X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

বাংলাদেশে কী হচ্ছে, জানতে চায় ভারত: আমীর খসরু

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৮, ১৭:১৯





আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন সদস্যের ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ ও বাস্তবসম্মত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বিএনপির এই ডিসপোস অব্যাহত থাকা প্রয়োজন। তথ্য বিভ্রাট ও প্রপাগান্ডার মাধ্যমে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তা দুদেশের মধ্যে সুসর্ম্পকের জন্য মোটেও ভালো নয়। এজন্য দুই পক্ষকেই আলোচনার এই নতুন ধারা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন সাবেক এই বাণিজ্যমন্ত্রী।


বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি বিএনপির প্রতিনিধি দলের ভারত সফর ও সেখানে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। ভারত সফরের পর এ বিষয়েই প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে ব্যাখ্যা দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু।। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি জানান, ভারত সফরের নানা খুঁটিনাটি ও এর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে। আমীর খসরু কথা বলেছেন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়েও। সাক্ষাৎকারের উল্লেখযোগ্য অংশ—

বাংলা ট্রিবিউন: ভারত সফরে আপনি কবে গিয়েছিলেন?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: এ মাসের ৩ জুন।
বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশ থেকে কি প্রতিনিধি দল একসঙ্গে গিয়েছেন?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী:  না, একজন তো (তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির) লন্ডন থেকে এসেছেন। মিন্টু (আব্দুল আউয়াল মিন্টু,বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান) আর আমি একদিনের ব্যবধানে গিয়েছি। আমরা সেখানে গিয়ে মিট করেছি। এটা তো ডেলিগেশন না।
বাংলা ট্রিবিউন: কাদের আমন্ত্রণে ভারতে গিয়েছিলেন?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: কয়েকটা থিংক ট্যাংকের আমন্ত্রণে গিয়েছি। আমরা বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট, বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন, আইডিএস-এটা ভারত সরকারের থিংক ট্যাংক, ওআরএফ, কংগ্রেসের রাজীব গান্ধী কনটেম্পোরারি ইনস্টিটিউট নামে একটা থিংক ট্যাংক আছে।
বাংলা ট্রিবিউন: কতদিন ছিলেন ভারতে?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: আমরা ৫/৬ দিন ছিলাম। পুরোটা সময় দিল্লিতেই ছিলাম। এই সফরে বিজেপি সরকারের বা কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে আমাদের কথা হয় নাই। অনেক সাংবাদিকের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা আমাদের কাছে এসেছে।
বাংলা ট্রিবিউন: থিংক ট্যাংকগুলোর সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: সেটা হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে ওরা জানতে চাচ্ছে, বাংলাদেশে কী হচ্ছে। ওখানে ওদের গবেষকরা আলোচনার ক্ষেত্র হিসেবে নিয়েছে, যাতে করে এই ইস্যুগুলো হিসেবে তাদের কাছে ক্লিয়ার হয়। সুতরাং, এই তিনটা আলোচনার ক্ষেত্রকে সামনে রেখে আমরা সেখানে বক্তব্য দিয়েছি। ওখানে প্রশ্নোত্তর দিয়েছি, আলোচনা হয়েছে। তাদের একটা রোল আছে। তাদের নীতি-নির্ধারক যারা, তাদের কাছে তথ্যগুলো তো যায়। এই বিষয়গুলোতো তাদেরও জানা দরকার। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের যে পারসেপশন আছে, একটা ভুল বোঝাবুঝি আছে যে, আজকে যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে আছে, জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে আবার ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে, ‘এই স্বৈরশাসককে ভারত ক্ষমতায় রাখতে সহায়তা করেছে’, এটা বাংলাদেশে প্রচার আছে, মানুষের বিশ্বাস আছে। এই জিনিসগুলো আলোচনায় এসেছে। দুই দেশের সম্পর্ক আছে মানুষের সঙ্গে মানুষের, দেশের সঙ্গে দেশের। এটা তো কোনও দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গে হতে পারে না এবং দল ও গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক থাকলে, সেটা কখনও টেকসইও হবে না। বন্ধুত্বও হতে পারে না। আর এটার জন্যই দুই দেশের যে প্রকৃত সম্পর্ক সেটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটাকে যদি আবার ভালো সম্পর্কে ফিরিয়ে আনতে হয়, তবে বিশ্বাসযোগ্যতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর জাতিসংঘের যে চার্টার ও মৌলিক অধিকার, তা বাংলাদেশে অনুপস্থিত। জনগণ ভোটাধিকার হারিয়েছে। ইউনিভার্সাল হিউম্যান রাইটসের পরিপন্থী একটা অবস্থান বাংলাদেশে আছে।
বাংলা ট্রিবিউন: বিগত দিনে ভারতের সঙ্গে বিএনপির দূর-সম্পর্কের বিষয়ে সংবাদপত্রে বা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আছে। আপনাদের সফরের মধ্য দিয়ে এই ঘাটতি কতটা পূরণ হবে বলে আপনার মনে হয়?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: এটা একটা বস্তুনিষ্ঠ ও বাস্তবসম্মত আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। এই ডিসপোস অব্যাহত থাকা প্রয়োজন। এই কারণে যে, এখানে তথ্য বিভ্রাট ও প্রপাগান্ডার মাধ্যমে যে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, তা দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্কের জন্য মোটেই ভালো নয়। এবং ভারতে এই বিষয়গুলোও আলোচিত হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখা দুই পক্ষের জন্য প্রয়োজন।
বাংলা ট্রিবিউন: আপনাদের সফর নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারি দলের তরফে বলা হচ্ছে—সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থ নিয়ে কোনও আলোচনা করেননি, বরং নির্বাচনের জন্য সহায়তা চাইতে গেছেন। সরকারি দলের নেতারা বলছেন, তারা নির্বাচনের জন্য ভারত বা অন্য কোনও দেশের শরণাপন্ন হন না।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: অবশ্যই আলোচনা হয়েছে। পরিষ্কারভাবে আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যে সম্পর্কগুলো আছে, তা সম্পূর্ণ টেবিলের ওপর রাখতে হবে এবং ক্রমান্বয়ে সমাধান হতে হবে।সম্পর্ক অব্যাহত থাকার জন্য এগুলো সমাধান হওয়া প্রয়োজন। একথাগুলো বলি বলেই আমাদের ভারতবিরোধী বলা হয়। কিন্তু এটা বাংলাদেশের পক্ষের অবস্থা। একটি রাজনৈতিক দলের কাজ হচ্ছে দেশ, জাতি ও মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা। এবং অন্য দেশের যে দর্শন তার প্রতিও আমাদের সম্মান জানানো উচিত এবং এটা মিটমাট হওয়া উচিৎ দুই দেশের। এগুলোর সমাধান হওয়া উচিৎ দুই দেশেরই। এই্ কথাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে। নির্ভরতা আওয়ামী লীগের আছে কিনা, তা বাংলাদেশের মানুষই ভালো বলতে পারবে। আওয়ামী লীগের নির্ভরতা দুই জায়গায়। একটা হচ্ছে— রাষ্ট্রের কিছু সংস্থার ওপর, আরেকটা হচ্ছে— অন্য দেশের ওপরে। আর বিএনপির নির্ভরশীলতা হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের ওপরে। বিএনপি বাংলাদেশে একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রর্বতন করেছে। বিএনপি বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বহুদলীয় সংসদ ব্যবস্থা প্রর্বতন করেছে। বিএনপি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। বিএনপিনেত্রী জেলে আছেন, দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে আনার জন্য। সুতরাং আমরা নিশ্চিত আমাদের নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের মানুষের জন্য।

বাংলা ট্রিবিউন: কিন্তু এটা তো প্রচার আছে, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপাসনের দেখা না করা, ১০ ট্রাক অস্ত্র কিংবা নানা কারণে বিএনপির সঙ্গে ভারতের দূরত্ব রয়েছে?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: কেউ কাউকে দোষারোপ করতে চাইলে আমরা অনেকগুলো কারণেই দোষারোপ করতে পারবো। আমি সেগুলো তুলে ধরতে চাই না। কারণ, এগুলো দু’দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না। বহু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো দোষারোপ করে যাওয়ার মতো। সুতরাং এগুলো পেছনে রেখে আমাদের সামনে এগোতে হবে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশের মানুষের জন্য আমাদের সামনে এগোতে হবে এবং  তা আমাদের স্বকীয়তা বজায় রেখে।
বাংলা ট্রিবিউন: ভারতেই আপনাদের প্রতিনিধি দলের সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির ৮০ ও ৯০ এর পররাষ্ট্র নীতি থেকে সরে আসার কথা বলেছেন? এটা নিয়ে তো দলে ক্ষোভ আছে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: আমি তো সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেছেন, ‘বিগত দিনে এই দুই দেশের মধ্যে যে ভুলত্রুটিগুলো হয়েছে, তা পেছনে রেখে আমাদের সামনের দিনে এগিয়ে যেতে হবে।’ কেউ যদি সেটাকে মনের মাধুরী মিশিয়ে অন্য কিছু লিখে, তাহলে তো কিছু করার নেই। আমাদের অবস্থান কখনও কোনও দেশের কাছে যেন নত না হয়। এটা পরিষ্কার করা দরকার। বিএনপির শির সবসময় উঁচু করে চলার অভ্যাস। কারা নত হয়, তা বাংলাদেশের মানুষ জানে।
বাংলা ট্রিবিউন: এবার কারাবন্দি খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাই, চলমান আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার মুক্তি কতটা তরান্বিত হবে?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: তার (খালেদা জিয়া) পুরো আন্দোলনটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের। এই জন্যই তিনি জেলে। বাংলাদেশের যে অপশনটা আছে, সেটা সরকার বন্ধ করে দিতে চাচ্ছে। আর সেই অপশনটা হচ্ছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও খালেদা জিয়া। তাকে জেলে ঢুকিয়ে দিয়ে একদলীয়ভাবে জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। এখানে মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাবার, দেশের মালিকানা ফিরে পাবার ও জেল থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার একই উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে। এই  সরকার বর্তমানে স্বৈরশাসক হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে। তারা মানবাধিকারবিরোধী কাজ করেছে। তারা আইনের শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলছে। তারা বাক স্বাধীনতা বন্ধ করে দিয়েছে এবং গণমাধ্যমের বাক স্বাধীনতা মানুষের কাছে এখন প্রশ্নবিদ্ধ। সারাবিশ্বের মানবাধিকার সংস্থা কী বলছে, জাতিসংঘের জেনেভা রিপোর্ট কী বলছে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রেজ্যুলেশন কী বলছে, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট রিপোর্ট কী বলছে, আজ  বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বের অবস্থান কোথায়। তারা (সরকার) বাংলাদেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সুতরাং, বিএনপির রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে। আমাদেরকে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হয়। যতদিন সেই বিজয় ছিনিয়ে আনা না হবে, ততদিন বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, বাক স্বাধীনতা, জীবনের নিরাপত্তা ফিরে আসবে না।
বাংলা ট্রিবিউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনের আগেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন এবং নির্বাচনে অংশ নেবেন। তার এই প্রত্যাশা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: না, না, মুক্তি পাবে কী, পাবে না এটা তারা কী করে ঠিক করছে। তাহলে তো বাংলাদেশে  আইনের শাসন তারা নির্ধারণ করছে না। এটা দিয়ে কিন্তু তারা নির্ধারণ করছেন যে, বাংলাদেশে আইনের শাসন নাই। আজকের বিচার বিভাগের ওপর কী জনগণের আস্থা আছে? সবাই জানে এসব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
বাংলা ট্রিবিউন: এদিক থেকে বিএনপি কতটা সফল?
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: এটা বিএনপির সফলতা না। আমরা সফল হবো বাংলাদেশের মানুষের কারণে। মানুষের স্বাধীনতা সফল হবে। আইনের শাসন মুক্তি পাবে। বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাবে। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। স্বাধীনতার পর যে দলটি বাকশাল করে এসব ছিনিয়ে নিয়েছিল, আজও  সেই দলটি তা-ই করে যাচ্ছে। আগেও মানুষ তার দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছিল।

/এপিএইচ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বিপজ্জনক আয় বৈষম্যের দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ: আবুল বারকাত
বিপজ্জনক আয় বৈষম্যের দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ: আবুল বারকাত
পাচারের শিকার ২ যুবককে ফিরিয়ে আনার আহ্বান
পাচারের শিকার ২ যুবককে ফিরিয়ে আনার আহ্বান
জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড
জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড
৮ প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষামূলক ভেনামি চিংড়ি চাষের অনুমতি
৮ প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষামূলক ভেনামি চিংড়ি চাষের অনুমতি
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সাক্কুর পরিবারের আছে ২৪টি ফ্ল্যাট
সাক্কুর পরিবারের আছে ২৪টি ফ্ল্যাট
গণ অধিকারের বর্ধিত কমিটি গঠন, বিভিন্ন পদে আরও ১৯ জন
গণ অধিকারের বর্ধিত কমিটি গঠন, বিভিন্ন পদে আরও ১৯ জন
জাগপার সভায় জামায়াতের আবদুল হালিম, সঙ্গে নুরুল হক নুর
জাগপার সভায় জামায়াতের আবদুল হালিম, সঙ্গে নুরুল হক নুর
ছাত্রদল সভাপতি শ্রাবণকে হয়রানির অভিযোগ
ছাত্রদল সভাপতি শ্রাবণকে হয়রানির অভিযোগ
পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি গণফোরামের
পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি গণফোরামের