ভুল তথ্য বা বিশ্লেষণ আমাদের দিক থেকে হবে না: আইইডিসিআর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:৫১, মার্চ ৩০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৫৪, মার্চ ৩০, ২০২০

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা (ফাইল ফটো)

কোভিড-১৯ নিয়ে কোনও ধরনের ভুল তথ্য বা ভুল বিশ্লেষণ তাদের দিক থেকে হবে না বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

সোমবার (৩০ মার্চ) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশ্নত্তোর পর্বে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. জাহিদ মালেক।

কোভিড-১৯ শনাক্তে যেসব কিট এসেছে সেগুলো পরীক্ষা করে নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করছি— পরীক্ষা না করে কোনও কিট ব্যবহার করছি না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে স্ট্যান্ডার্ড কিট রয়েছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত কিটের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই সেগুলোকে পুরোপুরি মাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে। সুতরাং আশ্বস্ত থাকতে পারেন, কোনও রকমের ভুল তথ্য বা ভুল বিশ্লেষণ আমাদের দিক থেকে হবে না।’

আইইডিসিআরের পরীক্ষা করার সক্ষমতা কতখানি প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় বলেছি, বাংলাদেশের অন্য ল্যাবরেটরির দিকে তাকাতে হবে না, আইইডিসিআরই একদিনে এক হাজার টেস্ট করাতে পারে। তবে টেস্ট কম করা হচ্ছে বলে যে কথাটি বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার করতে চাই, আমরা যাদের করোনা আছে মনে করছি… সাসপেক্টেড কেস করোনা, তাদের প্রত্যেককে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই সাসপেক্টেড কেসের সংখ্যার ওপরই নির্ভর করবে পরীক্ষা কতখানি হবে। লক্ষণ-উপসর্গ না থাকলে পরীক্ষার প্রয়োজন নাই। যাদের লক্ষণ-উপসর্গ রয়েছে এবং মনে হবে করোনা, তাদের বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করে, তারা কারা— তাদেরই পরীক্ষা করা হবে এবং সেই সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘গত দুই দিন (২৮ ও ২৯ মার্চ) পরপর রোগী শনাক্ত হয়নি। কিন্তু তাতে অনেকে মনে করেছেন, বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে। এটা বৈশ্বিক সমস্যা, যতদিন পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখে সারাবিশ্বে যতক্ষণ পর্যন্ত শূরন্যর কোটায় না আসবে, ততদিন পর্যন্ত যে প্রতিরোধে কার্যক্রমগুলোর কথা বলা হচ্ছে, সময় বিশেষে তা পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু প্রতিটি প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আমাদেরকে অনুসরণ করে চলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘তাই একদিন কেস না পাওয়া গেলে ঝুঁকিমুক্ত হয়ে গেছি বলে ধরে নেওয়া যাবে না। আমরা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের জন্য সবার্ত্মকভাবে চেষ্টা করছি এবং সেখানে জনগণের অংশগ্রহণ অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। যাদেরকে বাড়িতে থাকতে বলা হচ্ছে তাদেরকে বলছি— বাড়িতে থাকতে হবে, ঘরে থাকুন। এটা অত্যন্ত জরুরি। কেউ বেরিয়ে পড়বেন না। সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্যই এসব নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। অনুরোধ করছি, ঘর থেকে কেউ বের হবেন না।’

/জেএ/এপিএইচ/

লাইভ

টপ