বিদেশে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য গোপন করেছেন তাবিথ আউয়াল?

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৪৪, জানুয়ারি ২২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৪, জানুয়ারি ২৫, ২০২০

তাবিথ আউয়াল (ছবি: সাদ্দিফ অভি)

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ মোহাম্মদ আউয়াল দেশের বাইরে থাকা একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য নির্বাচনি হলফনামায় গোপন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাবিথ আউয়ালের সিঙ্গাপুর ও বারমুডায় দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রার্থীর দেশে-বিদেশে যেখানেই স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থাকুক না কেন তা হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে। তবে এ নিয়ে তাবিথ আউয়াল কথা বলতে চাননি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত এনএফএম এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেড নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য নির্বাচনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি তাবিথ আউয়াল। তবে সিঙ্গাপুরের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড করপোরেট রেগুলেটরি অথরিটি (এসিআরএ) ও করপোরেট কমপ্ল্যায়েন্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল প্রোফাইল অফ এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট লিমিটেডের তথ্য বলছে, এনএফএম এনার্জির রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলো ২০০৮১৩৭২০সি। নিবন্ধন হয় ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই। তথ্যে কোম্পানির প্রতিষ্ঠা, মালিকানা, বিনিয়োগ, ব্যবসার ধরনসহ বিস্তারিত উল্লেখ আছে।

তথ্য অনুযায়ী, এনএফএম এনার্জির মালিকানায় লাল তীর সিড লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম আছে। তাবিথ তার নির্বাচনি হলফনামায় নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাল তীর সিডের তথ্য উল্লেখ করলেও এনএফএম এনার্জির তথ্য উল্লেখ করেননি। সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত এই কোম্পানিটির মালিকও তাবিথ আউয়াল।

নির্বাচনি হলফনামায় এনএফএম এনার্জির তথ্য না থাকার বিষয়ে জানতে তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তাবিথ আউয়ালের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুজাহিদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি (তাবিথ আউয়াল)। এ বিষয়ে এখন কথা বলবেন না তিনি। 

এদিকে, ‘দুর্নীতি’র প্যারাডাইস পেপারসে বারমুডায় এনএফএম এনার্জি লিমিটেড কোম্পানি নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে অর্থপাচারের ঘটনারও যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তারও অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাবিথ আউয়াল ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিষ্ঠানটির মালিক। প্যারাডাইস পেপারস প্রকাশ হয় ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বরে। এনএফএম এনার্জি নামে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিভিন্ন দেশে এমএলএআর (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স রিক্যুয়েস্ট) পাঠিয়েছে দুদক। তবে এমএলএআর -এর জবাব এখনও আসেনি, তাই অনুসন্ধান সেভাবে এগুতে পারছে না বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

প্যারাডাইস পেপারসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের ৯ আগস্ট বারমুডায় ‘এনএফএম এনার্জি লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠান খুলে গোপনে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন তাবিথ ও তার পরিবারের সদস্যরা।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বারমুডায় নিবন্ধিত এনএফএম’র মালিকানায় তাবিথ আউয়ালকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত নাগরিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর সিঙ্গাপুরে কোম্পানির নিবন্ধনে তাবিথকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট লিমিটেড:

সিঙ্গাপুরে ২০০৮ সালে যৌথ মালিকানায় নিবন্ধিত এনএফএম কোম্পানির ১ হাজার শেয়ারের মধ্যে ৩৪০টি শেয়ারের মালিক তাবিথ আউয়াল। বাকি ৬৬০টি শেয়ারের মধ্যে তাবিথের ভাই তাফসির মোহাম্মদ আউয়াল ৩৩০টি ও তাজওয়ার মোহাম্মদ আউয়াল ৩৩০টি শেয়ারের মালিক। কোম্পানির প্রোফাইলে তাবিথকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার দুই ভাইয়ের পরিচয়ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এনএফএম এনার্জির (সিঙ্গাপুর) পরিচালক হিসেবে সিঙ্গাপুরের এক নাগরিক রয়েছেন।

নির্বাচনি হলফনামায় তাবিথ তার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণাধীন যে ৩৭টি কোম্পানির তালিকা দিয়েছেন সেখানে এনএফএম’র নাম নেই।

সিঙ্গাপুরের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড করপোরেট রেগুলেটরি অথরিটি (এসিআরএ) ও করপোরেট কমপ্ল্যায়েন্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল প্রোফাইল অফ এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট লিমিটেডের তথ্য বলছে, ‘ট্রেডিং ইন প্রাইমারি প্রডাক্টস অ্যান্ড প্রসেসড ফুড’ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এনএফএম এনার্জি। ব্যবসায়িক তৎপরতা হিসেবে উল্লেখ আছে ‘হোলসেল ট্রেড অফ এ ভ্যারাইটি অফ গুডস উইদাউট এ ডমিন্যান্ট প্রডাক্টস’-এর তথ্য। এনএফএম এনার্জি জ্বালানি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতেও বিনিয়োগ করে বলে জানিয়েছে এসিআরএ।

তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (বিপিসিএল) নামের প্রতিষ্ঠানে মালিকানা আছে এনএফএম এনার্জির। আর  লাল তীর সিড লিমিটেডের মালিকানা আছে এনএফএম এনার্জিতে। এনএফএম এনার্জির সাম্প্রতিক প্রকাশিত আর্থিক বিবরণী থেকে জানা যায়, কোম্পানির বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ২১ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৭ মার্কিন ডলার।

এনএফএম এনার্জি বিপিসিএল’র একটি বড় অংশের মালিক কিন্তু তাবিথ তার নির্বাচনি হলফনামায় তা উল্লেখ করেননি। এসিআরএ’র তথ্য অনুযায়ী, এনএফএম এনার্জিতে লাল তীর সিডের মালিকানা আছে। তবে নির্বাচনি হলফনামায় এনএফএম এনার্জির তথ্য উল্লেখ করেননি তাবিথ। তবে লাল তীর সিডের তথ্যই উল্লেখ করেছেন। 

প্যারাডাইস পেপারসে উল্লিখিত দুর্নীতির তথ্য:

২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর ফাঁস হয় প্যারাডাইস পেপারসের ১ কোটি ৩৪ লাখ নথি। এসব নথি জার্মান দৈনিক সুইডয়েচে সাইটং হাতে পাওয়ার পর তা ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয়। সব নথিই বারমুডাভিত্তিক আইন সহায়তা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলবির।

প্যারাডাইস পেপারসে এনএফএম এনার্জি লিমিটেড নামে বারমুডায় নিবন্ধিত একটি কাগুজে কোম্পানির শেয়ারধারী হিসেবে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টুর নাম প্রকাশ হয়। এনএফএম এনার্জির শেয়ারধারী হিসেবে মিন্টুর স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, তাদের তিন সন্তান তাবিথ মোহাম্মদ আউয়াল, তাফসির মোহাম্মদ আউয়াল ও তাজওয়ার মোহাম্মদ আউয়ালেরও নাম আছে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মাল্টিমোড গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার স্ত্রী ভাইস চেয়ারম্যান এবং তিন ছেলে এই গ্রুপের পরিচালক। প্যারাডাইস পেপারসে কাগুজে কোম্পানি হিসেবে এনএফএম এনার্জি লিমিটেডের সঙ্গে মিন্টু ও তার পরিবারের সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রকাশ হয়।

প্যারাডাইস পেপারসে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদের তথ্য প্রকাশের ঘটনায় ২০১৮ সালের ৮ মে তাবিথ আউয়ালকে চার ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা আখতার হামিদ ভূঁইয়া। একই ঘটনায় ওই বছরের ৫ নভেম্বর তাবিথের বাবা আবদুল আউয়াল মিন্টুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। সাত ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

আইসিআইজে’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের বরাদ দিয়ে দুদক জানায়, প্যারাডাইস পেপারসে তাজওয়ার ছাড়া মিন্টু পরিবারের চার সদস্যের বিবরণেই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তাবিথ মোহাম্মদ আউয়াল তার সম্পদ যদি অনুমতি ছাড়া বিদেশে নিয়ে থাকেন, তাহলে তিন ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। হলফনামায় প্রকাশ না করা এক ধরনের অপরাধ, নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো বিষয়টি খতিয়ে দেখা। যদি বিষয়টি প্রমাণ হয়, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল হবে। আর যদি নির্বাচিত হয়েও যান, তাহলে তার নির্বাচিত হওয়াটাও বাতিল হয়ে যাবে।

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘যদি তার (তাবিথ আউয়ালের) বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্য সম্পদ পাওয়া যায়, তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। যেহেতু হলফনামায় ঘোষণা করা হয়নি, সেহেতু এই সম্পদ অবৈধ। তিনি বলেন, সরকারের অনুমতি ছাড়া অর্থ বিদেশে নিয়ে থাকলে সেটি মানিলন্ডারিং অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ তার মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, অর্থপাচার, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়া, এই তিন ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের তৎপরতার মাধ্যমে অপরাধ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশের কোনও প্রতিষ্ঠানে যেকোনও পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হলে অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে। যদি কেউ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে অর্থ নিয়ে যায়,তাহলে সেটি হবে মানিলন্ডারিং অপরাধ। তবে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক যদি বিদেশে আয় করে বিদেশেই বিনিয়োগ করে, তাহলে কোনও অপরাধ হবে না।

তিনি বলেন, বিদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময়ই নিরুৎসাহিত করে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা যেন দেশেই বিনিয়োগ করতে পারেন, সে জন্য তাদের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশে যদি কেউ সম্পদ রেখে থাকে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে রাখতে হয়। অনুমোদন না নিয়ে বিদেশে সম্পদ রাখলে বা গড়লে তা অবৈধ। সেক্ষেত্রে তথ্য গোপনের বিষয়টি যথাযথভাবে দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের।

২০১৪ সালের তুলনায় তাবিথের সম্পদ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০১৪ সালেও বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ছিলেন তাবিথ আউয়াল। ২০১৯-২০ সালে একই দলের প্রার্থী হিসেবে যে হলফনামা তিনি জমা দিয়েছেন তাতে দেখা গেছে, আগের (২০১৪ সালের) হলফনামার তুলনায় ৫ বছরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগের হলফনামার তথ্যানুসারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল ১৭টি, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭টিতে। হলফনামার তথ্য অনুসারে, তার বার্ষিক আয়ও বেড়েছে তিনগুণের মতো। আগের হলফনামায় তার নিজের গাড়ি থাকার কোনও তথ্য ছিল না, এবার জানানো হয়েছে তাবিথের একটি লেক্সাস গাড়ি রয়েছে। এর দাম দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বর্তমানে তাবিথের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৫ কোটি ৬০ লাখ ৮ হাজার ৩১৭ টাকার। ৫ বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৩১ কোটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৪৫৩ টাকার। বর্তমানে তাবিথের স্ত্রীর রয়েছে দুই কোটি ৩০ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৮ টাকার সম্পত্তি ও ৬০ ভরি সোনা।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাবিথের বার্ষিক আয় ৪ কোটি ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯১ টাকা। ২০১৫ সালের হলফনামা অনুযায়ী তখন তার আয় ছিল এক কোটি ৬০ লাখ ৩৮ হাজার ১৬৪ টাকা।

 

/ডিএস/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ