খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:১৯, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৩, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

খালেদা জিয়া

আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট (স্বাস্থ্য প্রতিবেদন) সুপ্রিম কোর্টে এসে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ড. কনক কান্তি বড়ুয়া। তবে রিপোর্টটি পাওয়ার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি কোর্ট প্রশাসনের কেউই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে প্রতিবেদনটি জমা দেয়। রিপোর্টে ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও সুপারিশ করেছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য ড. কনক কান্তি বড়ুয়া বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তা তানিয়া আজ বিকাল সাড়ে তিনটার সময় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

তবে রিপোর্ট পাওয়ার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমানও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।
এর আগে ৫ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট দাখিলের জন্য বুধবার (১১ ডিসেম্বর) এবং শুনানির জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রিপোর্টটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে পৌঁছানো হয়।

এর আগে চ্যারিটেবল মামলায় ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করেছিলেন। এরপর ১৪ নভেম্বর হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন তার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ১৪০১ পৃষ্ঠার ওই আপিল আবেদন দাখিল করা হয়। ওই আপিলের শুনানি নিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন চেয়ে মামলার কার্যক্রম আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছিলেন আপিল আদালত।

প্রসঙ্গত, ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে হাইকোর্ট অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন।

এরপর ২০ জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।

/বিআই/জেএ/এনআই/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ