আর্থিক সংকটের কারণে নারী ফুটবল দল মিয়ানমারে যেতে পারেনি। এনিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সবাই যার যার জায়গা থেকে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তবে আজ বাফুফের জরুরি সভা হয়েছে। সভা শেষে জানানো হয়েছে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, কোনও দূরত্ব নেই ফেডারেশনের।
নারী ফুটবলারদের এই বছর অন্তত পাঁচটি আন্তর্জাতিক সূচি রয়েছে। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে অংশ নিতে হলে অনেক অর্থের প্রয়োজন। এর মধ্যে বড় অংশ ফিফা-এএফসি ও স্পন্সরদের কাছ থেকে আসবে। তবে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা ঘাটতি থাকবে। সেটা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাফুফে।
চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বাফুফের সহসভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়া সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনও বিভাজন নেই। বিভাজনের কিছুই নেই। আমরা মনে করি ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। কোনও দূরত্ব নেই। ফুটবল বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলা। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ক্রীড়ার ওপরই আছে। কেউ ভুল করলে তারা সংশোধন করে নেবে। তারা তো শীর্ষে আছে। তারা তো ফেলে দেবে না। বাপ-ছেলের মধ্যে দূরত্ব হয়, এরপর কাছেও চলে আসে। আমি মনে করি না দূরত্ব হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।’
শেষের দিকে এসে নারী দলের বাজেট নিয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বিশদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার কথা, ‘মেয়েদের আরও ৫টি ইভেন্ট রয়েছে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসেসমেন্টের প্রয়োজন। কী পরিমাণ টাকা দরকার হবে, আমরা কি পাবো? আড়াই থেকে তিন কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে। আবারও আগের মতো সমস্যা হবে কি না। দল যাবে না, ঘোষণা দিতে হবে কি না। তার জন্যই এই সভা।’
এরপরই এই কর্মকর্তা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘এই বিষয় নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ কাজ করবো। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। সরকার তো গার্ডিয়ান। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তো আমাদের গার্ডিয়ান। সরকারের সব সহযোগিতা নিয়ে কাজ করি আমরা। টাকার সীমাবদ্ধতা তাদেরকে জানাবো।’
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে আবু নাইম বলেছেন, ‘হয়তো ভুল বোঝাবুঝির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও আমার মনে হয় এটা ঠিক হয়ে যাবে। দিনশেষে আমরা স্পোর্টস ফ্যামিলি।’








