করোনাকালীন সময়েও স্বাস্থ্যসেবায় ঘাটতি রাখা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৩, জুলাই ১১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:২১, জুলাই ১১, ২০২০

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককরোনা মহামারি যতই বড় হোক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কোনোরকম ঘাটতি রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর-গ্রামে সবখানেই এবং স্বাস্থ্যখাতের সকল স্তরে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সমানভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। শনিবার (১১ জুলাই) ৩১তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বে করোনার তাণ্ডব চলছে। এর কোনও ভ্যাক্সিন ও ওষুধ এখনও বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে সক্ষম হননি। কিন্তু তাই বলে করোনার বাইরেও মানুষের অন্যান্য রোগব্যাধি তো থেমে থাকবে না।
প্রসঙ্গত, কোভিড মহামারির কারণে সরকার ভার্চুয়াল মাধ্যমেই দিবসটি আয়োজন করে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মহামারি কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি’।
করোনায় সচেতনতার বিষয়ে জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কম। করোনার সময়গুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাটাবেন। মাস্ক পরে বাসা থেকে বের হবেন। সামাজিক দূরত্ব তিন ফুট নয়, ছয় ফুট বজায় রাখবেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে করোনার প্রভাবের কারণে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবাও কিছুটা কমেছে। আমাদের দেশে দারিদ্র্যসীমা বেড়ে যেতে পারে। করোনা বৃদ্ধি পেলে বাল্যবিয়েও বাড়তে পারে।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদককে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। এ বছর মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডে প্রিন্ট মিডিয়া (বাংলা) পুরস্কার পান দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র রিপোর্টার মাইনুল হাসান সোহেল (হাসান সোহেল) এবং দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুল। প্রিন্ট মিডিয়া (ইংরেজি) পুরস্কার পান বাংলাদেশ পোস্টের সিনথিয়া কায়নাত নূর এবং ডেইলি স্টারের নিলীমা জাহান। এছাড়া টেলিভিশন মিডিয়া পুরস্কার পান গাজী টেলিভিশনের চিফ রিপোর্টার রাজু আহমেদ এবং এটিএন বাংলা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শারফুল আলম।

/জেএ/এমআর/এমএমজে/

লাইভ

টপ