X
সোমবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা দিতে আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:২০

বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা প্রদানে আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ‘বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা প্রদানে  হাইকোর্ট প্রদত্ত রায়ের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক  আলোচনা সভায় এই দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি এ বছর ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (সিক্সটিন ডে অ্যাক্টিভিজম) পালন করছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গল বার এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সমিতি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনালসের বঙ্গবন্ধু চেয়ার ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তিনি বীরঙ্গনাদের নিয়ে আলোচনা সভা আয়োজন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন,  ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের অবদান অনস্বিকার্য। বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বীরাঙ্গনাদের মর্যাদা ও অধিকার দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বীরাঙ্গনারা স্বীকৃতি পাননি।’ তিনি দ্রুতই বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ ও তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের সমান অধিকার ও ভাতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট লেখক ও সমাজসেবী মিতালী হোসেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে প্রায় তিন লাখ নারী পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকারদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন। এসব বীরাঙ্গনাদের যোগ্য সম্মান ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি সময়ের দাবি।’ 

অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, ‘ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীর ভূমিকা ও অংশগ্রহণ ছিল অনস্বীকার্য। স্বাধীনতার সময় যেসব নারী পাকিস্তানি সেনা এবং তাদের সহযোগী রাজাকারদের দ্বারা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তাদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধি দিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘‘এই বীরাঙ্গনারাও যে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, এ কথা আমরা ভুলে যাই। তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ‘মুক্তিযোদ্ধা’ খেতাব পেয়েছেন। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও ‘বীরাঙ্গনাদের’ মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বীরাঙ্গনারা এখনও হলোকাস্টের শিকার এবং তাদের জীবন হতাশার মধ্যে রয়েছে, যার জন্য তাদের রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়া দরকার।’’ তিনি বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা প্রদানে হাইকোর্ট প্রদত্ত রায়ের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।

 

/এসও/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
বছিলায় চেয়ার-টেবিল পেতে অফিস করলেন মেয়র আতিক
বছিলায় চেয়ার-টেবিল পেতে অফিস করলেন মেয়র আতিক
পূর্ণ জনবলে দক্ষিণ, অর্ধেকে চলছে উত্তর সিটি
পূর্ণ জনবলে দক্ষিণ, অর্ধেকে চলছে উত্তর সিটি
ঢাকা মেডিক্যালে বাড়ছে রোগীর চাপ
ঢাকা মেডিক্যালে বাড়ছে রোগীর চাপ
৩০ জানুয়ারি থেকে ফাজিল পরীক্ষা হচ্ছে না
৩০ জানুয়ারি থেকে ফাজিল পরীক্ষা হচ্ছে না
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
বছিলায় চেয়ার-টেবিল পেতে অফিস করলেন মেয়র আতিক
বছিলায় চেয়ার-টেবিল পেতে অফিস করলেন মেয়র আতিক
পূর্ণ জনবলে দক্ষিণ, অর্ধেকে চলছে উত্তর সিটি
পূর্ণ জনবলে দক্ষিণ, অর্ধেকে চলছে উত্তর সিটি
ঢাকা মেডিক্যালে বাড়ছে রোগীর চাপ
ঢাকা মেডিক্যালে বাড়ছে রোগীর চাপ
৩০ জানুয়ারি থেকে ফাজিল পরীক্ষা হচ্ছে না
৩০ জানুয়ারি থেকে ফাজিল পরীক্ষা হচ্ছে না
দৃশ্যমান স্থানে গণপরিবহনের ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ও কার্যকরের নির্দেশ
দৃশ্যমান স্থানে গণপরিবহনের ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ও কার্যকরের নির্দেশ
© 2022 Bangla Tribune