যবসায় বর্ধিত করে চলেছে দিনকে দিন। বাপের গড়ে যাওয়া সম্পত্তি বসে বসে ধ্বংস করে যে সন্তান মোবারেক মোল্লা তাদের একজন নয়। বাপের চেয়ে বরং বেশি ব্যবসায় বান্ধব মোবারেক। ব্যবসায় বাড়ানোর সব রণকৌশল তার জানা। সূর্য মোল্লার মরণের পর মোবারেক মোল্লা চাতালে ধান-চালের পাশাপাশি মরিচ উঠিয়েছে। মৌসুমে চাষবাস ভালো হলে চাতালে ভুট্টা ও গমের ঘ্রাণ পাওয়া যায়। সূর্য মোল্লার আমলে বড়জোর ভান্ডারিয়ার কারবারিদের নাও এসে ঘাটে ভিড়ত। অথচ মোবারেক মোল্লা চাতালের খবর পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়েছে। এখন মোবারেক মোল্লার চাওয়া হলো আয়ু থাকতে থাকতে যেন নিজ ছেলের হাতে চাতালের হাল তুলে দেওয়া যায়। পরের লোককে বসালে তো আর চাতাল চলবে না। পরিবারের একজন সক্ষম পুরুষই পারবে চাতালের হাল ঠিক রাখতে। কুড়ি বছর বয়সী ছেলে রিজু মোল্লাকে এনে মোবারেক মোল্লা চাতালের দায়িত্ব দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। ছেলে আপাতত কলে মরিচ তুলে দিয়ে গুড়া মশলা বানায়, চালের জাত অনুযায়ী দর নির্ধারণে বাবা মোবারেক মোল্লার সঙ্গে পরামর্শ করে এবং দূরদূরান্তের কারবারিদের সঙ্গে আলাপ-পরিচয় হয়। তাদের সঙ্গে প্রয়োজনে বাবার হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে।

চাতালের পশ্চিম কর্নারে নদীর খুব কাছে টিনের একটি অস্থায়ী শেড আছে। বর্ষাকালে এই শেডের নিচে ধান-চাল ঝাড়ার কাজ চলে। দিলীপের বৌকে সেখানে নিত্যদিনের মতো কাজ করতে দেখে রিংকু আকন এগিয়ে যায়। রিংকু আকনকে আসতে দেখে কাঞ্চু কিছুটা ইতস্ত হয়। কাঞ্চু কুলায় তুলে এতক্ষণ ধান থেকে তুষ আলাদা করছিলো। মাথার ঘোমটা নেমে গিয়েছিলো তার। আলগা হয়েছিলো পিঠের কাপড়। তুষের মিহি গুড়া তার চুলকে ততক্ষণে সোনালি আভার আস্তরণে ঢেকে দিয়েছে। রিংকু আকনের উপস্থিতি দেখে কাঞ্চু মাথার ঘোমটা টানে, ঠিকঠাক করে নেয় পৃষ্টদেশের কাপড়। রিংকু গলা খাঁকারি দিয়ে নিজের উপস্থিতি জানায় যেন কাঞ্চু তাকে দেখেনি। কাঞ্চু তাকে দেখেছে-কি-দেখেনি তা মুখ্য বিষয় নয়, গলায় কাশির শব্দ তুলে রিংকু মূলত অনুমতি প্রার্থনা করেছে। গৃহে বা নারীর অন্যকোনো অবস্থানস্থলে পৌঁছাতে হলে পুরুষকে নানা কৌশলে নিজের উপস্থিতি জানাতে হয়। যুগ যুগ ধরে এটিই নিয়ম, অতি সাধারণ ভদ্রতা। তাতে নারী নিজেকে প্রস্তুত করার সময়টুকু পায়। রিংকু আকনের কাশির জবাবে মাথায় ঘোমটা টেনে কাঞ্চু সেই অনুমতি প্রার্থনাকে অনুমোদন দিয়েছে মাত্র।

রিংকু আকন কোনো ভূমিকা না টেনে দিলীপের বৌ কাঞ্চুকে বলে, সেদিনের কথার জন্য আমারে মাফ করবেন। আমি বুঝতে পারি নাই। অসময়ে-অকারণে রিংকু আকনের ক্ষমা প্রার্থনা দেখে দিলীপের বৌ বলে, সেদিনের কোন ঘটনার কথা কইতেছেন রিংকু ভাই? যেন সে কিছুই বুঝতে পারেনি। ওই যে সেদিন আপনেরে অকারণে ডাইকে বাবরজান মোল্লা অপদস্থ করলো, কী সব কথা কইল। রিংকু আকনের এই আলাপ শুনে দিলীপের বৌয়ের বুঝতে বাকি রইলো না—কেন সে তার সঙ্গে ফের কথা বলতে এসেছে। দিলীপের বৌ তাকে বলে, আপনি মাফ চাইবেন ক্যান? আফনে তো কিছু কন নাই। কইয়া থাকলে কইছে বাবরজান মোল্লা। রিংকু বলে, সেই জন্যে আমি আইছি ক্ষমা চাইতে। আফনে কিছু মনে কইরেন না। রিংকু আকনের আলাপের জবাবে দিলীপের বৌ বলে, আমি গরীব মানুষ, গরিবের অত গৌরব থাকতে নাই। তাছাড়া আমিও তো বাবরজান মোল্লাকে ছাইড়ে কতা কইনি। আফনের কাছে আমারও মাফ চাওয়া দরকার। সেদিন আপনেরে আমি কীসব কইছি। ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুজনের প্রাথমিক কথা আদান-প্রদানের ইতি টেনে রিংকু আকন অন্য প্রসঙ্গে যায়। সে বলে, আমার নাম রিংকু আকন। এবার প্রথম আইলাম এই চাতালে। এতদিন দৌলতখানে ব্যবসাপাতি করছি। পরিবারের ব্যবসা দেখাশোনা করছি। রিংকুর এই কথা শুনে দিলীপের বৌ ধানের তুষ ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। দুজন এবার প্রায় কাছাকাছি। মুখোমুখি। কাঞ্চু নয়া কারবারি রিংকুর পরিচয়মূলক কথা শুনে বলে, গ্রামে বাপের ব্যবসা দেহাশোনা করতেন সেই তো ভালো আছিল। দূর দ্যাশে আইলেন ক্যান? কাঞ্চুর কথায় রিংকু আকন মৃদু হাসে। সেই হাসিতে তেমন শব্দ নেই। কাঞ্চুর কথার জবাবে সে বলে, সারাজীবন কি মানুষ ঘরে কাটায়? বাইরে বাইর না অইলে পুরুষ মানুষ বড় হয় কেমনে। রিংকুর কথা শুনে এবার কাঞ্চু হাসলো। সেই হাসি যেন তার হাতে থাকা কাচের চুড়ির ঝংকার হয়ে চাতালের পাশ দিয়ে হয়ে যাওয়া নদীর জলকল্লোলে মিশে গেলো। কাঞ্চু বলে, বাড়িতে আপনাগো কীসের ব্যবসা? এই ধান চাইলের? হ। ধান-চালের ব্যবসা তো আছেই। দৌলতখানে আরো আছে মাছের ঘের, মহিষের বাথান এবং কাঠ চেরাই কল। কাঞ্চুর প্রশ্নের জবাবে নিজেদের পারিবারিক ব্যবসায়-বানিজ্যের ফিরিস্তি দিলো রিংকু। কথায় কথায় সে যেন নিজেকে কিছুটা জাহির করারও সযোগটুকু পেলো। রিংকু আকনের ঐশ্বর্যের খবরে কাঞ্চু এতটুকু টললো না। সে বরং সেই পুরোনো কথারই প্রতিধ্বনি করে বলে, এতকিছু রাইহা দূরদ্যাশে না আইলেই পারতেন। এই ডাওরে অচেনা দ্যাশে আইসা কত ঝামেলা পোহাইতেছেন। খাওয়ার ঠিক নাই, নাওয়ার ঠিক নাই। কাঞ্চু যে রিংকুর জন্য দরদ দেখালো তেমন নয়। তার কথায় যেন আদরের দুলাল রিংকুর জন্য বিদ্রুপও আছে। আইসা তো ভালোই হইছে। আপনাদের সাথে দেখা হইলো, কথা হইলো। রিংকুর এই উত্তরে কিছু না বোঝার ভান করে কাঞ্চু পুনরায় প্রশ্ন করে, দেখা অইলে আর না অইলে কী লাভ আফনের। কাঞ্চু এমন নিস্পৃহভাবে কথাটি বললো যে সে নাদান শিশু। রিংকু আকন এবার ফের কথার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এবার সে বলে, আপনার স্বামীর কথা আমি শুনেছি। তার অমন মৃত্যু! রিংকুর কথায় দিলীপের বৌ এবার কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ থাকে। সে কেবল নিজের নিঃশ্বাসকে দীর্ঘ করে। কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে রিংকুকে জিজ্ঞেস করে, লেখাপড়া করলেন না ক্যান? এবার সে নিজেই যেন অপশন দিয়ে দিয়ে বলে, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য? রিংকু পরিবেশে হালকা করার জন্য বলে, পড়ালেখা আমার ভালো লাগলো না। আব্বা চাইছিলেন আমি অনেকদূর পর্যন্ত পড়ি। কিন্তু হইলো না। কাঞ্চু সমস্ত বিস্ময় একসঙ্গে চোখে-মুখে জোগাড় করে এবার বলে, ক্যান হইলো না? কাঞ্চুর বিষ্ময়ভরা চোখের দিকে চেয়ে রিংকু বলে, আমি লেখাপড়ার মানুষ না। তাই হইলো না। কাঞ্চু ফের বলে, এ আবার কেমন কথা, তাইলে কীসের মানুষ আফনে? বয়সে তরুণ ও সুদর্শন রিংকু আকন বলে, আমি প্রেমিক মানুষ। দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রেমিক সম্ভবত। দূর থেকে বাবরজান মোল্লা গলা উঁচিয়ে উঠলো, বললো, নয়া ব্যাপারী রিংকু মামা কাঞ্চু খালার লগে কী আলাপ পারে? হাতে থাকা কুলা নিয়ে কাঞ্চু বললো, আমি কাজে যাই তাইলে।

বাপের অর্থে বাপের ব্যবসায় শিক্ষানবিশকাল চলছে রিংকু আকনের। অথচ তার চলব-বলন দেখে কে বলবে সে ব্যবসায় শিখতে এসেছে। চাতালের অন্য কারবারিদের চোখে সেসব ঠাহর হতে সময় লাগেনি। কলাপাড়ার কারবারি বাবরজান মোল্লা সেদিন দিলীপের বৌকে ডেকে পরিচয়ের সূত্র তৈরি করে রিংকুকে উসকে দিলেও আজ সে সোমেদ বেপারীকে ডেকে বলছে, দেখছেন নি পোলাডার অবস্থা। ব্যবসা-পাতিতে মন না দিয়া দিলীপের বৌয়ের লগে টাংকি মারে। বাপে কত ভরসা করে পাঠাইছে পোলারে। এমন হইলে ব্যবসা চলবো কেমনে। কথায় সায় দিয়ে মনপুরার কারবারি সোমেদ ব্যাপারী বলে, দিলীপের বৌ বা কেমন মহিলা। একজন ডাকলেই এমন বেহায়া অইতে অইবো? বাবরজান মোল্লা এবার এককাঠি এগিয়ে দেয়, সে বলে, স্বামী মরছে, এহন তো একা থাহে। আবার বড় গাছের লগে নাও বান্ধতে চায়। চাতালে চালের তলায় দাঁড়িয়ে রিংকু আকনের সঙ্গে দিলীপের বৌয়ের কিছুক্ষণ কথা বলার গল্প এক কানে দুই কনে ছড়িয়ে গেলো। অনেকে জানলো দিলীপের বৌ অল্পবয়সী ছোকরা কারবারির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। কেউ কেউ এই সম্পর্ককে মুখে মুখে আরো গভীরে নিয়ে গেলো।

নদী পাড় হতে গেলে নুরু মাঝি আজ আর দিলীপের বৌ কাঞ্চুর সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহ দেখালো না। বিকেলে চাতাল থেকে কাঞ্চুর ফেরার পথে তাদের কথা বলার যদিও সুযোগ কম। তবু চোখের ভাষায় নুরু মাঝিকে অন্যদিন যত তৎপর দেখা যায় আজ তার উলটো পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কাঞ্চুকে সে আজ নিজের নাওয়ে শীতল অভ্যর্থনা জানালো। যেন কাঞ্চুকে সে দেখেও দেখলো না। অচেনা বহিরাগতের মতো তাকে খেয়া পাড় করে দিলো শুধু। কাঞ্চুর বুঝতে বাকি রইলো না যে—চাতালের গরম হাওয়া খেয়াঘাটেও এসে আছড়ে পড়েছে।

রাতে মোবারেক মোল্লার উপস্থিতিতে চাতালের সব কারবারি একত্রিত হলো। রোজ লাল কার্পেটে তারা এভাবে গোল হয়ে বসে। প্রতিদিন হয়ত মোবারেক মোল্লা থাকেনা। অভ্যাগত কারবারির দল নিজেদের বাণিজ্যের হিসাব-নিকাশান্তে তাস খেলে। খানা-পিনাহ আর গল্পগুজব করে। আজকের বিষয় ভিন্ন। আসরের হাওয়া গুমোট। যেন জটিল কোনো বিষয় নিয়ে কারবারিদের কেউ কেউ ভীষণ চিন্তিত। সমবেত সকলের মাঝখানে ধপধপ করে হ্যাজাক বাতি জ্বলছে। সম্মুখে পান পাত্র, হুঁকো ও পানের বাটায় সুসজ্জিত আসরে মোড়েলগঞ্জের বিঞ্চু মোড়ল প্রথমে কথা তুললো। এর আগে বাবারজান মোল্লা তাকে বুঝিয়ে দিয়েছে কীভাবে আলাপ শুরু করতে হবে। সে নিজে নাটকের সূত্রধর হতে চায় না। সে অনুঘটক। বয়সে প্রবীণ বিঞ্চু মোড়ল বললো, রিংকু বাবা, আপনে অল্পবয়সী মানুষ। বাপে অনেক ভরসা কইরা আপনেরে কারবারিতে পাঠাইছে। মন দিয়া ব্যবসা-বাণিজ্য করাই তো ভালো। ভান্ডারিয়ার মজিদ রাড়ী এবার আরো খোলাসা করে বলে, চাতালের মহিলারা ভালা মানুষ না বাবা। আপনে টেকা-পয়সাঅলা মানুষ। ওরা চাইবো আপনের লগে সম্পর্ক কইরা সুবিধা আদায় করতে। পারলে গলায় ঝুইলা পড়বো। আপনেরে সাবধান থাকতে অইবো। আসর যেন সালিশ-মীমাংসায় রূপ নিলো। আসরে মোবারেক মোল্লা কোনো কথা বললো না। চাতালের এসব বিষয় নিয়ে তার মাথা ব্যথা নেই, কোনোকালে ছিলও না। মোবারেক মোল্লা মনে করে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা ও প্রতিহিংসা থাকলে তার চাতাল আরো বেশি জমে উঠবে। সে সকলের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেও কোনো পক্ষে বিশেষ সায় দেয় না। বয়োজ্যেষ্ঠ কারবারিদের কথায় রিংকু আকন এতক্ষণ কোনো প্রত্যুত্তর করেনি। এতক্ষণে মনপুরার সোমেদ ব্যাপারী বলে উঠলো, স্বামী মরা মহিলার পিঠনে ঘোরাঘুরির কী আছে বাপু। আপনে দেখতে-শুনতে গায়-গতরে ভালো, আপনে মেলা সুন্দরী মাইয়া পাইবেন। বিয়াত্তা মহিলা আপনেরে কী দিবো কন? সোমেদ বেপারীর দিকে তাকিয়ে রিংকু এবার বলে, বেয়াদবি না নিলে চাচা কন তো বছরে কয়বার ফুল ফোটায় কামিনী? আসরের সকলে এবার সমস্বরে হো হো করে হেসে ওঠে। মজিদ রাড়ী বলে ওঠে, এতো রাধার প্রেমে কৃষ্ণ পাগল, কৃষ্ণ প্রেমে রাধা। মধ্যিখানে হাউকাউ করি আমরা একদল গাধা।

চলবে

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
কান উৎসব ২০২৪কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?