বাংলাদেশে আধুনিক ওয়েলনেস, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা এবং লংজেভিটি কেয়ার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের রিজুভা ওয়েলনেস ও থাইল্যান্ডের জেনেসেন গ্রুপের মধ্যে একটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সুখুমভিত এলাকায় অবস্থিত জেনেসেন গ্রুপ-এর দ্য কনস্যুল ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশে ওয়েলনেস ও লংজেভিটি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জেনেসেন গ্রুপের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিসেস সিরিয়া, প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ডা. ওম, ডিরেকটর মাইকে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিচালক ডা. এ কে এম শাহরিয়ার।
বাংলাদেশের রিজুভা ওয়েলনেসের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. বোরহানুদ্দিন আহমেদ সাদিক এবং প্রতিষ্ঠাতা ডা. তৌহিদুর রহমান।
এই সমঝোতার আওতায় রিজুভা ওয়েলনেস বাংলাদেশে জেনেসেন গ্রুপ-এর অ্যাফিলিয়েট পার্টনার হিসেবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আধুনিক ওয়েলনেস, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, সুস্থ বার্ধক্য এবং লংজেভিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতা ও জ্ঞান বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
আলোচনায় দুই পক্ষই উল্লেখ করে যে, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। শুধু রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা গ্রহণ নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের ভবিষ্যতমুখী স্বাস্থ্যসেবার উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে।
জেনেসেন গ্রুপ-এর থাইল্যান্ডভিত্তিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সঙ্গে রেজুভ ওয়েলনেসের বাংলাদেশের স্থানীয় জ্ঞান, নেটওয়ার্ক ও কার্যক্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে এ খাতে নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
সমঝোতার মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠান জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ওয়েলনেস ও লংজেভিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধান করবে।
দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ওয়েলনেস ও লংজেভিটি খাতে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
একইসঙ্গে এই সহযোগিতা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসাকেন্দ্রিক প্রচলিত ধারণার পাশাপাশি প্রতিরোধ, সুস্থতা, স্বাস্থ্যকর বার্ধক্য এবং উন্নত জীবনমানকেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।









