ওসি মোয়াজ্জেমের আত্মপক্ষ সমর্থন ১৪ নভেম্বর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:০৬, নভেম্বর ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:১৩, নভেম্বর ১২, ২০১৯

ওসি মোয়াজ্জেম (ফাইল ছবি)ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। আদালত আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ১৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রীমা সুলতানার জেরা শেষে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেন।

এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ জেরা শেষ করেন। এরআগে, সোমবার (১১ নভেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জেরা শুরু হয়। ওই দিন জেরা শেষ না হওয়ায় বিচারক মঙ্গলবার পরবর্তী জেরার জন্য দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শামীম বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান। এদিন মামলার বাদী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন ও আসামি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন আদালতে হাজির ছিলেন। এ পর্যন্ত মামলার ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

এর আগে, ১৭ জুলাই অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩১ জুলাই দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত, ২৭ মে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রীমা সুলতানা মামলার ১২৩ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দেন ট্রাইব্যুনালে। এরপর বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে গত ১৬ জুন দুপুরে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরদিন ১৭ জুন তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

উল্লেখ্য, ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন নুসরাত জাহান রাফি। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই মামলায় নুসরাতের বক্তব্য গ্রহণের সময় তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে। ৬ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাতকে কৌশলে একটি ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। পাঁচ দিন পর ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মারা যান।

/টিএইচ/টিটি/

লাইভ

টপ