কঠিন বর্জ্য হ্রাসে ‘জিরো ওয়েস্ট’ প্রকল্প

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:৩১, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩৩, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২০

বাংলাদেশে শহরাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫ হাজার টন কঠিন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে বেশিরভাগ বর্জ্যই সংগ্রহ করা হয় না। ২০২৫ সাল নাগাদ দৈনিক এই বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ৪৭ টনে গিয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। তাই বর্জ্য হ্রাস এবং দৈনন্দিন অভ্যাসের পরিবর্তন এনে যাতে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয় সেজন্য ‘বিল্ডিং জিরো ওয়েস্ট কম্যুনিটিস ফর অ্যা পলিউশন ফ্রি এনভায়রনমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক অনলাইন আলোচনায় একথা জানানো হয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

এসডো জানায়, এই আলোচনা সভার উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য এবং বাস্তবায়ন কৌশলগুলি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমে জানানো। এছাড়া সভায় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে প্রকল্প সম্পর্কে তাদের মতামত গ্রহণ করা ।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, 'প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হচ্ছে যার সঠিক ব্যবস্থাপনা হচ্ছে না। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সবরকম সহায়তা প্রদান করবে।'

গায়া এশিয়া প্যাসিফিকের শিবু নায়ার বলেন, 'জিরো ওয়েস্ট একটি খুব আকর্ষণীয় প্রকল্প এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য আমি যে কোনও ধরণের সমর্থন নিয়ে সর্বদা এসডো এর পাশে থাকবো। এসডো টিমের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশ সরকারকে এই প্রকল্পটি সমর্থন করার জন্য অনুরোধ জানাতে চাই কারণ আমি বিশ্বাস করি যে এসডো টিম সফলভাবে সারা দেশে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।'

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ড. এ কে এম রফিক আহমেদ বলেন, 'আমরা সবাই বর্জ্যমুক্ত পরিবেশ চাই। কিন্তু নিজের শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে খুব কম লোকই এগিয়ে আসে। আমি মনে করি একটি পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়তে আমাদের সবার স্বতন্ত্রভাবে কাজ করা উচিত।'

এসডো চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ জানান, এই প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর মডেল দাঁড় করানো এবং প্রকল্পের কার্যক্রম কার্যকরী কিনা তা পরীক্ষা করা। এসডো টিম প্রকল্পের সর্বোত্তম ফলাফল নিয়ে আসতে সমস্ত বাধাবিপত্তি কাটিয়ে উঠতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে এসডো’র মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন; নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানাসহ এসডো’র অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসও/এএইচ/

লাইভ

টপ