X
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থায় যার জমি তারই থাকবে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
০২ মে ২০২৪, ১৪:৪৭আপডেট : ০২ মে ২০২৪, ১৫:৩৮

কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে সমবায়ের ভিত্তিতে জমি চাষাবাদ এবং ফসল বাজারজাতকরণের সুযোগ রেখে ২০২০ সালে ‘জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতিমালা’ অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতাকর্মীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানেও সমবায়ভিত্তিক কৃষি প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই ব্যবস্থায় কৃষকদের জমি নিয়ে নেওয়া হবে— এমন ‘আস্থাহীনতার’ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা ডিজিটালাইজড করে ফেলেছি, যার জমি তারই থাকবে। কৃষকের জমি কখনও নেওয়া হবে না।’

বৃহস্পতিবার (২ মে) গণভবনে থাইল্যান্ড সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে গত ২৪ এপ্রিল দেশটি সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ব্যাংককের জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসক্যাপ) ৮০তম অধিবেশনেও ভাষণ দেন।

গণভবনে থাইল্যান্ড সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সমবায়ভিত্তিক কৃষির ক্ষেত্রে কৃষকদের মধ্যে ভয় দূর করতে এবং আস্থার জায়গা তৈরিতে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে সমবায়ভিত্তিক কৃষি নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থায় সার, বীজ, চাষ ও মাড়াইয়ে সব ব্যবস্থাই সমবায়ের মাধ্যমে হবে। এখানে কৃষকের নিজের ব্যক্তিগতভাবে কোনও খরচ করতে হবে না। ওই ফসলের একটা অংশ সমবায়ের কাছে বা সরকারের কাছে থাকবে। যা পরবর্তী চাষের জন্য ব্যবহার করা হবে। সেভাবেই আমরা এটা করতে চাইছি। যেটা জাতির পিতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করতে দেওয়া হয়নি। করতে দেওয়া হলে আজ দেশে খাদ্যের ঘাটতি হতো না।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা (ছবি: ফোকাস বাংলা)

প্রচলিত ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশে পরিবার যখন বড় হয়ে যায়, তখন জমি ভাগ হয়ে যায় এবং জমিতে আল বসানো হয়। জমিতে চাষ করতে গেলে, যান্ত্রিকীকরণ করতে গেলে একটানা বড় জমি লাগে। ছোট, খণ্ড খণ্ড জমিতে সেটা করা যায় না। সে কারণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলতেন, আমাদের যত আল আছে, সেগুলো যদি জোড়া দেওয়া হয় ফরিদপুর জেলার মতো সমান জমি বের হবে। সেজন্য তিনি কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কথা বলতেন। ট্রাক্টরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা।‘ 

জমির মালিকানা যার, তারই থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলনে, ‘এখন আমরা (ভূমি ব্যবস্থাপনা) ডিজিটালাইজড করে ফেলেছি, যার জমি তারই থাকবে। কৃষকের জমি কখনও নেওয়া হবে না। এখন তো সমলয় চাষ হচ্ছে। সমলয়টা কিন্তু একই ধরনের (সমবায়ের মতো), অনেকটা সমবায়ভিত্তিক। একসঙ্গে চাষ করে যার জমির ভাগ সে নিয়ে নিচ্ছে। এতে আস্থা হারানোর কোনও বিষয় নেই। বরং আমি বলবো, যদি আমরা এভাবে চাষ করতে পারি, আমাদের ফসল উৎপাদন দ্বিগুণ-তিনগুণ হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ শুরু করেছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমার এলাকায় (টুঙ্গিপাড়ায়) আমি একটা সমিতি করে রেখেছি, যার উপদেষ্টা আমি। আমাদের এলাকায় যত অনাবাদী ছবি ছিল, অনেক জমি কিন্তু ইতোমধ্যে চাষাবাদের আওতায় চলে এসেছে। এই উদ্যোগটা নেওয়ার পর আশপাশের অন্য কৃষকরাও খুব উৎসাহিত হলো। তারাও নিজেরা চাষ শুরু করে দিয়েছে। তারাও নিজেদের জমি পরিষ্কার করছে, আমরা ট্রাস্টের পক্ষ থেকেও করে দিচ্ছি। সেখানে যে ফসল উঠলো, কার জমিতে কতটুকু সে অনুপাতে ওই ফসল বিক্রি করে টাকার ভাগটা তাদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কিন্তু পানি বেশি, মাছের চাষ হয়েছে। প্রথমে ৮৮ মন, পরে ১০২ মন, তারপর আরও ১০-১৫ মন মাছ পাওয়া গেলো। তা বিক্রি করে ৮ লাখের ওপরে টাকা পাওয়া গেছে। জমি অনুপাতে তাদের সেই টাকার ভাগ দেওয়া হয়েছে। যারা শ্রম দিয়েছে, তাদের ভাগ দেওয়া হয়েছে। আমার ভাগে ১ লাখ টাকা পেয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

নিজের এলাকায় এভাবে তৈরি করে মডেল হিসেবে দাঁড় করানোর কথা উল্লখ করে তিনি বলেন, ‘এভাবে মানুষ যখন দেখবে তারা লাভবান হচ্ছে। নিশ্চয়ই তারা আস্থার জায়গাটা হারাবে না। যারা শহরে থাকেন, তাদের কিছু কিছু জমি আছে। সেই জমি দেখার বা চাষ করার কোনও লোক থাকে না। জমি অনাবাদী পড়ে থাকে। যারা অনুপস্থিত মালিক তারা তো এখানে বসেও একটা ভাগ পাবে। এভাবে যদি আমরা চাষ করতে পারি, ফসলের উৎপাদন বাড়বে।’

দেশে ফসল উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এখন কয়েক গুণ বেশি ফসল উৎপাদন করি। সেইসঙ্গে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে, খাদ্য চাহিদাও বেড়েছে। আগে যেখানে একবেলাও খাবার জোটাতে পারতো না, সেখানে এখন কম করে হলেও দুই বেলা, তিন বেলাও মনে হয় খেতে পারে। সেই সক্ষমতা বেড়েছে। আমরা তো হিসাব করি, কত ফসল হলো, কত মানুষ, কে কতটুকু খেতে পারে। হিসাব করার পর দেখি, আমাদের খাদ্যের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষের কেনার সক্ষমতা বেড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, সেভাবে এখন মানুষ খাদ্য চাহিদাও বেড়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নুন ভাত যারা খেতো, তারা এখন আমিষও খায়। আপনাদের পত্রপত্রিকা... আপনারাই (সাংবাদিকরা) তো লিখেছেন, ডালভাতের জন্য কাঁদে না, এখন মাছ গরুর মাংসের দাম বাড়লো কেন, মুরগীর দাম বাড়লো কেন, ডিমের দাম বাড়লো কেন... (এসব প্রশ্ন ওঠে)। তার মানে মানুষ সেই জায়গায় উঠে এসেছে, এটা তো স্বীকার করতে হবে। দাম বাড়লো কেন? হ্যাঁ, দাম তো বাড়বেই। বিভিন্ন সিজনে বাড়ে, কমে।’ তবে স্বনির্ভর করতে উৎপাদন বাড়াতে ডিম, মাছ, ধান চাষ নিযে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চলছে বলে জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠার হীরকজয়ন্তী ব্যাপকভাবে পালন করবে আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার হীরকজয়ন্তী পালন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দলের ৭৫ বছর পালন করবো ব্যাপকভাবে। বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখবো, আমরা কোনও কোনও দেশকে আমন্ত্রণ করবো। ব্যাপক কর্মসূচির পালনের জন্য আমরা উপ-কমিটি করবো। উপমহাদেশের একটি দল ৭৫ বছর উদযাপন করছে এটা বড় কথা।’

এসময় ১৪ দলীয় জোট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৪ দলতো অবশ্যই আছে। থাকবে না কেন? তাদের সঙ্গে আমাদের সবসময় যোগাযোগ আছে। যোগাযোগ নেই তা তো না। দুই-চার জন বিক্ষিপ্তভাবে কী বলেছে, আমি জানি না। আমাদের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু সাহেবের উপর দায়িত্ব দেওয়া আছে। তিনি যোগাযোগটা রাখেন। আমি শিগরিই তাদের সঙ্গে বসবো। কারণ আমাদের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক করেছি, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক করবো। ১৪ দলের সঙ্গেও বসবো। তা ছাড়া আলাদাভাবে অনেকের সঙ্গে আমার যোগাযোগ আছে। সাধারণ সম্পাদক সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনেও ১৪ দলের অনেক দল প্রার্থী দিয়েছিল। নির্বাচনে জেতা না জেতা আলাদা কথা। আমাদের জোট থাকবে। জোট শেষ হয়ে গেছে কে বলল?’

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন (ছবি: ফোকাস বাংলা)

ঢাকাকেন্দ্রিক প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে যানজট কমে যাবে

এসময় ঢাকার যানজট প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ট্রফিক নিয়ম অনেকেই মানেন না, এটা যানজটের জন্য অন্যতম একটি সমস্যা। মানুষ যদি নিজে সচেতন না হয়, তাহলে আর কত সচেতন করা যাবে। সেটা হলো বাস্তবতা।’

তবে ঢাকা শহরকেন্দ্রিক প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে যানজট কমে যাবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে যানজট শুধু কমবে না, জেলার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ হবে। তাহলে সবাইকে আর ঢাকায় থাকতে হবে না। ঢাকার বাইরের উপশহরগুলো অনেকেই থাকবেন, ঢাকা এসে কাজ করে চলে যাবে। আর ডিজিটাল পদ্ধতিতো আছেই।’

এসময় মেট্রোরেলের রক্ষণাবেক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা জিনিস তৈরি (মেট্রোরেল) করে দিয়েছি, সেটাকে রক্ষণাবেক্ষণ, যত্ন নেওয়া জনগণের দায়িত্ব। এটা তো তাদেরই দেখতে হবে। তারা নিজেরা যদি যত্নবান না হয়, তাহলে কত আর শেখানো যাবে। যা তৈরি করে দিয়েছি, তার যত্ন নিলে মানুষ সুফল পাবে বা পাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন (ছবি: ফোকাস বাংলা)

এসময় রাজধানীর ফিটনেসবিহীন বাস প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি বাস মালিকরা যদি ভাঙা-চোরা বাস চালাতে পছন্দ করেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। ফিটনেস আছে কিনা সেটা দেখার বিষয় আছে। আর আমিতো ভলবো বাস কিনে এনেছিলাম। তখন বলা হয়েছিল, এই বাস বাংলাদেশে চলবে না, কিন্তু চলেছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসলো, এতগুলো ভলবো বাসের একটিরও খবর নেই। সেগুলো পড়ে ছিল। আমরা আর্টিকুলেট বাস আনলাম, বিএনপি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিলো। এখন যদি তারা আন্দোলনের নামে ভাঙা বাসগুলো পোড়ায়, তাহলে বিমার টাকাটাও পেলো, তাদের আন্দোলনটাও চললো। সেটাও অনেক সময় করে। তবে নতুন বাসগুলো যেন না পোড়ায়। আমরা আনি কষ্ট করে, ওরা ধ্বংস করে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে

জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলোর ‘১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি’র কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা হচ্ছে সব থেকে দুর্ভোগের যে, প্রতিবার জলবায়ু সম্মেলন হয়, অনেক প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। আমরা ডিমান্ড করি, কিন্তু কাজের জায়গায় অর্থ আর কেউ দেয় না। ধনী দেশগুলি বা যারা আজ নিজেরা উন্নত হয়ে গেছে। তাদের কারণেই আজ এই জলবায়ু পরিবর্তনটা; যার অভিঘাতে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। এখানে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া তাদেরই এটা দায়িত্ব সব থেকে বেশি। তারা মুখে বলার সময় সব দিয়ে দেয়, কিন্তু কাজে খুব কম দেয়। এটা নিয়ে কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিকভাবে সবসময় কথা বলে যাচ্ছি। আমরা প্রতিশ্রুতি যেটা পাচ্ছি কিন্তু আসলে টাকা তো দিচ্ছে না। এটা তো বাস্তব কথা। তারপরও আমরা বার বার বলে যাচ্ছি। এছাড়া আমরা নিজস্ব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:

থাইল্যান্ড সফর একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে 

মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের প্রার্থিতায় নিরুৎসাহের কারণ ব্যাখ্যা করলেন শেখ হাসিনা 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে থাইল্যান্ড সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

/এমআরএস/ইএইচএস/ইউএস/
সম্পর্কিত
গাজীপুরে ফজিলাতুন নেছা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী
এ মাসে আবার দিল্লি সফরে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ থেকে চাকরি দিয়ে জনবল নেবে আমিরাত, বিনিয়োগও চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
অবশেষে বদলি হলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সেই সিইও
অবশেষে বদলি হলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সেই সিইও
কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি
কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি
রাতে উত্তরের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বেড়েছে
রাতে উত্তরের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বেড়েছে
ঈদে চামড়া ব্যবসায়ীদের নজরদারিতে রাখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
ঈদে চামড়া ব্যবসায়ীদের নজরদারিতে রাখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
সর্বাধিক পঠিত
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে মূল্যায়ন হবে যেভাবে
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে মূল্যায়ন হবে যেভাবে
শ্রমিকদের অবরোধে বন্ধ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
শ্রমিকদের অবরোধে বন্ধ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
শেবাগের সমালোচনার জবাবে যা বললেন সাকিব
শেবাগের সমালোচনার জবাবে যা বললেন সাকিব
১৯ বল ব্যাট করে ওমানকে হারালো ইংল্যান্ড
১৯ বল ব্যাট করে ওমানকে হারালো ইংল্যান্ড
সেন্টমার্টিনে খাদ্যসংকট, কক্সবাজার থেকে গেলো পণ্যবোঝাই জাহাজ
সেন্টমার্টিনে খাদ্যসংকট, কক্সবাজার থেকে গেলো পণ্যবোঝাই জাহাজ