আদালত পরিবর্তন চাওয়া মিন্নির আবেদনের শুনানি ২৪ ফেব্রুয়ারি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:১১, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১৩, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার আদালত পরিবর্তন চেয়ে তার (রিফাতের) স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির করা আবেদনের ওপর আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মুজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মিন্নির মামলাটি বরগুনার দায়রা আদালত থেকে ঢাকার দায়রা আদালতে বদলির জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়।

তবে এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও মামলা বাতিল চেয়ে করা রিফাতের স্ত্রী মিন্নির আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। মিন্নির আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন।

তার আগে গত ১ জানুয়ারি এ মামলায় রিফাতের অভিযুক্ত স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ওই একই বছরের ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর কয়েক দফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালতে জামিন মেলেনি মিন্নির। পরে একই মামলায় গত ২৯ আগস্ট মিন্নি হাইকোর্টে জামিন পান।

/বিআই/এপিএইচ/এমওএফ/

লাইভ

টপ
X