মায়ের জন্য ওয়ালটন এসি কিনে আরেকটি ফ্রি পেলেন চট্টগ্রামের সাব্বির

Send
বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:০২, জুন ২৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:০৮, জুন ২৪, ২০২০

সাব্বির সারওয়ার চৌধুরীর হাতে এসি তুলে দেওয়া হয়একেই বলে ভাগ্য! গরমে মায়ের যেন কষ্ট না হয়, সেজন্য ওয়ালটন ব্র্যান্ডের একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কেনেন চট্টগ্রাম নগরীর গোসাইলডাঙ্গার বাসিন্দা সাব্বির সারওয়ার চৌধুরী। এরপরই তিনি বিনামূল্যে পেয়ে গেলেন ওয়ালটনের আরেকটি নতুন এসি! ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৭’-এর আওতায় এই উপহার উঠলো তার হাতে।
গত ১৮ জুন বিকালে সাব্বির সারওয়ারের কাছে পুরস্কারের নতুন এসি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের উপ-সহকারী পরিচালক ও এসি বিক্রয় ও উন্নয়ন বিভাগের জোনাল ম্যানেজার আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ, নগরীর আগ্রাবাদ চৌমুহনীতে ওয়ালটনের পরিবেশক প্রতিষ্ঠান কেএসটিএল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবদুল কাদের খান।
চট্টগ্রাম নগরীর ফকিরহাটে কেএসটিএল এন্টারপ্রাইজের ডিলার শোরুম ‘বেলা এন্টারপ্রাইজ’ থেকে ৪৫ হাজার ৯০০ টাকায় ওয়ালটনের একটি দেড় টন এসি কেনেন সাব্বির সারওয়ার চৌধুরী। তখন তার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর ও পণ্যের বিস্তারিত তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ওয়ালটন সার্ভারে নিবন্ধন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই তার ফোন নম্বরে একটি মেসেজ আসে। এতে তিনি দেখেন, একটি এসি কিনে আরেকটি এসি ফ্রি পেয়েছেন!

নগরীর গোসাইলডাঙ্গা এলাকায় মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে থাকেন সাব্বির সারওয়ার। চাকরি করেন চট্টগ্রাম ইপিজেডে একটি কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানে। পুরস্কারের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘এই প্রাপ্তি আনন্দের। ক্রেতাদের এমন ব্যতিক্রম সুবিধা দেওয়ায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ।’

অনলাইনে দ্রুত সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। এখন চলছে সিজন-৭। এর মাধ্যমে ক্রেতার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর ও বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও সারাদেশে ৭৪টি ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানরা প্রতি ১০০ দিন পরপর ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিসিং দিচ্ছেন।

ওয়ালটনের অপারেটিভ ডিরেক্টর খন্দকার শাহরিয়ার মুর্শিদ জানান, সিজন-৭ ক্যাম্পেইনে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে অসংখ্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেকোনও ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা ই-প্লাজা থেকে একটি এসি কিনলে আরেকটি নতুন এসি সম্পূর্ণ ফ্রি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়া সবার জন্য রয়েছে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। আছে ফ্রি ইনস্টলেশন সুবিধা। গত ৮ জুন থেকে শুরু হওয়া এসব সুযোগ থাকছে ৩০ জুন পর্যন্ত।

ওয়ালটন এসিতে ফ্রি এসি অথবা নিশ্চিত নগদ ছাড় সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি চলছে ‘এক্সচেঞ্জ অফার’। এর আওতায় সারাদেশে ওয়ালটন শোরুমে যেকোনও ব্র্র্যান্ডের পুরনো এসি জমা দিয়ে ক্রেতারা ২৫ শতাংশ ছাড়ে ওয়ালটনের নতুন এসি কিনতে পারছেন। এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। পাশাপাশি ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টি ও নন-ইনভার্টার কম্প্রেসরে ৫ বছরের গ্যারান্টি রয়েছে।

এসি গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সন্দ্বীপ বিশ্বাস জানান, দেশে নিজস্ব কারখানায় উচ্চমান বজায় রেখে এসি তৈরি করছে ওয়ালটন। এসির মানোন্নয়ন ও ডিজাইন নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা করছেন দক্ষ ও মেধাবী আরঅ্যান্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। তারা ওয়ালটন এসিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সংযুক্ত করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন গ্রাহকদের হাতে তুলে দিচ্ছে দেড় টন ও দুই টনের আইওটি ভিত্তিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী স্মার্ট, ইনভার্টার ও আয়োনাইজার প্রযুক্তির এসি।

ওয়ালটন ইনভার্টার এসি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এসব এসিতে ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। এছাড়া এসির কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। এছাড়া আছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠাণ্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে।

স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য চার ও পাঁচ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আর বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়েবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ এবং চিলার এসি।

/জেএইচ/
টপ