জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন, বিশ্বাসই করতে পারেননি হাসান

Send
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৪:১২, জানুয়ারি ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:১৬, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

বাবা-মা, ভাই-বোনসহ সবার মাঝে হাসানঘোষিত হয়েছে বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের ১৫ সদস্যের টি-টোয়েন্টি দল। তাতে চমক হয়েই এসেছে লক্ষ্মীপুরের পেসার হাসান মাহমুদের নাম। সদ্য শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলের পারফর‌ম্যান্স কপাল খুলে দিয়েছে ২০ বছর বয়সী পেসারের। এর পর থেকে তার পরিবারে চলছে আনন্দ-উৎসব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন এই ক্রিকেটার। কারণটাও সেরকমই! জাতীয় দলে হাসানই যে লক্ষ্মীপুরের প্রথম ক্রিকেটার!

বিপিএলে ঢাকা প্লাটুনের হয়ে শুরু থেকে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন ২০ বছর বয়সী পেসার। ১৩ ম্যাচে নিয়েছেন ১০ উইকেট। স্কুল ক্রিকেট, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেটে লক্ষ্মীপুরের হয়ে খেলা হাসান ছিলেন ২০১৮ সালের যুব বিশ্বকাপ দলেও। সব মিলিয়ে বয়সভিত্তিকের সব ধাপ পেরিয়ে ‘বড়দের’ ক্রিকেটে সুযোগ পেয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালের শেষ দিকে জেলা ক্রিকেট একাডেমিতে কোচ মনিরের সঙ্গে হাসানের পরিচয় হয়। মিডিয়াম পেসার হিসেবে হাসানের ক্রিকেট খেলা শুরু হলেও গতি বেড়ে যায় বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ার পর।

হাসান লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. ফারুক ও গৃহিনী মাহমুদা খাতুন রানীর ছোট ছেলে। তারা দুই ভাই ও তিন বোন।

হাসান মাহমুদের দাবি, বঙ্গবন্ধু বিপিএল দিয়েই অনেক কিছু শিখেছেন। একবার ম্যাচসেরা হওয়াকে টুর্নামেন্টের বড় পাওয়া হিসেবে দেখছেন তিনি, ‘বিপিএলে অভিজ্ঞ কোচ ও খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। ৪ উইকেট পেয়ে ম্যাচ সেরাও হয়েছি। এটা আমার বড় পাওয়া।’

যখন দল ঘোষণা করা হয়, এর আগে থেক্খেই পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে লক্ষ্মীপুরে রয়েছেন হাসান। দলে সুযোগ পাওয়ার খবরটি তাকে ফোনে জানায় বিসিবিই। কিন্তু তখনকার প্রতিক্রিয়া তার কেমন ছিল? শুনুন হাসানের মুখেই, ‘আমাকে বিসিবি থেকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। পরে বাবা-মা, প্রিয় কোচ মনির হোসেন ও বন্ধু-বান্ধবকে এই সুখবরটি জানাই। সবাই এতে খুব খুশি হয়েছে। সুযোগ পেলে দেশের জন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। এজন্য লক্ষ্মীপুরসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।’

/এফআইআর/

লাইভ

টপ