X
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪
৪ আষাঢ় ১৪৩১

আরও ৪০ হাজার মানুষ পেলেন স্থায়ী ঠিকানা 

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ মার্চ ২০২৩, ১৫:৩৭আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৩, ১৫:৩৯

ঈদের আগে আরও প্রায় ৪০ হাজার মানুষ খুঁজে পেলেন স্থায়ী ঠিকানা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের আওতায় জমিসহ ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর পেলো এসব পরিবার।

বুধবার (২২ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পক্ষে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে উপকারভোগীদের কাছে জমির কবুলিয়াত দলিল, নামজারি খতিয়ান এবং গৃহের সনদ হস্তান্তরের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন গাজীপুরে শ্রীপুর উপজেলায় নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নওয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং বরিশালের বানারীপাড়ার উত্তরপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এর মাধ্যমে দেশের ৯টি জেলা ও ২১১টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হলো। দেশের মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সব উপজেলা গৃহহীনমুক্ত হয়েছে ঘর হস্তান্তরের মাধ্যমে।

১৯৯৭ সালে ভূমিহীন-গৃহহীনকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘আশ্রয়ণ’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে, যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিব বর্ষে প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬০ হাজার ১৯১টি ঘর ও ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩০০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট নির্মিত ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ২৯।

এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৭টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। আশ্রয়ণ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা সংস্থাসহ ঘর নির্মাণ করে ১৯৯৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পুনর্বাসন করা হয়েছে ৭ লাখ ৭১ লাখ ৩০১টি পরিবারকে। প্রতি পরিবারের পাঁচ জন সদস্য হিসাবে দেশে মোট উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫।

তৃতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা একক ঘরের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৭৪। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি হস্তান্তর হয়েছে গত বছরের ২৬ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় ধাপে ২১ জুলাই জমির মালিকানাসহ ২৬ হাজার ২২৯টি হস্তান্তর করা হয়। বুধবার চতুর্থ পর্যায়ে হস্তান্তর হচ্ছে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়সহ মোট হস্তান্তরিত একক ঘরের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি। চতুর্থ পর্যায়ে অবশিষ্ট নির্মাণাধীন ঘরের সংখ্যা ২২ হাজার ৬টি। চতুর্থ পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দ করা বিশেষ ডিজাইনের ঘরের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৩টি এবং পার্বত্যাঞ্চলের বিশেষ ডিজাইনের মাচাং ঘর ৬৩৪টি।

 

 

/এসও/আরকে/
সম্পর্কিত
আশ্রয়ণের ঘর জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারকে গৃহহীন-ভূমিহীনমুক্ত ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী
আশ্রয়ণের আরও ১৮৫৬৬ ঘর হস্তান্তরভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত হলো দেশের ৫৮ জেলা, ৪৬৪ উপজেলা
সর্বশেষ খবর
ছাগলের চামড়া ২ টাকা ফুট, গরুর ১০ টাকা!
ছাগলের চামড়া ২ টাকা ফুট, গরুর ১০ টাকা!
শেষ মুহূর্তে নাটকীয় জয় পর্তুগালের
শেষ মুহূর্তে নাটকীয় জয় পর্তুগালের
ঈদের তৃতীয় দিনে ৩১টি নাটকও টেলিছবি
ঈদের তৃতীয় দিনে ৩১টি নাটকও টেলিছবি
সাগর ও পাহাড় দেখতে গিয়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু
সাগর ও পাহাড় দেখতে গিয়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ দ্বারপ্রান্তে, ভারতীয় জ্যোতিষের ভবিষ্যদ্বাণী
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ দ্বারপ্রান্তে, ভারতীয় জ্যোতিষের ভবিষ্যদ্বাণী
থমথমে ‘তুফান’, অন্তর্জালে ‘দরদ’ মুগ্ধতা
থমথমে ‘তুফান’, অন্তর্জালে ‘দরদ’ মুগ্ধতা
অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
২৪ বছর পর রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ায় পুতিন
২৪ বছর পর রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ায় পুতিন
পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে: রিপোর্ট
পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে: রিপোর্ট