মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান জনসমাগম এড়িয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন মাত্রায়

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:০৬, মার্চ ০৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩০, মার্চ ০৯, ২০২০

মুজিববর্ষ 

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি ও বাংলাদেশে তিনজন করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়িয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন মাত্রায় আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।  সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কমিটির বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানান।

সমন্বয়ক বলেন,‘সিদ্ধান্ত হয়েছে—টেলিভিশনের মাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা আলাদাভাবে অনুষ্ঠান উপস্থাপন করবো। যাতে বাংলাদেশের প্রত্যেক অঞ্চলের মানুষ ঘরে কিংবা তার প্রতিষ্ঠানে বসে উপভোগ করতে পারে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নেতৃত্বে একটি টেকনিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমে রয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী, রামেন্দ্র মজুমদার, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, বিটিভির মহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক, অ্যাটকোর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রিসিডেন্ট এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতিনিধিরা। আমরা কী কী করতে যাচ্ছি—তা আমাদের সভাপতিকে অবহিত করে তারপর আপনাদের জানাতে পারবো। এই হচ্ছে আমাদের আজকের সিদ্ধান্ত।’    

কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা জনেন, গতকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয় সভা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে—বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে পুরো বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা বলেছেন যে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তার স্বপ্ন ছিল—একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন। পুরো বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যাতে সাধারণ মানুষের কষ্ট না হয়, সেই আলোকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষের যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, সেখানে জনসমাগম এড়িয়ে আমরা মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করবো। তাই সেখানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে না। পরবর্তী কোনও একটি সময়ে হবে। সারা জাতি উন্মুখ হয়ে আছে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান করার জন্য।  ক্ষণগণনা চলছে। তাই জনসমাগম পরিহার করে স্কুল কলেজে সীমিত আকারে অনুষ্ঠান হবে। ’

সমন্বয়ক বলেন, ‘জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনুষ্ঠান পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান অনুষ্ঠানগুলো করবে। আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বা স্মৃতি জাদুঘরে, টুঙ্গিপাড়ায় সীমিত আকারে অনুষ্ঠান চলবে। পরবর্তীতে সারাদেশেই অনুষ্ঠান চলবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এর সূচি চূড়ান্ত করবো।’

 

/এসএমএ/টিএন/

লাইভ

টপ