বিজয়ের মাস এলেই রাজধানীতে পতাকা বিক্রি বেড়ে যায়। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই পতাকা বিক্রি হতে দেখা যায় নগরীর বিভিন্ন জায়গায়। বাস, রিকশা এমনকি বাড়ির ছাদেও টানানো হয় পতাকা। তবে এবার বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) ঘনিয়ে এলেও রাজধানীতে খুব একটা পতাকা দেখা যাচ্ছে না। বিক্রেতা মো. খোকনও পতাকা কম বিক্রি হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
খোকন বাস চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ডিসেম্বর এলেই মাদারীপুর থেকে ঢাকায় আসেন পতাকা বিক্রি করতে। বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতি ভালোবাসার টানেই পতাকা বিক্রি করি। যখন নিজের দেশের পতাকা কারও হাতে তুলে দেই, তখন খুব ভালো লাগে। দেশের পতাকা হিসেবে কম টাকায় পতাকা বিক্রি করলেও খারাপ লাগে না। কেউ পতাকা কিনলে অনেক আনন্দ পাই।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে পতাকা বিক্রি করি। প্রতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসি। ১৭ ডিসেম্বর গ্রামে চলে যাই। এছাড়া ফেব্রুয়ারি এবং মার্চেও কিছু পতাকা বিক্রি হয়।’
এবার পতাকা বিক্রিতে ভাটা পড়েছে জানিয়ে মো. খোকন বলেন, ‘দেশে নির্বাচিত সরকার নেই বলে পতাকা বিক্রি হচ্ছে কম। প্রতিবার দিনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার পতাকা ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হতো। এবার তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে।’
মো. খোকনের কাছে বিভিন্ন দামের পতাকা আছে। সর্বনিম্ন ১০টাকা থেকে শুরু করে ২৫০ টাকার মধ্যে পতাকা বিক্রি করেন তিনি। হতাশাভরা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এবার বাড়ি যাওয়ার সময় হয়তো খালি হাতেই যেতে হবে। প্রতিদিন সকালে বের হয়ে পুরো শহর ঘুরেও তেমন পতাকা বিক্রি হচ্ছে না।’









