সেন্ট পিটার্সবার্গে মঙ্গলবার নাটকীয় জয়ে নকআউটে উঠেছে আর্জেন্টিনা। অথচ গত সপ্তাহে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে লজ্জা পেতে হয়েছিল তাদের। ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে নাইজেরিয়াকে হারিয়ে সেই হতাশা বেশ ভালোভাবে কাটিয়ে উঠল লিওনেল মেসিরা। কয়েকটি কীর্তিও গড়ল তারা :
১- বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন তিনটি বয়সের ধাপে গোল করলেন লিওনেল মেসি। টিনেজ (অনূর্ধ্ব-১৯), ২০ ও ৩০-এর কোঠায় থাকার সময় বিশ্বমঞ্চে গোলের কৃতিত্ব গড়লেন তিনি। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে মেসির একমাত্র গোল এসেছিল সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে, ১৯ বছর বয়স হতে তখন বাকি ছিল আরও ৭ দিন। ২০১৪ বিশ্বকাপে করেন ৪ গোল, এর প্রথম গোলটি এসেছিল ২৬ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে। রাশিয়া বিশ্বকাপে তার গোল এলো ৩১তম জন্মদিন পালনের দুই দিন পর।
১১- বিশ্বকাপে গতবার ৪ গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি, শেষটা ছিল গ্রুপ পর্বে। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে জোড়া লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। এরপর ফাইনালে ওঠার পথে আর কোনও গোলের দেখা পাননি। অবশেষে ১১ ঘণ্টা পর বিশ্বকাপে গোল করলেন মেসি, ৬৬০ মিনিট পর খরা কাটালেন তিনি।
৩- মেসি সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে গোল করেছেন ৬টি। ৩টিই নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। তাছাড়া ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার পর আর্জেন্টিনার তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপে গোলের কৃতিত্ব গড়লেন তিনি।
২৮- উইলি কাবায়েরোর জায়গায় নাইজেরিয়ার বিপক্ষে গোলরক্ষকের দায়িত্ব পান ফ্রাঙ্কো আরমানি। ২৮ বছরে প্রথমবার এক বিশ্বকাপে ভিন্ন দুইজন গোলরক্ষক জায়গা পেলেন আর্জেন্টিনার একাদশে। ১৯৯০ সালে নেরি পাম্পিদো ও সার্জিও গোয়চোচেয়া দুটি ভিন্ন ম্যাচের শুরুতে ছিলেন। ২০০৬ সালেও আর্জেন্টিনা ভিন্ন দুই ম্যাচে রেখেছিল রবের্তো আবনদানজিয়েরি ও লিও ফ্রাঙ্কোকে। কিন্তু জার্মানির বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ফ্রাঙ্কো নেমেছিলেন বদলি হিসেবে।
২- এ নিয়ে দ্বিতীয়বার শেষ মুহূর্তের গোলে বিশ্বকাপে জিতল আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালে ইরানের বিপক্ষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মেসি করেছিলেন গোল, এবার নাইজেরিয়ার বিপক্ষে রোহো জেতালেন ৮৬তম মিনিটের গোলে। কাকতালীয় ব্যাপার হলো, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপেও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দলকে জেতাতে গোল করেন মেসি ও রোহো। ইএসপিএনএফসি








