দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রধান লাইফলাইন চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনও সাময়িক কাজ নয়, বরং সারা বছরব্যাপী চলমান একটি প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। বেলা ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনের সভাপতিতত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীব বিক্রম।
চট্টগ্রাম বন্দরে কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং করার পরিকল্পনা ও সময়সীমা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, নদীর পলি জমার কারণে নাব্যতা যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে ড্রেজিং একটি নিরবচ্ছিন্ন কাজ। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও ক্যাপিটাল ড্রেজিং পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও জানান, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট থেকে বাকলিয়ার চর পর্যন্ত এলাকায় ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় ৬১ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে ওই এলাকায় নদীর গভীরতা ৮ মিটারে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত হয়েছে।









