জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তা ছেড়ে দিয়েছে অটো চালকরা। সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে প্রায় ১২ টা পর্যন্ত তারা রাস্তায় অবস্থান করে। এরপর তারা বিক্ষোভ মিছিল করে তাদের কর্মসূচি শেষ করে। প্রেসক্লাবের সমাবেশ থেকে তারা বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদ, পুলিশ হয়রানী বন্ধের দাবি জানান। তাদের দাবি না মানা হলে আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে শত শত অটোচালকরা তারা তাদের কয়েকটি দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এ কারণে প্রায় পুরো রাজধানী জুড়েই সকাল থেকেই প্রায় অটো শূন্য অবস্থায় থাকে।
অটো চালক জামাল উদ্দিন জানান, অটো চার্জ দেয়ার স্থানে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদ করাসহ আমাদের কয়েকটি দাবিতে আমরা সড়ক অবরোধ করেছি। আমাদের দাবি না মানলে আমরা রাস্তা ছাড়বোনা।
তিনি বলেন, ট্রাফিক পুলিশ অটো চালকদের হয়রানী করে, ডাম্পিং করে, ধরলেই বলে ৫ হাজার টাকার মামলা দেই। এগুলো বন্ধ করতে হবে।
অটো চালক সাইফুল ইসলাম বলেন, রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে। অটো চালকদের হয়রানী বন্ধ করতে হবে। দেশে লাখ লাখ অটো চালক আছে। যারা অটো চালিয়ে জীবন জীবিকা চালায়। সুতরাং অটোতে কোনোরূপ হয়রানী করা যাবেনা। যারা অবৈধভাবে চালায় তাদের মামলা দিক। কিন্তু আমরা বৈধভাবেই চালাই। আমাদের কোনও হয়রানী করা যাবেনা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকাল থেকেই রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, মালিবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বলতে গেলে অটো চলছেইনা। সকাল থেকেই শত শত অটো চালক প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাস্তায় অবস্থান নেয়। এ সময় দুপাশেই যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে ব্যাপক জ্যামের সৃষ্টি হয়।
রমনা বিভাগের পুলিশের উপ-কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, অটোচালকরা রাস্তা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।
অটোচালকদের ধর্মঘটের সুযোগ নিচ্ছে প্যাডেলচালিত রিকশা