ফিফা আসিয়ান কাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন চলছে। বুধবার ষষ্ঠ দিনের মতো অনুশীলন হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও মিডিয়া সেশন হয়নি। আদতে চলমান ক্যাম্পে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে অনুশীলন করা হচ্ছে। যা জন্ম দিয়েছে আলোচনার!
কিংস অ্যারেনায় শুরু হওয়া এই ক্যাম্পে প্রধান কোচ থমাস ডুলির অধীনে রুদ্ধদ্বার অনুশীলন সেশনে এমন গোপনীয়তা আগে দেখা যায়নি। অতীতের ক্যাম্পগুলোর মতো এবার কোচ কিংবা খেলোয়াড়দের সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে না। অনুশীলনের খবর কিংবা সাক্ষাৎকার নেওয়ার ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
অনুশীলনে গোপনীয়তার এই বিষয়টি-ই ক্রীড়াঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও ক্যাম্পে নানান সমস্যা লেগেই ছিল- বাস থেকে শুরু করে জার্সি ও ‘আইস বাথ’ সুবিধার অনুপস্থিতি এর মধ্যে ছিল অন্যতম।
বর্তমানে ২৮ জন খেলোয়াড় নিয়ে অনুশীলন হচ্ছে। এমনই গোপনীয়তা যে, কোন খেলোয়াড় আসছে তাও বলছে না বাফুফে। সবশেষ মিতুল মারমা যোগ দিয়েছেন। প্রবাসী ফুটবলাররাও ট্রায়াল দিতে আসছেন। অথচ সেটাও জানানোর কেউ নেই! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ নানান সূত্রে খবর নিতে হচ্ছে।
দুই বেলা অনুশীলন করে বর্তমানে দলের অবস্থা কী সেটা বলছেন না কোচ নিজেও। টমাস ডুলি শুধু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমার কথা বলতে সমস্যা নেই। তবে এখন কিউবাকে নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। আমি মনে করি অনূর্ধ্ব-২০ দলের দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। ওখানে আব্বাস ও জিদানসহ অনেকেই খেলছে। ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।’
বলা যায়- বাফুফে শুধু অনুশীলনের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে। মিডিয়া সেশন নিয়ে তাদের কোনও ‘মাথাব্যথা’ নেই। তবে জানা গেছে জাতীয় দলের মিডিয়া সেশন না হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হলো সবার দৃষ্টি যেন অনূর্ধ্ব-২০ দলকে নিয়েই আবদ্ধ থাকে।
এ প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আজ রাতে একটা মিটিং আছে। এরপর এ প্রসঙ্গে সব কিছু পরিষ্কার করতে পারবো।’









