“খাওয়া তো লাগবি, দোকান খোলা রাখতি হবি। সরকার তো কিছু করবে না, সরকার তো খাওয়াবে না। পেটে খিদের জন্য সবকিছু করা লাগবি” ‑ কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর কদমতলীতে একটি দোকানের কর্মচারী আনিসুর রহমান। সোমবার (২ আগস্ট) পাবনা থেকে রওনা হয়ে গাবতলী দিয়ে রাজধানীতে ঢোকার সময় বাংলা ট্রিবিউনের কাছে এভাবেই নিজের কথা তুলে ধরেন আনিসুর।
তিনি বলেন, আমরা এখন দোকানপাট খুলবোই, দরকার হলে চুরি করে খুলবো, গোপনে খুলবো। পাবনা থেকে এসেছি। ঘাট পর্যন্ত আসার পর ভেঙে ভেঙে কখনও মোটরসাইকেলে, কখনও অটোরিকশায়, কখনও রিকশা করে গাবতলী পর্যন্ত এসেছি। বাকি পথ হেঁটে এবং যদি কিছু পাই ‑ সেভাবেই চলে যাব। আমাদের এখন আর করার কিছু নেই, দোকান খুলতে হবে। সেজন্যই গ্রাম থেকে শহরে আসা।
কুড়িগ্রাম থেকে আসা মহসিনুর রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হেঁটে গাবতলী দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করছিলেন। এসময় কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, গার্মেন্টস থেকে ফোন দিয়েছিল, যদি চাকরিতে যোগ না দেই তাহলে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। সেজন্য বাধ্য হয়েই আসতে হয়েছে। গতকাল (রবিবার) শুনেছি বাস চলেছে কিন্তু আমরা বাস পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই মাইক্রোবাস ভাড়া করে আসতে হয়েছে। আর মাইক্রোবাসে জনপ্রতি ভাড়া দিতে হয়েছে ১৮০০ টাকা করে। যাত্রাবাড়ী একটি গার্মেন্টসে কাজ করি। আজকে বাসায় গিয়ে কালকে থেকে কাজে যোগ দিব।









