বিজয়ের মাসেও জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ভাটা

সাজ্জাদ হোসেন
১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৩৭আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৩৭

বিজয়ের মাস এলেই রাজধানীতে পতাকা বিক্রি বেড়ে যায়। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই পতাকা বিক্রি হতে দেখা যায় নগরীর বিভিন্ন জায়গায়। বাস, রিকশা এমনকি বাড়ির ছাদেও টানানো হয় পতাকা। তবে এবার বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) ঘনিয়ে এলেও রাজধানীতে খুব একটা পতাকা দেখা যাচ্ছে না। বিক্রেতা মো. খোকনও পতাকা কম বিক্রি হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রাজধানীতে পতাকা বিক্রি করেন তিনি

খোকন বাস চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ডিসেম্বর এলেই মাদারীপুর থেকে ঢাকায় আসেন পতাকা বিক্রি করতে। বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতি ভালোবাসার টানেই পতাকা বিক্রি করি। যখন নিজের দেশের পতাকা কারও হাতে তুলে দেই, তখন খুব ভালো লাগে। দেশের পতাকা হিসেবে কম টাকায় পতাকা বিক্রি করলেও খারাপ লাগে না। কেউ পতাকা কিনলে অনেক আনন্দ পাই।’

পতাকা বিক্রেতা ও এক ক্রেতা

তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে পতাকা বিক্রি করি। প্রতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসি। ১৭ ডিসেম্বর গ্রামে চলে যাই। এছাড়া ফেব্রুয়ারি এবং মার্চেও কিছু পতাকা বিক্রি হয়।’

এই ব্যক্তি মাদারীপুর থেকে ঢাকায় আসেন পতাকা বিক্রি করতে

এবার পতাকা বিক্রিতে ভাটা পড়েছে জানিয়ে মো. খোকন বলেন, ‘দেশে নির্বাচিত সরকার নেই বলে পতাকা বিক্রি হচ্ছে কম। প্রতিবার দিনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার পতাকা ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হতো। এবার তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে।’

পতাকা ও অন্যান্য সামগ্রী

মো. খোকনের কাছে বিভিন্ন দামের পতাকা আছে। সর্বনিম্ন ১০টাকা থেকে শুরু করে ২৫০ টাকার মধ্যে পতাকা বিক্রি করেন তিনি। হতাশাভরা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এবার বাড়ি যাওয়ার সময় হয়তো খালি হাতেই যেতে হবে। প্রতিদিন সকালে বের হয়ে পুরো শহর ঘুরেও তেমন পতাকা বিক্রি হচ্ছে না।’

/আরকে/
সম্পর্কিত
জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে ছাত্রলীগ কর্মী আটক
ভাঙচুরের পর দেড় বছরেও সংস্কার হয়নি বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি
সর্বশেষ খবর
গৌরীই কি তবে আমির খানের জীবনের বনলতা সেন?
গৌরীই কি তবে আমির খানের জীবনের বনলতা সেন?
নতুন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন: হিজবুল্লাহমুক্ত জোন গঠনের সিদ্ধান্ত
নতুন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন: হিজবুল্লাহমুক্ত জোন গঠনের সিদ্ধান্ত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম