নৌ-সেক্টরের অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:২৭, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৭, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০

কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ননৌ-শ্রমিক ও নৌ-সেক্টরের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনটি আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চল ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী পথে ও ঘাটে নিয়মিত চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। এদের হাত থেকে নৌ-শ্রমিকদের রক্ষা করতে না পারলে নৌ-সেক্টর দুষ্কৃতিকারীদের হাতে হারিয়ে যাবে। ধ্বংস হবে নৌ-পরিবহন সেক্টর। দেশের বিভিন্ন সংস্থার দেওয়া টোল-ট্যাক্স, ইজারার নামে নৌ-শ্রমিকদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করছে কিছু চক্র।

তারা আরও বলেন, মিরপুর-গাবতলী-আশুলিয়া-রুস্তমপুর এলাকায় নদীর দুই পাড়ে বেঁধে রাখা জাহাজগুলোর কারণে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন হয় এবং অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। ঢালাওভাবে সব ছোট বড় বাল্কহেড-কার্গো-ট্রলারে তৃতীয় শ্রেণির মাস্টার বা মাস্টার ড্রাইভার দিয়ে সার্ভিস রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে নির্দেশনা চাপিয়ে না দিয়ে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটা ক্যাটাগরি বা সিস্টেমে করা প্রয়োজন। এতে ছোট বড় নির্ণয় করে একেবারে ছোট ট্রলারগুলোকে আলাদা সার্টিফিকেট দিয়ে সার্ভের চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে। প্রয়োজনে সাময়িক চলার জন্য একটি নীতিমালা ও দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ীভাবে চলার একটা ধারাবাহিক নীতিমালা গ্রহণ করা যেতে পারে।

তারা দাবি জানিয়ে বলেন এই অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে নৌ-পরিবহন সেক্টরে সরকারের নজর দেওয়া জরুরি। একইসঙ্গে নৌ শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। আর নৌ-শ্রমিকদের প্রস্তাবিত ১০ দফা দাবি মেনে না নিলে সামনে কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে ইউনিয়নটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বেপারীরসহ অন্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এইচএন/আইএ/

লাইভ

টপ
X