ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে: জামায়াত আমির

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
০৯ জুন ২০২৬, ২০:৪৩আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ২০:৪৩

ইসলামী ব্যাংক কোনও কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জোরজবরদস্তি করে যাদের কাছ থেকে ব্যাংকটির শেয়ার নেওয়া হয়েছিল, অবিলম্বে তা প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে দেওয়া নোটিশের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, শেয়ারহোল্ডাররা কীভাবে মালিকানা পেয়েছেন, সেটি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া উচিত। তার দাবি, অতীতে চাপ প্রয়োগ ও অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে মালিকানা হস্তান্তর করানো হয়েছিল, যার ফলে ব্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও তিনি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, কোনও নিয়মনীতি, বিজ্ঞপ্তি বা পরীক্ষার মাধ্যমে না গিয়ে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের জবাবে তিনি ৭০০ কোটি টাকার ঋণ নির্বাচনি তহবিলে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মেডেল দেবেন।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মানুষের আস্থার জায়গা। ব্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো ব্যাংকিং খাতে আস্থার সংকট তৈরি হবে। বর্তমানে গ্রাহকদের বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনের ঘটনাও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক বা পূর্বধারণার বাইরে গিয়ে বাস্তবতার ভিত্তিতে ব্যাংকটি রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

/এসএমএ/এম/
সম্পর্কিত
সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ সাংস্কৃতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই প্রতিরোধ সম্ভব: জামায়াত আমির
চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগে ক্ষুব্ধ জামায়াত আমির, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
সংসদে জামায়াত আমিরজননন্দিত ‘শেখ মুজিব’ই জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের কবর দেন’ 
সর্বশেষ খবর
কফি ন্যাপ কী? এই কৌশল কেন এত কার্যকর
কফি ন্যাপ কী? এই কৌশল কেন এত কার্যকর
রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতের চূড়ায় উড়বে বাংলাদেশের পতাকা
রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতের চূড়ায় উড়বে বাংলাদেশের পতাকা
সারাভানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ
সারাভানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ
হাসিনার শেখ সেলিম চমকের আড়ালে ঘনীভূত সংকট
হাসিনার শেখ সেলিম চমকের আড়ালে ঘনীভূত সংকট
সর্বাধিক পঠিত
সেই ভবন ভাড়া নিয়ে কী করছিলেন ৬৩ বিদেশি নাগরিক, যা জানালো পুলিশ
সেই ভবন ভাড়া নিয়ে কী করছিলেন ৬৩ বিদেশি নাগরিক, যা জানালো পুলিশ
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা
বড় অফারে ছোট করে ‘সিএ’ লিখে প্রচারণার অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ গ্রাহক সামলাতে পুলিশ
বড় অফারে ছোট করে ‘সিএ’ লিখে প্রচারণার অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ গ্রাহক সামলাতে পুলিশ
শরিয়াহর দোহাই দিয়ে বাবা-মায়ের অধিকার রক্ষার আইনের বিরোধিতা কেন, প্রশ্ন চিফ হুইপের
শরিয়াহর দোহাই দিয়ে বাবা-মায়ের অধিকার রক্ষার আইনের বিরোধিতা কেন, প্রশ্ন চিফ হুইপের
জ্যান্ত সাপকেও দিতে হলো অডিশন 
জ্যান্ত সাপকেও দিতে হলো অডিশন