দক্ষিণ আফ্রিকায় কাল শুরু আকবরদের বিশ্বকাপ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১১, জানুয়ারি ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৩, জানুয়ারি ১৭, ২০২০

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলআজ শুক্রবারই মাঠে নেমে গেছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। উদ্বোধনী দিনেই অঘটন ঘটিয়েছে আফগানিস্তান, ৭ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে। আর এ জয় দিয়ে আফগানিস্তান শুরুতেই যেন ফেবারিট-তত্ত্বকে দেখালো বুড়ো আঙুল। সুতরাং বাংলাদেশকে কাল সতর্ক হয়েই দাঁড়াতে হবে জিম্বাবুয়ের সামনে। বাংলাদেশের যুব বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে শনিবার থেকে।

পরিসংখ্যানে জিম্বাবুয়ের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যানের পাতায় একবার চোখ বোলালেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। এ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩টি ওয়ানডে খেলা বাংলাদেশ হেরেছে মাত্র একটি ম্যাচে।

গত এক দশকে প্রতিবারই বড় স্বপ্ন নিয়ে যুব বিশ্বকাপ খেলতে গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হতাশা সঙ্গী হয়েছে নাফিস ইকবাল-মুশফিকুর রহিম-এনামুল হক থেকে শুরু করে মেহেদী হাসান মিরাজদের। এবারও আকবরের দল স্বপ্ন দেখিয়েই গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই দলটি দুই বছর ধরে ঘরে ও ঘরের বাইরে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। গত দুই বছরে ৩৩টি ওয়ানডে খেলে জিতেছে ১৮ ম্যাচে। এমন ফলই মূলত যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ট্রফি জয়ে আশা জোগায়।

যুবদলের অধিনায়কের কণ্ঠেও তাই আশা। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দক্ষতা দেখানোর দারুণ মঞ্চ এটি। আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েই এসেছি। এই মুহূর্তে দলের প্রতিটি খেলোয়াড় খেলতে উন্মুখ হয়ে আছে। মানসিকভাবে আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি। আমরা চূড়ান্ত ফলের দিকে না তাকিয়ে ম্যাচ ধরেই ধরেই এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের যে দল তাতে এই দল নিয়ে ফাইনালে খেলা উচিত। মাঠে পরিকল্পনামতো কাজ করতে পারলে আশা করি সেই লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পারবো।’

তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ শিবির উদ্বিগ্ন চোট নিয়ে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পেসার মৃত্যুঞ্জয়ের চোটে পড়েছেন। প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকছেই। এ ব্যাপারে নির্বাচক হান্নান সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে মৃত্যুঞ্জয়ের ইনজুরি অনেকটাই উন্নতির দিকে। কালকের ম্যাচে না খেলতে পারলেও আশা করি পরের ম্যাচ থেকে তাকে আমরা পাবো। সে আমাদের দলের মূল স্ট্রাইক বোলার।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠানরত এবারের টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ ‘সি’তে। যেখানে জিম্বাবুয়ে ছাড়াও বাংলাদেশকে খেলতে হবে পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচ বিশ্ববিদ্যালয় শহর পচেফস্ট্রুমে। কাল এখানেই বাংলাদেশ মুখোমুখি জিম্বাবুয়ের। ২১ জানুয়ারি দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। ২৪ জানুয়ারির ম্যাচে সবচেয়ে শক্ত প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।

প্লেট কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের ম্যাচ শুরু হবে ২৭ জানুয়ারি। প্লেট প্লে-অফ সেমিফাইনালের দুটি ম্যাচ ৩০ জানুয়ারি। আর প্লেট সেমিফাইনাল দুটি ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি। প্লেট পর্বের ফাইনাল বেনোনিতে হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। সুপার লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারি টানা চারদিন। এর পরের সব ম্যাচেরই ভেন্যু পচেফস্ট্রুম। সুপার লিগের প্লে-অফ সেমিফাইনাল ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি। সুপার লিগের সেমিফাইনালের দুটি ম্যাচ ৪ ও ৬ ফেব্রুয়ারি। ৯ ফেব্রুয়ারি ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে টুর্নামেন্টের।

/আরআই/পিকে/

লাইভ

টপ