সেই ‘পুরনো’ প্রতিপক্ষের মুখোমুখি ব্রাজিল। প্রতিপক্ষ ‘পুরনো’ এবং ‘চেনা’ হলেও বিশ্বকাপের ঝাঁজে কোনও অংশে কমতি নেই। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে সোমবার রাত ৮টায় ময়দানি ঝাঁজ উপহার দিতে মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ব্রাজিল যেখানে পরিসংখ্যানে এগিয়ে সেখানে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিতে চায় মেক্সিকো। ম্যাচটি সম্প্রচার করবে বিটিভি, মাছরাঙা ও নাগরিক টিভি।
কাগজে-কলমে শক্তির বিচারে এগিয়ে ব্রাজিলই।। শেষ ষোলোর লড়াই নিয়ে ৪১ বারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। যেখানে জয়ের পাল্লাটা ভারি ব্রাজিলের। ২৩টি ম্যাচ জিতেছে সেলেসাওরা। মেক্সিকোর জয় মাত্র ১০টিতে। বিশ্বকাপের চার লড়াইয়েও ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি মেক্সিকো। সবশেষ ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষ হয়েছে গোলশূন্যতে।
২০১৫ সালে এক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল মেক্সিকোকে হারিয়েছে ২-০ গোলে। তাই পরিসংখ্যানের বিচারে দলটা এগিয়ে। এরপরেও মেক্সিকো ছেড়ে দিতে চাচ্ছে না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই দলটিকে। মেক্সিকো কোচ কার্লোস ওসোরিও মনে করেন তেমনটা, ‘মেক্সিকো ফুটবলের এটাই সুবর্ণ সুযোগ, যারা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। নিজেদের সবটুকু দিয়েই খেলতে হবে।’ তাই মিডফিল্ডারদের ওপরই আস্থা তার, ‘আমাদের মিডফিল্ডাররা আক্রমণ আর সুযোগ তৈরি করতে পটু।’
উল্টো দিকে একের পর এক ফেভারিটরা বিদায় নিচ্ছে বিশ্বকাপ থেকে। নকআউট থেকে সবশেষ বিদায় নিয়েছে স্পেন। এমন অবস্থায় চাপ থাকারই কথা ব্রাজিল কোচ তিতের ওপর। যদিও তিতে বলেছেন, চাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় ব্রাজিল। খেলতে চায় নির্ভার থেকেই, ‘নকআউটের চাপ আমরা গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই নিচ্ছি। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করে আমাদের কাছে এখন প্রতিটা ম্যাচই নকআউট। তাই নির্ভার হয়েই মাঠে নামবো।’
ব্রাজিলের একাদশে শুরুতে দেখা যেতে পারে ডিফেন্ডার ফিলিপে লুইজকে। বেঞ্চে থাকবেন মার্সেলো। তার খেলারও রয়েছে সম্ভাবনা। রাইটব্যাক দানিলোকেও দেখা যেতে পারে আজ। মেক্সিকো দলে থাকছেন না সেন্টার ব্যাক হেক্টর মোরেনো। দুই হলুদ কার্ড পাওয়ায় এই দুর্গতি। তার বদলে থাকবেন হুগো আয়ালা।








