ডর্টমুন্ডের কাছে হারের পর ক্ষুব্ধ নেইমার

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:৫১, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫১, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

বারবার বলেছেন, ‘আমি খেলার জন্য প্রস্তুত’। এরপরও ক্লাব মাঠে নামানোর ঝুঁকি নেয়নি। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে ২-১ গোলে হারের পর তাই প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের দিকে আঙুল তুলেছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর লড়াইয়ের আগে কেন খেলানো হলো না, তার মনের মধ্যে এই প্রশ্ন যেমন আছে, তেমনি প্রস্তুতির ঘাটতিতে নিজের সেরাটা দিতে না পারার ক্ষোভও উগরে দিচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

পাঁজরের চোটে দুই সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে নেইমারকে। যদিও সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের দাবি, চোট এতটা গুরুতর ছিল না। দুই সপ্তাহ খেলার মধ্যে না থাকায় নিজের সেরাটা দিতে না পারার আক্ষেপ ঝরেছে তার কণ্ঠে। পিএসজির গোলটি তিনিই করেছেন। কিন্তু গোলের খুশি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে দলের হারে। আর এ জন্য পিএসজিকেই কাঠগড়ায় তুলছেন ২৮ বছর বয়সী তারকা।

গত তিন বছর শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের। ডর্টমুন্ডের মাঠ থেকে হেরে ফেরায় আবারও শঙ্কা জেগেছে ছিটকে যাওয়ার। আর এজন্য ক্লাবের অতি সাবধানী মনোভাবকে দায়ী করছেন নেইমার, ‘চার ম্যাচ না খেলাটা কঠিন। দুর্ভাগ্যক্রমে সিদ্ধান্তটা আমার নয়, ‍নিয়েছে ক্লাব ও চিকিৎসক। তারাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আর যেটি আমার মোটেও পছন্দ হয়নি। আমরা বিষয়টা (খেলা) নিয়ে অনেক কথা বলেছি। আমি খেলতে চেয়েছি, কারণ আমি ভালো অবস্থানে ছিলাম, কিন্তু ক্লাব ভয় পাচ্ছিল। দিনশেষে ভুক্তভোগী হলাম আমি।’

গত দুই মৌসুমে পিএসজিকে শেষ ষোলো থেকে বিদায় করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। চোটের কারণে দুটি লড়াই-ই খেলতে পারেননি নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের অনুপস্থিতি ছিল তাদের হারের অন্যতম কারণ। এজন্য এবারের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দলের সেরা খেলোয়াড়কে কোনোভাবে হারাতে চায়নি। তাই অতি সতর্ক হয়ে পিএসজি লিগ ম্যাচে খেলায়নি নেইমারকে।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ক্লাবের চিন্তার জায়গাটি বুঝতে পারছেন, তারপরও মাঠের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না, ‘আমি বুঝতে পারছি ক্লাবের ভয় পাওয়ার জায়গা কোথায়। কারণ হলো গত দুই মৌসুম আমি শেষ ষোলোর লড়াইয়ে খেলতে পারিনি। তাদের সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান জানাই, কিন্তু আমার কাছে এটি পছন্দ হয়নি। কেননা সবশেষে খেলোয়াড়কেই ভুগতে হয়।’

দুই সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকায় নিজের সেরাটা না দেওয়ার আক্ষেপ নেইমারের কণ্ঠে, ‘৯০ মিনিট একটানা খেলে যাওয়া কঠিন কাজ। অন্যরকম ম্যাচ ছিল। খেলার মধ্যে থাকলে নিশ্চিতভাবেই আমি ভালো খেলতে পারতাম।’

/কেআর/পিকে/

লাইভ

টপ