প্রকৌশলী দেলোয়ারের সহকর্মীর ৫ দিনের রিমান্ড, চালকসহ ২ জনের জবানবন্দি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২১ মে ২০২০, ২২:২১আপডেট : ২১ মে ২০২০, ২২:২৬

প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (অঞ্চল-৭) নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন (৫০) হত্যা মামলায় সিটি করপোরেশনের গাড়িচালক হাবিব এবং শাহিন হাওলাদার নামে দুই জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৌশলী দেলোয়ারের সহকর্মী সহকারী প্রকৌশলী সেলিম হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) তুরাগ থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামি হাবিব ও শাহিন হাওলাদারকে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের জন্য আদালতে হাজির করেন। পরে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তা অপর আসামি প্রকৌশলী সেলিম হোসেনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরআগে, বিকালে প্রকৌশলী মাে. সেলিম হোসেন, চালক হাবিব ও শাহিন হাওলাদারকে গ্রেফতারের তথ্য জানান উত্তরা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কামরুজ্জামান সরদার।

কামরুজ্জামান সরদার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জেনেছি পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনকে হত্যা করা হয়। গাজীপুর সিটির সহকারী প্রকৌশলী সেলিম স্বীকার করেছেন যে, তিনি প্রকৌশলী দেলােয়ারকে গাড়িতে তুলে নেন। পরে তিনি পাশে বসেন এবং ভাড়াটে খুনি শাহিন দেলােয়ার হােসেনের ঠিক পেছনের সিটে বসে আকস্মিকভাবে ভিকটিমের গলায় রশি জড়িয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যার পর ১৭ নম্বর সেক্টরের খালি প্লটে রাস্তার পাশে লাশ ফেলে দিয়ে ভিকটিমের ফোনটি লেকে ফেলে দেয় তারা। ঘটনার আগের দিন সেলিম ও শাহিন পল্লবীর লালমাটিয়া এলাকার একটি দোকান থেকে ১০০ টাকা দিয়ে রশিটি কেনে।

গত ১১ মে বিকাল ৪টায় উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের ফাঁকা জায়গায় অজ্ঞাতনামা একটি লাশ পাওয়া যায়। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে জানা যায় নিহত ব্যক্তি দেলােয়ার হােসেন (৫০)। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-৭)। পরে নিহতের স্ত্রী মােছা. খােদেজা আক্তার (৪২) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে তুরাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

/টিএইচ/আরজে/এনএল/টিটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিজয় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম ট্রেন চলাচল বন্ধ
বিজয় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম ট্রেন চলাচল বন্ধ
বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি ঘাটতি নেই, গ্রাহকরা বলছেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়
বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি ঘাটতি নেই, গ্রাহকরা বলছেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়
কবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৬
পোলিশ আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবকবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৬
সংবিধান সংশোধনের পথেই হাঁটছে বিএনপি, কী করবে জামায়াত 
সংবিধান সংশোধনের পথেই হাঁটছে বিএনপি, কী করবে জামায়াত 
সর্বাধিক পঠিত
‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ জানেন না অনেকেই, সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ জানেন না অনেকেই, সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বিষয়ে সতর্ক করলো বিআরটিএ
মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বিষয়ে সতর্ক করলো বিআরটিএ
মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা
মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা
১৩ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরলেন ওয়াহিদুজ্জামান
১৩ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরলেন ওয়াহিদুজ্জামান
মির্জা আব্বাসের সংসদে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন
মির্জা আব্বাসের সংসদে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন