জাতিসংঘে গণহত্যা বিষয়ক চিত্রপ্রদর্শনী

পাকিস্তানের দাবি সত্য নয়, বরং বানোয়াট: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২০ এপ্রিল ২০২৩, ১৬:৩৬আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৩, ১৭:০২

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের চালানো গণহত্যা বিষয়ে গত মার্চে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ মিশন। এই প্রদর্শনী নিয়ে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় নিজেদের মতামত জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, জাতীয় গণহত্যা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দফতরে বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনীটি জাতিসংঘ সদর দফতরের পূর্ণ সহযোগিতায় এবং প্রতিষ্ঠানটির সব নিয়ম মেনেই আয়োজন করা হয়েছে। অতএব, ‘নিয়ম না মেনে বা ইতিহাস বিকৃত করে প্রদর্শনী আয়োজন করায় জাতিসংঘ প্রদর্শনী বন্ধ করে এবং বিতর্কিত ছবিগুলো নামিয়ে ফেলে’ বলে যে দাবি করা হয়েছে তা সত্য নয়, বরং নিতান্তই বানোয়াট। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তির পর এবারই প্রথম জাতিসংঘ সদর দফতরে ১৯৭১ সালে গণহত্যার শিকার শহীদদের সম্মানে এ ধরনের চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, প্রবাসী বাংলাদেশি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ২৯ মার্চ প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন। তিন দিনব্যাপী চলা এই প্রদর্শনী ৭১-এর গণহত্যা বিষয়ে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে। ঐতিহাসিক এই আয়োজন সফল করতে সব সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ মিশন ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। ৭১-এর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নানামুখী প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন-

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সদর দফতরে একাত্তরের গণহত্যার আলোকচিত্র প্রদর্শনী

/এসএসজেড/এফএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
নোয়াখালীতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনমুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে গণঅভ্যুত্থান হবে, রাজাকারদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের