রাষ্ট্রপতির বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবি জানালেন বিএনপির হারুন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০২:১০, জানুয়ারি ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:২৯, জানুয়ারি ২৩, ২০২০

 

হারুনুর রশীদ

সংসদে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেওয়া ভাষণের কিছু অংশ ‘অসত্য‘ দাবি করে তা এক্সপাঞ্জ করার দাবি তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। বুধবার (২২ জানুয়ারি) সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি তোলেন। হারুন বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নাকি যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন। অবাধ এবং সুষ্ঠু দায়িত্ব পালন করেছেন। এটা একেবারে অসত্য।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আপনাকে অফুরন্ত ক্ষমতা সংসদ দিয়েছে, সংবিধান দিয়েছে। আমি মনে করি এই বইয়ের মধ্যে (রাষ্ট্রপতির ভাষণ) যে অসত্য তথ্য আছে সেগুলো এক্সপাঞ্জ করা উচিত। এগুলো একেবারে অসত্য।

গত ৯ জানুয়ারি সংসদে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধান অনুযায়ী ইংরেজি বছরের প্রথম বৈঠকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বরাবরের মত মন্ত্রিসভার ঠিক করে দেওয়া ভাষণের সংক্ষিপ্তসার পাঠ করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তার পুরো বক্তব্য সংসদে পঠিত বলে গণ্য করেন স্পিকার।

হারুন বলেন, রাষ্ট্রপতি একেবারে শেষে যেটা বলেছেন সেটা তার মনের কথা। তিনি যথার্থই বলেছেন। জাতীয় সংসদ জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু আপনি এখন খালেদা জিয়াকে জেলখানায় ঢুকিয়ে রাখবেন, মৃত্যুপথ যাত্রী তারপরেও জামিন দেবেন না। সাজা দিয়ে আটক রাখবেন। বিরোধী দলকে ঠ্যাঙাবেন। এ দিয়ে জাতীয় ঐক্য, শান্তি-সম্প্রীতি হতে পারে না।তিনি বলেন, সংবিধানে বলা আছে জনগণ ক্ষমতার মালিক। কিন্তু এটা এখন স্বপ্নের ব্যাপার হয়ে গেছে।

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে সরকারের অপতৎপরতা তত বেড়ে যাচ্ছে। তার প্রমাণ বিএনপির প্রার্থী তাবিথের ওপর হামলা। ভিডিও ফুটেজ দেখে কাউকে কি গ্রেপ্তার করা হয়েছে? স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে জবাবদিহিমূলক করতে হলে অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা দিতে হবে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম,  রমেশ চন্দ্র সেন, খালেদা খানম, জাসদের শিরীন আখতার, জাতীয় পার্টির সালমা ইসলাম প্রমুখ।

 

/ইএইচএস/এমআর/

লাইভ

টপ