ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের নাম প্রকাশ ও জড়িতদের বিচার দাবি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৭ আগস্ট ২০২৪, ১৩:৫৩আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৪, ১৩:৫৩

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত সবার নাম প্রকাশ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিতসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামভিত্তিক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। এ সময় ‘আয়নাঘর’ থেকে যাদের এখনও মুক্তি দেওয়া হয়নি তাদের মুক্তির দাবি তোলেন দলের সংগঠক মাইকেল চাকমা।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মাইকেল চাকমা বলেন, ‘অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে। দেশের মানুষ এখন মুক্ত হাওয়ায় প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ এখনও স্বাধীনতার সেই স্বাদ পায়নি। পাহাড়ে এখনও পরিবর্তনের হাওয়া পৌঁছেনি। সমতলে অন্যায়ভাবে আটক রাজবন্দিরা মুক্তি পেতে শুরু করলেও, পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্দি ইউপিডিএফ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের এখনও ছেড়ে দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জামিন পাওয়ার পরও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতারের কারণে তারা এখন নতুন করে আদালতে জামিনের আবেদন করতে সাহস পাচ্ছেন না।’

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাশাসন বা নিপীড়নমূলক অবস্থা জারি রেখে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে গণতন্ত্র কায়েম সম্ভব না বলে মনে করেন মাইকেল চাকমা। তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে দেশে প্রকৃত অর্থবহ সংস্কার সম্ভব না।’

ইউপিডিএফের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দাবি হলো– অবিলম্বে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলে আটক ইউপিডিএফ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে; আদালত থেকে জামিনের পর জেল গেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে এবং ইউপিডিএফ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে; স্বনির্ভর গণহত্যা ও পানছড়িতে চার যুব নেতা হত্যাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে এবং তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে যুক্ত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন– পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতি সুনয়ন চাকমা, ইউপিডিএফ সদস্য থুইখোচিং মারমা।

/এএজে/আরকে/
সম্পর্কিত
বন্যায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য ১৩০০ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ 
চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী হেলালের
দেশে এত স্পট থাকার পরও বিদেশি পর্যটকের খরা কেন
সর্বশেষ খবর
‘পরীমণীকে গ্রেফতার করা যৌক্তিক ছিল না’—অভিযানের নেপথ্য জানালেন র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান
‘পরীমণীকে গ্রেফতার করা যৌক্তিক ছিল না’—অভিযানের নেপথ্য জানালেন র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান
ঢাকা মেডিক্যালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি উৎসবে শিক্ষার্থীরা
ঢাকা মেডিক্যালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি উৎসবে শিক্ষার্থীরা
৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই ভুগছেন এই সিনড্রোমে, অথচ নামই শোনেননি কেউ
৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই ভুগছেন এই সিনড্রোমে, অথচ নামই শোনেননি কেউ
ঢাবির আট বিভাগকে তিনটিতে একীভূত করার ভাবনা কতটা যৌক্তিক?
ঢাবির আট বিভাগকে তিনটিতে একীভূত করার ভাবনা কতটা যৌক্তিক?
সর্বাধিক পঠিত
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স
এখনও অন্ধকারে জাপান গার্ডেন সিটির ৯ ভবন
এখনও অন্ধকারে জাপান গার্ডেন সিটির ৯ ভবন
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল চালায়নি, তাহলে ইরানে হামলা চালালো কোন দেশ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল চালায়নি, তাহলে ইরানে হামলা চালালো কোন দেশ