পাপিয়ার মামলা ডিবিতে, জিজ্ঞাসাবাদ করতে র‌্যাবের আবেদন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:৪২, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৪৬, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

শামীমা নূর পাপিয়া (ছবি: সংগৃহীত)যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পাপিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে র‌্যাব।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলাগুলো ডিবি উত্তর বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির উপ- পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মো. মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, থানায় দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করবে ডিবি।
পাপিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক শাফী উল্লাহ বুলবুল। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। কিন্তু আদালতে হাজির করার কারণে অনেক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রাথমিকভাবে সম্ভব হয়নি। বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই।’
তদন্তভার পেলেও এখনও পাপিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি বলেন, ‘র‌্যাবের দায়ের করা তিনটি মামলা ডিবিতে হস্তান্তর হয়েছে। পাপিয়া ১৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছে। গতকালই মামলা ডিবিতে আসায় জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ হয়নি। পাপিয়ার সঙ্গে কারা জড়িত, কারা ইন্ধনদাতা, তার অর্থের উৎস কী, তার এত বেপরোয়া আচরণের পেছনে শক্তির উৎস কী— সবই তদন্ত করে দেখা হবে। এমনকি অনৈতিক বিষয় থাকলেও তদন্ত করে দেখা হবে।’
গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন ও টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। বাকিরা হলেন পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)। এরপর রাজধানীর ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে ও নরসিংদীতে বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়িসহ তাদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। অভিযানে ইন্দিরা রোডে পাপিয়ার বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র আইনে একটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।

/আরজে/এইচআই/

লাইভ

টপ